মাদ্রাসাছাত্র হত্যা মামলায় কিশোরের ১০ বছরের কারাদণ্ড
jugantor
মাদ্রাসাছাত্র হত্যা মামলায় কিশোরের ১০ বছরের কারাদণ্ড

  যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা  

২০ আগস্ট ২০২০, ১৮:৪৭:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনায় মাদ্রাসাছাত্রকে গলা কেটে হত্যা মামলায় একই মাদ্রাসার ১৬ বছরের ফেরদৌসকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হাফিজুর রহমান রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।

বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নে আদাবাড়িয়া গ্রামে মদিনাতুল উলুম কওমিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র মোবারককে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

আসামি ফেরদৌস বরগুনা উপজেলার পালের বালিয়াতলী গ্রামের হোসেন তালুকদারের ছেলে।

জানা যায়, একই মাদ্রাসায় নিহত মোবারক ও দণ্ডপ্রাপ্ত ফেরদৌস পড়াশোনা করত। একটি মোবাইল ফোন চুরির ঘটনায় ২০১০ সালের ১৭ এপ্রিল গভীর রাতে ওই মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে অবস্থানরত ১১ বছরের মোবারককে গলা কেটে হত্যা করা হয়। মোবারকের বাবা পালের বালিয়াতলী গ্রামের সাদেক মোল্লা বাদী হয়ে বরগুনা থানায় অজ্ঞাত আসামি দিয়ে মামলা করেন।

পুলিশ সন্দেহ করে ফেরদৌসকে আটক করে। পরে ফেরদৌস ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল যুগান্তরকে বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। আসামির বয়স ১৬ বছর। শিশু আইনে নাবালককে ১০ বছরের বেশি সাজা দেয়ার বিধান নেই; যে কারণে ফাঁসি দেয়া যায়নি।

মাদ্রাসাছাত্র হত্যা মামলায় কিশোরের ১০ বছরের কারাদণ্ড

 যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা 
২০ আগস্ট ২০২০, ০৬:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনায় মাদ্রাসাছাত্রকে গলা কেটে হত্যা মামলায় একই মাদ্রাসার ১৬ বছরের ফেরদৌসকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হাফিজুর রহমান রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।

বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নে আদাবাড়িয়া গ্রামে মদিনাতুল উলুম কওমিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র মোবারককে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

আসামি ফেরদৌস বরগুনা উপজেলার পালের বালিয়াতলী গ্রামের হোসেন তালুকদারের ছেলে।

জানা যায়, একই মাদ্রাসায় নিহত মোবারক ও দণ্ডপ্রাপ্ত ফেরদৌস পড়াশোনা করত। একটি মোবাইল ফোন চুরির ঘটনায় ২০১০ সালের ১৭ এপ্রিল গভীর রাতে ওই মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে অবস্থানরত ১১ বছরের মোবারককে গলা কেটে হত্যা করা হয়। মোবারকের বাবা পালের বালিয়াতলী গ্রামের সাদেক মোল্লা বাদী হয়ে বরগুনা থানায় অজ্ঞাত আসামি দিয়ে মামলা করেন।

পুলিশ সন্দেহ করে ফেরদৌসকে আটক করে। পরে ফেরদৌস ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল যুগান্তরকে বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। আসামির বয়স ১৬ বছর। শিশু আইনে নাবালককে ১০ বছরের বেশি সাজা দেয়ার বিধান নেই; যে কারণে ফাঁসি দেয়া যায়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন