রাজশাহীর বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে স্পেস বরাদ্দ পেল ৮ প্রতিষ্ঠান
jugantor
রাজশাহীর বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে স্পেস বরাদ্দ পেল ৮ প্রতিষ্ঠান

  রাজশাহী ব্যুরো  

১৪ আগস্ট ২০২০, ১৮:৩৯:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে উদ্যোক্তাদের মাঝে স্পেস বরাদ্দ শুরু হয়েছে। শুক্রবার এই হাইটেক পার্কে আনুষ্ঠানিকভাবে আটটি প্রতিষ্ঠানের মাঝে স্পেস বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে সেখানে মুজিববর্ষ উপলক্ষে তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্যোগে সারা দেশে এক লাখ বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ করা হয়। সকালে সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সেখানে গাছের চারা রোপণ করেন।

এছাড়া রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আওতায় কনভেনশন হল স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। আর অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার গত ১২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন। প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭২ হাজার বর্গফুট বিশিষ্ট এ ভবনে স্টার্ট-আপদের জন্য বিনামূল্যে স্পেস রাখা হয়েছে। ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই এই ইনকিউবেশন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর মাত্র তিন বছরের মধ্যে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে আটটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বরাদ্দপত্র প্রদান করা হল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে কনভেনশন হল স্থাপন করবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। মেয়র ও প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পক্ষে স্বাক্ষর করেন পরিচালক এএনএম সফিকুল ইসলাম এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে সচিব আবু হায়াত মো. রহমতুল্লাহ।

অনুষ্ঠানে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের উন্নয়ন করেছে। দেশের সর্বক্ষেত্রে এখন উন্নয়ন দৃশ্যমান। দেশে এখন অসংখ্য মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন হচ্ছে। এখন প্রতি সপ্তাহে একনেক সভা হচ্ছে, বড় বড় প্রকল্প পাস হচ্ছে, যা আগে কখনো দেখিনি, কল্পনাতেও ছিল না। বঙ্গবন্ধুর আজীবন লালিত স্বপ্নগুলোর বাস্তবায়ন করছেন তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, রাজশাহীতে হাইটেক পার্ক অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার থেকে ট্রেনিং নিয়ে এখানকার তরুণ-তরুণীরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবেন। এখানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখন থেকে আর চাকরির পেছনে ছুটতে হবে না, নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে মানুষকে চাকরি দেবেন।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রুয়েট, রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, রাজশাহী মেডিকেল, রাজশাহী কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অঞ্চলের জন্য একটি হাইটেক পার্ক প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেটর অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের উদ্বোধন করে রাজশাহীবাসীর স্বপ্ন অনেকটাই পূরণ করেছেন। এর মাধ্যমে রাজশাহী একটি প্রযুক্তিনগরী হিসেবে গড়ে তোলার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, তা কাজে লাগাতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের এমপি আয়েন উদ্দিন ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি আদিবা আনজুম মিতা।

জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক প্রকল্পের পরিচালক একেএম ফজলুল হকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কের ১০তলা বিশিষ্ট জয় সিলিকন টাওয়ারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পদ্মাপাড়ে মনোরম পরিবেশে ৩১ একর জমির ওপর প্রায় ২৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে উঠছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক। নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হলে এখানে প্রায় ১৪ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

রাজশাহীর বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে স্পেস বরাদ্দ পেল ৮ প্রতিষ্ঠান

 রাজশাহী ব্যুরো 
১৪ আগস্ট ২০২০, ০৬:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে উদ্যোক্তাদের মাঝে স্পেস বরাদ্দ শুরু হয়েছে। শুক্রবার এই হাইটেক পার্কে আনুষ্ঠানিকভাবে আটটি প্রতিষ্ঠানের মাঝে স্পেস বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে সেখানে মুজিববর্ষ উপলক্ষে তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্যোগে সারা দেশে এক লাখ বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ করা হয়। সকালে সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সেখানে গাছের চারা রোপণ করেন।

এছাড়া রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আওতায় কনভেনশন হল স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। আর অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার গত ১২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন। প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭২ হাজার বর্গফুট বিশিষ্ট এ ভবনে স্টার্ট-আপদের জন্য বিনামূল্যে স্পেস রাখা হয়েছে। ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই এই ইনকিউবেশন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর মাত্র তিন বছরের মধ্যে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে আটটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বরাদ্দপত্র প্রদান করা হল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে কনভেনশন হল স্থাপন করবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। মেয়র ও প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পক্ষে স্বাক্ষর করেন পরিচালক এএনএম সফিকুল ইসলাম এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে সচিব আবু হায়াত মো. রহমতুল্লাহ।

অনুষ্ঠানে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের উন্নয়ন করেছে। দেশের সর্বক্ষেত্রে এখন উন্নয়ন দৃশ্যমান। দেশে এখন অসংখ্য মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন হচ্ছে। এখন প্রতি সপ্তাহে একনেক সভা হচ্ছে, বড় বড় প্রকল্প পাস হচ্ছে, যা আগে কখনো দেখিনি, কল্পনাতেও ছিল না। বঙ্গবন্ধুর আজীবন লালিত স্বপ্নগুলোর বাস্তবায়ন করছেন তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, রাজশাহীতে হাইটেক পার্ক অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার থেকে ট্রেনিং নিয়ে এখানকার তরুণ-তরুণীরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবেন। এখানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখন থেকে আর চাকরির পেছনে ছুটতে হবে না, নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে মানুষকে চাকরি দেবেন।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রুয়েট, রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, রাজশাহী মেডিকেল, রাজশাহী কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অঞ্চলের জন্য একটি হাইটেক পার্ক প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেটর অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের উদ্বোধন করে রাজশাহীবাসীর স্বপ্ন অনেকটাই পূরণ করেছেন। এর মাধ্যমে রাজশাহী একটি প্রযুক্তিনগরী হিসেবে গড়ে তোলার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, তা কাজে লাগাতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের এমপি আয়েন উদ্দিন ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি আদিবা আনজুম মিতা।

জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক প্রকল্পের পরিচালক একেএম ফজলুল হকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কের ১০তলা বিশিষ্ট জয় সিলিকন টাওয়ারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পদ্মাপাড়ে মনোরম পরিবেশে ৩১ একর জমির ওপর প্রায় ২৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে উঠছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক। নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হলে এখানে প্রায় ১৪ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।