ভোগান্তির আরেক নাম ভড়ুয়াপাড়া সড়ক
jugantor
ভোগান্তির আরেক নাম ভড়ুয়াপাড়া সড়ক

  কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি  

১৩ আগস্ট ২০২০, ১৩:৩৯:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোগান্তির আরেক নাম ভড়ুয়াপাড়া সড়ক

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় দুই কিলোমিটার রাস্তাটি শতবছরেও সংস্কার হয়নি।

উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের ভড়ুয়াপাড়া গ্রামের জালাল মোল্লার বাড়ি থেকে মনোহরপুর কালুপাড়া মোড় পর্যন্ত সড়কে সংস্কার না হওয়ায় এলাকাবাসীর ভোগান্তির শেষ নেই।

শত শত বিঘা জমির ফসল নেয়া ও স্বল্পসময়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে যায়। বর্ষা মৌসুমে বসবাসরত পরিবারগুলো প্রয়োজনে বাজারে যাওয়া বা বিপদকালীন সাহায্য পাওয়া এবং স্কুল ছাত্রছাত্রীর সঠিক সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার কোনো উপায় থাকে না এমনই অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী রিপন আলী ও রবিউল ইসলামসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, রাস্তার বেহাল দশার কারণে তারা সপ্তাহে একদিন বাজার করেন এবং বাকি সময় বাড়িতে থাকেন। একান্ত প্রয়োজন না হলে বের হন না। তাদের ছেলেমেয়েরা এই সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না।

বানিয়াখড়ি, নিতাইলপাড়া, দমদমা ভড়ুয়াপাড়া, চরনিতাইলপাড়া, উদয় নাতুড়িয়াসহ ভালুকা বা চাঁদপুরে প্রায় ৬-৭ কিলোমিটারে বেশি রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। অথচ এই রাস্তাটি সংস্কার করা হলে স্বল্প সময়ে কাঙ্ক্ষিত স্থানে পৌঁছাতে সুবিধা হতো।

এ ছাড়া ভালুকা, কালুপাড়া, নাতুরিয়া ও দক্ষিণ মনোহরপুরের শত শত বিঘা জমির ফসল নিয়ে যাওয়ার একটি মাত্র রাস্তাটি বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরে যে কারণে কৃষকদের ভোগান্তির শেষ থাকে না।

এ বিষয়ে বাগুলাট ইউপি চেয়ারম্যান জামাল সরকার জানান, তার ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তা পাকা। ভড়ুয়াপাড়া জালাল মোল্লার বাড়ি থেকে কালুপাড়া পর্যন্ত মাঠের পাশ দিয়ে যাওয়া এই কাঁচা রাস্তাটি তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ভোগান্তির আরেক নাম ভড়ুয়াপাড়া সড়ক

 কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি 
১৩ আগস্ট ২০২০, ০১:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভোগান্তির আরেক নাম ভড়ুয়াপাড়া সড়ক
ফাইল ছবি

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় দুই কিলোমিটার রাস্তাটি শতবছরেও সংস্কার হয়নি।

উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের ভড়ুয়াপাড়া গ্রামের জালাল মোল্লার বাড়ি থেকে মনোহরপুর কালুপাড়া মোড় পর্যন্ত সড়কে সংস্কার না হওয়ায় এলাকাবাসীর ভোগান্তির শেষ নেই।

শত শত বিঘা জমির ফসল নেয়া ও স্বল্পসময়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে যায়। বর্ষা মৌসুমে বসবাসরত পরিবারগুলো প্রয়োজনে বাজারে যাওয়া বা বিপদকালীন সাহায্য পাওয়া এবং স্কুল ছাত্রছাত্রীর সঠিক সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার কোনো উপায় থাকে না এমনই অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী রিপন আলী ও রবিউল ইসলামসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, রাস্তার বেহাল দশার কারণে তারা সপ্তাহে একদিন বাজার করেন এবং বাকি সময় বাড়িতে থাকেন। একান্ত প্রয়োজন না হলে বের হন না। তাদের ছেলেমেয়েরা এই সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না।

বানিয়াখড়ি, নিতাইলপাড়া, দমদমা ভড়ুয়াপাড়া, চরনিতাইলপাড়া, উদয় নাতুড়িয়াসহ ভালুকা বা চাঁদপুরে প্রায় ৬-৭ কিলোমিটারে বেশি রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। অথচ এই রাস্তাটি সংস্কার করা হলে স্বল্প সময়ে কাঙ্ক্ষিত স্থানে পৌঁছাতে সুবিধা হতো।

এ ছাড়া ভালুকা, কালুপাড়া, নাতুরিয়া ও দক্ষিণ মনোহরপুরের শত শত বিঘা জমির ফসল নিয়ে যাওয়ার একটি মাত্র রাস্তাটি বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরে যে কারণে কৃষকদের ভোগান্তির শেষ থাকে না।

এ বিষয়ে বাগুলাট ইউপি চেয়ারম্যান জামাল সরকার জানান, তার ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তা পাকা। ভড়ুয়াপাড়া জালাল মোল্লার বাড়ি থেকে কালুপাড়া পর্যন্ত মাঠের পাশ দিয়ে যাওয়া এই কাঁচা রাস্তাটি তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন