কমলনগরে জোয়ারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডুবে ব্যাপক ক্ষতি
jugantor
কমলনগরে জোয়ারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডুবে ব্যাপক ক্ষতি

  রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি  

২০ আগস্ট ২০২০, ১৫:১৪:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

কমলনগরে জোয়ারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডুবে ব্যাপক ক্ষতি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনা নদীর দফায় দফায় অস্বাভাবিক জোয়ারে উপকূলীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

৪ থেকে ৬ ফুট জোয়ারের তোড়ে স্কুল-মাদ্রাসার ভিটির মাটি চলে গেছে। আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট হয়েছে। ভেঙে গেছে প্রতিষ্ঠানে যাওয়া রাস্তা।

মেঘনা নদীর বেড়িবাঁধ না থাকায় আমাবশ্যা-পূর্ণিমার সময় অবস্বাভাবিক জোয়ারে উপজেলার উপকূলীয় এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাটসহ কাঁচা-ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়।

সরেজমিন দেখা যায়, অস্বাভাবিক জোয়ারে কমলগরের বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায়। এ সময় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি হয়। এর আগে গত ৫ থেকে ৭ আগস্ট তিন দিনের জোয়ারে কমলনগর ডুবে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জোয়ারে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো– চরজগবন্ধু ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা, পশ্চিম চর লরেন্স নারী দাখিল মাদ্রাসা, চর ফলকন ছিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসা, চৌধুরী বাজার উচ্চ বিদ্যালয়, পাটারিরহাট মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, লুধুয়া ফলকন উচ্চ বিদ্যালয়, মতিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়, কাদির পণ্ডিতের হাট উচ্চ বিদ্যালয়সহ উপকূলীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

খবর পেয়ে জোয়ারে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সাগর।

চরজগবন্ধু ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নূরন্নবী সাঈদী বলেন, তার প্রতিষ্ঠান মেঘনা নদীর ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে যায়। ফের অন্যত্র স্থান্তারিত হলেও এখন জোয়ারের কবলে পড়ছে। মাদ্রাসাটি নদীর অদূরে হওয়ায় জোয়ার এলেই তলিয়ে যায়। অস্বাভাবিক জোয়ারের মাদ্রাসা ভিটে, প্রবেশপথ ও অসবাবপত্রসহ মূল্যবান কাগজপত্রের ক্ষতি হয়।

কমলনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, মেঘনা উপকূল রক্ষায় কোনো বেড়িবাঁধ নেই। জোয়ার হলেই বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। কয়েক দফা অস্বাভাবিক জোয়ারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি ও ক্ষতি নিরুপণের কাজ চলছে। বরাদ্দ পেলে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা হবে।

কমলনগরে জোয়ারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডুবে ব্যাপক ক্ষতি

 রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি 
২০ আগস্ট ২০২০, ০৩:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কমলনগরে জোয়ারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডুবে ব্যাপক ক্ষতি
ছবি: যুগান্তর

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনা নদীর দফায় দফায় অস্বাভাবিক জোয়ারে উপকূলীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

৪ থেকে ৬ ফুট জোয়ারের তোড়ে স্কুল-মাদ্রাসার ভিটির মাটি চলে গেছে। আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট হয়েছে। ভেঙে গেছে প্রতিষ্ঠানে যাওয়া রাস্তা।

মেঘনা নদীর বেড়িবাঁধ না থাকায় আমাবশ্যা-পূর্ণিমার সময় অবস্বাভাবিক জোয়ারে উপজেলার উপকূলীয় এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাটসহ কাঁচা-ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়।

সরেজমিন দেখা যায়, অস্বাভাবিক জোয়ারে কমলগরের বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায়। এ সময় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি হয়। এর আগে গত ৫ থেকে ৭ আগস্ট তিন দিনের জোয়ারে কমলনগর ডুবে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জোয়ারে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো– চরজগবন্ধু ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা, পশ্চিম চর লরেন্স নারী দাখিল মাদ্রাসা, চর ফলকন ছিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসা, চৌধুরী বাজার উচ্চ বিদ্যালয়, পাটারিরহাট মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, লুধুয়া ফলকন উচ্চ বিদ্যালয়, মতিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়, কাদির পণ্ডিতের হাট উচ্চ বিদ্যালয়সহ উপকূলীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

খবর পেয়ে জোয়ারে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সাগর।

চরজগবন্ধু ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নূরন্নবী সাঈদী বলেন, তার প্রতিষ্ঠান মেঘনা নদীর ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে যায়। ফের অন্যত্র স্থান্তারিত হলেও এখন জোয়ারের কবলে পড়ছে। মাদ্রাসাটি নদীর অদূরে হওয়ায় জোয়ার এলেই তলিয়ে যায়। অস্বাভাবিক জোয়ারের মাদ্রাসা ভিটে, প্রবেশপথ ও অসবাবপত্রসহ মূল্যবান কাগজপত্রের ক্ষতি হয়।

কমলনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, মেঘনা উপকূল রক্ষায় কোনো বেড়িবাঁধ নেই। জোয়ার হলেই বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। কয়েক দফা অস্বাভাবিক জোয়ারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি ও ক্ষতি নিরুপণের কাজ চলছে। বরাদ্দ পেলে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন