চরভদ্রাসনে নদীতে ডুবে ভাইবোনের মৃত্যু
jugantor
চরভদ্রাসনে নদীতে ডুবে ভাইবোনের মৃত্যু

  চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি  

২০ আগস্ট ২০২০, ১৮:৪২:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

অমি আক্তার ও তামিম হোসেন

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় দমকা হাওয়ায় ভুবনেশ্বর নদীতে পড়ে তামিম হোসেন (১০) ও বোন অমি আক্তারের (১৫) মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যার আগে সদর ইউনিয়নের উত্তর আলমনগর গ্রামে বসতবাড়িসংলগ্ন ভুবনেশ্বর নদীতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়।

তারা সদর ইউনিয়নের উত্তর আলমনগর গ্রামের সৌদি প্রবাসী শেখ রাসেলের দুই সন্তান। নিহত অমি আক্তার চরভদ্রাসন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী এবং তার ছোট ভাই উপজেলা সদরে আল-হেরা কিন্ডারগার্টেন স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই দিন সন্ধ্যার আগে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ভাইবোন মিলে একটি টিনের তাফালে উঠে ভুবনেশ্বর নদী পার হয়ে নানা নয়ন মোল্যার বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করে। দমকা হাওয়ায় মাঝ নদীতে তাদের তাফালটি ডুবে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার রাতে এলাকাবাসী অমি আক্তারের লাশ নদী থেকে উদ্ধার করলেও শিশু তামিম হোসেনের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ওই রাতে উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মোতালেব হোসেন মোল্যা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমদাদুল হক তালুকদার, থানার ওসি নাজনীন খানম ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজাদ খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সদরপুর ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের দিয়ে নদীতে তল্লাশি চালান। কিন্তু রাতে শিশুটির লাশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় স্থানীয় ডুবুরি আবদুল খালেক ক্বারি (৫০) নদীর তলদেশ থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করেন।

বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন সুলতানা জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানিতে ডুবে মৃত দুই ভাইবোনের দাফন-কাফনের জন্য ২০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। এছাড়া গত ১৬ আগস্ট একই গ্রামে পানিতে ডুবে নিহত আরেক শিশু রবিন মোল্যার পরিবারেও অনুদান দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

চরভদ্রাসনে নদীতে ডুবে ভাইবোনের মৃত্যু

 চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি 
২০ আগস্ট ২০২০, ০৬:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
অমি আক্তার ও তামিম হোসেন
অমি আক্তার ও তামিম হোসেন

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় দমকা হাওয়ায় ভুবনেশ্বর নদীতে পড়ে তামিম হোসেন (১০) ও বোন অমি আক্তারের (১৫) মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যার আগে সদর ইউনিয়নের উত্তর আলমনগর গ্রামে বসতবাড়িসংলগ্ন ভুবনেশ্বর নদীতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়।

তারা সদর ইউনিয়নের উত্তর আলমনগর গ্রামের সৌদি প্রবাসী শেখ রাসেলের দুই সন্তান। নিহত অমি আক্তার চরভদ্রাসন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী এবং তার ছোট ভাই উপজেলা সদরে আল-হেরা কিন্ডারগার্টেন স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই দিন সন্ধ্যার আগে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ভাইবোন মিলে একটি টিনের তাফালে উঠে ভুবনেশ্বর নদী পার হয়ে নানা নয়ন মোল্যার বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করে। দমকা হাওয়ায় মাঝ নদীতে তাদের তাফালটি ডুবে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার রাতে এলাকাবাসী অমি আক্তারের লাশ নদী থেকে উদ্ধার করলেও শিশু তামিম হোসেনের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ওই রাতে উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মোতালেব হোসেন মোল্যা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমদাদুল হক তালুকদার, থানার ওসি নাজনীন খানম ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজাদ খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সদরপুর ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের দিয়ে নদীতে তল্লাশি চালান। কিন্তু রাতে শিশুটির লাশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় স্থানীয় ডুবুরি আবদুল খালেক ক্বারি (৫০) নদীর তলদেশ থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করেন।

বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন সুলতানা জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানিতে ডুবে মৃত দুই ভাইবোনের দাফন-কাফনের জন্য ২০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। এছাড়া গত ১৬ আগস্ট একই গ্রামে পানিতে ডুবে নিহত আরেক শিশু রবিন মোল্যার পরিবারেও অনুদান দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

 

ঘটনাপ্রবাহ : পানিতে ডুবে মৃত্যু

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন