বয়স্ক ভাতার কার্ড করতে ১০ হাজার টাকা ঘুষ!
jugantor
বয়স্ক ভাতার কার্ড করতে ১০ হাজার টাকা ঘুষ!

  চরফ্যাশন (দক্ষিণ) প্রতিনিধি  

১৪ আগস্ট ২০২০, ১৮:৩৭:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার চরফ্যাশনের ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হতদরিদ্র আবদুল বারেক ৭২ বছর বয়সেও বয়স্ক ভাতা পাননি। তার ভাতার কার্ড করতে ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে ১০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে।
 
আবদুল বারেকের (বাবুলের বাপ) বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে ঘরেই আছেন তিনি। আলাপচারিতার একপর্যায়ে আবদুল বারেক বলেন, কোনো ছেলেসন্তান না থাকায় মানুষের কাছে হাত পেতে দুই-এক টাকা তুলে ক্ষুধার জ্বালা নিবারণের চেষ্টা করেন প্রতিদিন। পালিত সন্তান বাবুল বিয়ে করার পর বৃদ্ধ মা-বাবাকে ফেলে চলে যায় অন্যত্র। তার নামে বয়স্ক ভাতার একটি কার্ড করতে চৌকিদার ও মেম্বারসহ অনেকের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও মেলেনি কার্ড।

তিনি বলেন, কার্ড করার জন্য ১০ হাজার টাকা চেয়েছেন ইব্রাহিম মেম্বার। এত টাকা আমি কোথায় পাব? আপনারা মেম্বার-চেয়ারম্যানকে বলেন আমাকে একটা বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিতে। আল্লাহর কাছে দোয়া করর- এমন করেই আকুতি জানান হতদরিদ্র আবদুল বারেক।

অভিযোগ প্রসঙ্গে ৮নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ইব্রাহিম বলেন, ১০ হাজার টাকার বিষয়ে আবদুল বারেকের সঙ্গে আমার কোনো কথা হয়নি। এসব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বয়স্ক ভাতার কার্ড করতে আমি কারও কাছ থেকে জোর করে টাকা চাই না। সম্মানী হিসেবে যে যা দেয় তাতেই আমি সন্তুষ্ট।

ওসমানগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম (ফোটন) জানান, আবদুল বারেককে ইউনিয়ন পরিষদে ডাকা হয়েছে। তার ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র চেয়েছি। তাকে কিছুদিনের মধ্যেই বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেয়ার চেষ্টা করব। কার্ড করতে কোনো ইউপি সদস্য বা চৌকিদার কারও কাছে টাকা চেয়েছে- এমন কোনো অভিযোগ আমার কাছে আসেনি।

বয়স্ক ভাতার কার্ড করতে ১০ হাজার টাকা ঘুষ!

 চরফ্যাশন (দক্ষিণ) প্রতিনিধি 
১৪ আগস্ট ২০২০, ০৬:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার চরফ্যাশনের ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হতদরিদ্র আবদুল বারেক ৭২ বছর বয়সেও বয়স্ক ভাতা পাননি। তার ভাতার কার্ড করতে ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে ১০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে।

আবদুল বারেকের (বাবুলের বাপ) বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে ঘরেই আছেন তিনি। আলাপচারিতার একপর্যায়ে আবদুল বারেক বলেন, কোনো ছেলেসন্তান না থাকায় মানুষের কাছে হাত পেতে দুই-এক টাকা তুলে ক্ষুধার জ্বালা নিবারণের চেষ্টা করেন প্রতিদিন। পালিত সন্তান বাবুল বিয়ে করার পর বৃদ্ধ মা-বাবাকে ফেলে চলে যায় অন্যত্র। তার নামে বয়স্ক ভাতার একটি কার্ড করতে চৌকিদার ও মেম্বারসহ অনেকের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও মেলেনি কার্ড।

তিনি বলেন, কার্ড করার জন্য ১০ হাজার টাকা চেয়েছেন ইব্রাহিম মেম্বার। এত টাকা আমি কোথায় পাব? আপনারা মেম্বার-চেয়ারম্যানকে বলেন আমাকে একটা বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিতে। আল্লাহর কাছে দোয়া করর- এমন করেই আকুতি জানান হতদরিদ্র আবদুল বারেক।

অভিযোগ প্রসঙ্গে ৮নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ইব্রাহিম বলেন, ১০ হাজার টাকার বিষয়ে আবদুল বারেকের সঙ্গে আমার কোনো কথা হয়নি। এসব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বয়স্ক ভাতার কার্ড করতে আমি কারও কাছ থেকে জোর করে টাকা চাই না। সম্মানী হিসেবে যে যা দেয় তাতেই আমি সন্তুষ্ট।

ওসমানগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম (ফোটন) জানান, আবদুল বারেককে ইউনিয়ন পরিষদে ডাকা হয়েছে। তার ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র চেয়েছি। তাকে কিছুদিনের মধ্যেই বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেয়ার চেষ্টা করব। কার্ড করতে কোনো ইউপি সদস্য বা চৌকিদার কারও কাছে টাকা চেয়েছে- এমন কোনো অভিযোগ আমার কাছে আসেনি।