জুনিয়র-সিনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে ৩০টি ঘরবাড়ি-দোকান ভাংচুর, আহত ১০
jugantor
জুনিয়র-সিনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে ৩০টি ঘরবাড়ি-দোকান ভাংচুর, আহত ১০

  টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

১২ আগস্ট ২০২০, ২২:২২:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুর

মাদারীপুর পৌরসভার পাকদী এলাকায় মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে জুনিয়র সিনিয়র কথাকাটাকাটিকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন এবং সংঘর্ষ চলাকালে প্রায় ৩০টি ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সদর মডেল থানা পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে। বুধবার দুপুরে এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ক্ষতিগ্রস্তরা।

পুলিশ, আহত এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে মাদারীপুর পৌরসভার পাকদী এলাকার তুষার সরদারের সাথে পাশের থানতলী এলাকার মিঠুন খলিফার মধ্যে সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। পরে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দুইপক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আহত হয় অন্তত ১০ জন। বেশি আহতরা হলেন- পাকদী এলাকার আইয়ুব আলী ফরাজী (৬০), আলেয়া বেগম (৫৫), মোনাই হোসেন (৬৫)। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংঘর্ষ চলাকালে প্রায় ৩০টি ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় সাইফুল ইসলাম নামের এক সাংবাদিকের ওষুধের দোকান ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় পাকদী এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত রহমান খলিফা বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম জানান, আমি সাংবাদিকতার পাশাপাশি একটি নতুন ওষুধের ফার্মেসির দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করেছি। হঠাৎ করে রাতে কিছু ছেলে এসে আমার দোকানে ভাংচুর শুরু করে। আমি এ ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও অপরাধীর বিচারসহ ক্ষতিপূরণ চাই।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম মিঞা জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জুনিয়র-সিনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে ৩০টি ঘরবাড়ি-দোকান ভাংচুর, আহত ১০

 টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
১২ আগস্ট ২০২০, ১০:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মাদারীপুর
মাদারীপুর

মাদারীপুর পৌরসভার পাকদী এলাকায় মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে জুনিয়র সিনিয়র কথাকাটাকাটিকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন এবং সংঘর্ষ চলাকালে প্রায় ৩০টি ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সদর মডেল থানা পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে। বুধবার দুপুরে এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ক্ষতিগ্রস্তরা।

 

পুলিশ, আহত এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে মাদারীপুর পৌরসভার পাকদী এলাকার তুষার সরদারের সাথে পাশের থানতলী এলাকার মিঠুন খলিফার মধ্যে সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। পরে দুজনের মধ্যে   ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দুইপক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আহত হয় অন্তত ১০ জন। বেশি আহতরা হলেন- পাকদী এলাকার আইয়ুব আলী ফরাজী (৬০), আলেয়া বেগম (৫৫), মোনাই হোসেন (৬৫)। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

সংঘর্ষ চলাকালে প্রায় ৩০টি ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় সাইফুল ইসলাম নামের এক সাংবাদিকের ওষুধের দোকান ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় পাকদী এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত রহমান খলিফা বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম জানান, আমি সাংবাদিকতার পাশাপাশি একটি নতুন ওষুধের ফার্মেসির দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করেছি। হঠাৎ করে রাতে কিছু ছেলে এসে আমার দোকানে ভাংচুর শুরু করে। আমি এ ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও অপরাধীর বিচারসহ ক্ষতিপূরণ চাই।

 

মাদারীপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম মিঞা জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন