সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন
jugantor
সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

১৪ আগস্ট ২০২০, ১৭:৩৭:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে কাজ শুরু করেছেন র‌্যাবে কর্মরত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।

এর আগে শুরু থেকেই র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার জামিল আহমদকে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছিল। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ৩১ জুলাই রাতে পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। 

এদিকে সিনহা হত্যা মামলায় রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া চার পুলিশ সদস্য ও পুলিশের মামলার তিন সাক্ষীসহ ৭ জনকে ৭ দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব-১৫ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে র‌্যাবের একটি বহর কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে তাদের নিয়ে যায় বলে নিশ্চিত করেন কারাসুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন। 

কক্সবাজার কারাগারের জেলসুপার জানান, মেজর সিনহা হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা পুলিশের চার সদস্য ও অপর একটি মামলার (সাক্ষী) তিনজনসহ মোট সাতজনকে কারাগার থেকে র‌্যাব হেয়াজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের আগে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়।

রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া আসামিরা হলেন- কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া এবং পুলিশের মামলায় সাক্ষী হওয়া তিনজন টেকনাফের বাহারছড়ার মারিশবনিয়া এলাকার নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ।

এর আগে গত ৮ ও ৯ আগস্ট কক্সবাজার কারাফটকে চার আসামি কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পান তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা। 

ফলে তাদের আরও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। ১২ আগস্ট শুনানি শেষে তাদের প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ।

র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমদ বলেন, কিছু সমস্যার কারণে সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাত ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।
 

সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
১৪ আগস্ট ২০২০, ০৫:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে কাজ শুরু করেছেন র‌্যাবে কর্মরত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।

এর আগে শুরু থেকেই র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার জামিল আহমদকে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছিল। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ৩১ জুলাই রাতে পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে।

এদিকে সিনহা হত্যা মামলায় রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া চার পুলিশ সদস্য ও পুলিশের মামলার তিন সাক্ষীসহ ৭ জনকে ৭ দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব-১৫ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে র‌্যাবের একটি বহর কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে তাদের নিয়ে যায় বলে নিশ্চিত করেন কারাসুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন।

কক্সবাজার কারাগারের জেলসুপার জানান, মেজর সিনহা হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা পুলিশের চার সদস্য ও অপর একটি মামলার (সাক্ষী) তিনজনসহ মোট সাতজনকে কারাগার থেকে র‌্যাব হেয়াজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের আগে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়।

রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া আসামিরা হলেন- কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া এবং পুলিশের মামলায় সাক্ষী হওয়া তিনজন টেকনাফের বাহারছড়ার মারিশবনিয়া এলাকার নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ।

এর আগে গত ৮ ও ৯ আগস্ট কক্সবাজার কারাফটকে চার আসামি কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পান তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা।

ফলে তাদের আরও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। ১২ আগস্ট শুনানি শেষে তাদের প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ।

র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমদ বলেন, কিছু সমস্যার কারণে সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাত ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

 

ঘটনাপ্রবাহ : মেজর সিনহার মৃত্যু