সেলফি তোলাই কাল হল তিতুমীরের ছাত্র জাহেদের
jugantor
সেলফি তোলাই কাল হল তিতুমীরের ছাত্র জাহেদের

  যুগান্তর রিপোর্ট, তাহিরপুর  

১৪ আগস্ট ২০২০, ২৩:১৮:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বন্ধুদের সঙ্গে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের রামসার প্রকল্পভুক্ত টাঙ্গুয়ার হাওরে বেড়াতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন তিতুমীর কলেজের ছাত্র জাহেদ চৌধুরী (২৫)। বৃহস্পতিবার রাতে সেলফি তুলতে গিয়ে হাওরে পড়ে নিখোঁজের পর শুক্রবার বিকালে জেলেদের জালে তার লাশ উঠে আসে।

তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান যুগান্তরকে জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় তার লাশ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

নিহত জাহেদ ফেনীর মৃত ফজুলর রহমান চৌধুরীর ছেলে। মা ও পরিবারের সঙ্গে ঢাকার মানিকদীর তিন রাস্তার মোড় ঢাকা ক্যান্টনম্যান্ট-১২০৬ আবাসিক এলাকায় বসবাস করতেন। ঢাকার তিতুমীর কলেজের স্নাতক চূড়ান্ত বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন জাহেদ চৌধুরী। 

নিহতের সহপাঠী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে জাহেদ চৌধুরীসহ ১১ জন বন্ধু ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পৌঁছান। এরপর তারা স্থানীয় একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার (নৌকা) ভাড়া নিয়ে বেলা ৩টার দিকে টাঙ্গুয়ার হাওরে ভ্রমণ করেন। বিকালে ওই ট্রলারে করেই উপজেলার টেকেরঘাট সীমান্ত এলাকায় ফেরেন ভ্রমণকারীরা।

টেকেরঘাট সীমান্ত এলাকা ও শহীদ সিরাজ লেকে সন্ধ্যা ঘোরাফেরা শেষে ছেলাইয়া হাওরের মধ্যবর্তী স্থানে ট্রলার নোঙ্গর করে ট্রলারেই রান্না করা রাতের খাবার খায় তারা। রাতে ট্রলারের ভেতর কেক কেটে কোনো এক বন্ধুর জন্ম দিনের পার্টিও দেন সবাই এবং সেখানেই রাত্রিযাপন করেন। পরে এক বন্ধুর মোবাইল ফোনে সেলফি তুলতে গিয়ে জাহেদ চৌধুরী ট্রলার থেকে হাওরের পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন।

এরপর শুক্রবার সকাল থেকে তার সন্ধানে নামেন থানা পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন। বিকাল ৪টার দিকে মাছ ধরার জাল ফেলে জাহেদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এসআই পাপেল রায় শুক্রবার রাতে সাড়ে ৮টায় যুগান্তরকে জানান, নিহত জাহেদের মা সৈয়দা ফাতেমা আক্তার শিল্পীর সঙ্গে থানা থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি ছেলের লাশ মর্গে পাঠানোর ব্যাপারে সম্মতি প্রদান করেন।

সেলফি তোলাই কাল হল তিতুমীরের ছাত্র জাহেদের

 যুগান্তর রিপোর্ট, তাহিরপুর 
১৪ আগস্ট ২০২০, ১১:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বন্ধুদের সঙ্গে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের রামসার প্রকল্পভুক্ত টাঙ্গুয়ার হাওরে বেড়াতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন তিতুমীর কলেজের ছাত্র জাহেদ চৌধুরী (২৫)। বৃহস্পতিবার রাতে সেলফি তুলতে গিয়ে হাওরে পড়ে নিখোঁজের পর শুক্রবার বিকালে জেলেদের জালে তার লাশ উঠে আসে।

তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান যুগান্তরকে জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় তার লাশ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

নিহত জাহেদ ফেনীর মৃত ফজুলর রহমান চৌধুরীর ছেলে। মা ও পরিবারের সঙ্গে ঢাকার মানিকদীর তিন রাস্তার মোড় ঢাকা ক্যান্টনম্যান্ট-১২০৬ আবাসিক এলাকায় বসবাস করতেন। ঢাকার তিতুমীর কলেজের স্নাতক চূড়ান্ত বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন জাহেদ চৌধুরী।

নিহতের সহপাঠী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে জাহেদ চৌধুরীসহ ১১ জন বন্ধু ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পৌঁছান। এরপর তারা স্থানীয় একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার (নৌকা) ভাড়া নিয়ে বেলা ৩টার দিকে টাঙ্গুয়ার হাওরে ভ্রমণ করেন। বিকালে ওই ট্রলারে করেই উপজেলার টেকেরঘাট সীমান্ত এলাকায় ফেরেন ভ্রমণকারীরা।

টেকেরঘাট সীমান্ত এলাকা ও শহীদ সিরাজ লেকে সন্ধ্যা ঘোরাফেরা শেষে ছেলাইয়া হাওরের মধ্যবর্তী স্থানে ট্রলার নোঙ্গর করে ট্রলারেই রান্না করা রাতের খাবার খায় তারা। রাতে ট্রলারের ভেতর কেক কেটে কোনো এক বন্ধুর জন্ম দিনের পার্টিও দেন সবাই এবং সেখানেই রাত্রিযাপন করেন। পরে এক বন্ধুর মোবাইল ফোনে সেলফি তুলতে গিয়ে জাহেদ চৌধুরী ট্রলার থেকে হাওরের পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন।

এরপর শুক্রবার সকাল থেকে তার সন্ধানে নামেন থানা পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন। বিকাল ৪টার দিকে মাছ ধরার জাল ফেলে জাহেদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এসআই পাপেল রায় শুক্রবার রাতে সাড়ে ৮টায় যুগান্তরকে জানান, নিহত জাহেদের মা সৈয়দা ফাতেমা আক্তার শিল্পীর সঙ্গে থানা থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি ছেলের লাশ মর্গে পাঠানোর ব্যাপারে সম্মতি প্রদান করেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : পানিতে ডুবে মৃত্যু

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন