যমুনার অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে স্কুল
jugantor
যমুনার অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে স্কুল

  রফিক মোল্লা, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৩ আগস্ট ২০২০, ১৩:১৪:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

যমুনার অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে স্কুল

যমুনায় পানি কমলেও সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরের সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নের প্রায় পাঁচ গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন। বিদ্যালয়ের একটি টিনশেডঘর ইতিমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে।

রোববার সকালে দেখা যায়, ভাঙনের কারণে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন। তবে এখনও পাউবো কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, বর্ষা মৌসুমের প্রথম থেকেই সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নের পূর্বাঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত যমুনা নদীতে শুরু হয়েছে ভাঙন।

নদীতে স্রোতের কারণে দেওয়ানতলা, সংকরহাটি, গাবেরপাড়, মাঝগ্রাম সদিয়া ও চাঁদপুর গ্রাম এছাড়া উত্তরে বেলকুচির গাছচাপরী, চরবেল ও বড়ধুল চরে গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে যমুনা গর্ভে বিলীন হয়েছে দেড়শতাধিক ঘরবাড়ি।

বিশেষ করে এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি এখন ভাঙনের মুখে রয়েছে। যমুনা থেকে মাত্র ৪০ মিটার দূরে দাঁড়িয়ে আছে পাকা দুটি ভবন। এখনই ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় কাজ না করা হলে একাডেমিক ভবনটি নদীগর্ভে বিলীন হবে।

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ২৩৭ শিক্ষার্থী রয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল হাকিম জানান, বিদ্যালয় ভবন নিয়ে এখন চিন্তিত। কখন যেন নদীতে বিলীন হয়ে যায়। চরের মধ্যে এই স্কুলেই পিএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিছু জিওব্যাগ ফেলা হলেও হয়তো স্কুলটি বাঁচানো যেত।

এদিকে নদী বাঁচাও আন্দোলন এনায়েতপুর থানা কমিটির সভাপতি শেখ শামীম জানান, চাঁদপুর এলাকায় নদীভাঙন রোধে এখনও পাউবো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। যমুনা নদী শাসনে স্থায়ী তীর সংরক্ষণ বাঁধ চাই।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম সিরাজ জানান, চাঁদপুর এলাকায় ভাঙনের বিস্তৃতি দিন দিন বাড়ছে। এখনই জরুরি ভিত্তিতে কাজ না করা হলে হুমকিতে পড়বে কয়েকটি এলাকা।

তবে সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন যুগান্তরকে জানান, ভাঙনকবলিত এলাকাগুলো ইতিমধ্যে পরিদর্শন করা হয়েছে।

চরবেষ্টিত এলাকা হওয়ায় প্রতি বছরই বর্ষার সময় কিছুটা ভাঙন দেখা দেয়। এ বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলকে অবহিত করা হয়েছে।

যমুনার অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে স্কুল

 রফিক মোল্লা, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৩ আগস্ট ২০২০, ০১:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যমুনার অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে স্কুল
ছবি: যুগান্তর

যমুনায় পানি কমলেও সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরের সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নের প্রায় পাঁচ গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন। বিদ্যালয়ের একটি টিনশেডঘর ইতিমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে।

রোববার সকালে দেখা যায়, ভাঙনের কারণে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন। তবে এখনও পাউবো কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, বর্ষা মৌসুমের প্রথম থেকেই সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নের পূর্বাঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত যমুনা নদীতে শুরু হয়েছে ভাঙন।

নদীতে স্রোতের কারণে দেওয়ানতলা, সংকরহাটি, গাবেরপাড়, মাঝগ্রাম সদিয়া ও চাঁদপুর গ্রাম এছাড়া উত্তরে বেলকুচির গাছচাপরী, চরবেল ও বড়ধুল চরে গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে যমুনা গর্ভে বিলীন হয়েছে দেড়শতাধিক ঘরবাড়ি।

বিশেষ করে এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি এখন ভাঙনের মুখে রয়েছে। যমুনা থেকে মাত্র ৪০ মিটার দূরে দাঁড়িয়ে আছে পাকা দুটি ভবন। এখনই ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় কাজ না করা হলে একাডেমিক ভবনটি নদীগর্ভে বিলীন হবে।

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ২৩৭ শিক্ষার্থী রয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল হাকিম জানান, বিদ্যালয় ভবন নিয়ে এখন চিন্তিত। কখন যেন নদীতে বিলীন হয়ে যায়। চরের মধ্যে এই স্কুলেই পিএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিছু জিওব্যাগ ফেলা হলেও হয়তো স্কুলটি বাঁচানো যেত।

এদিকে নদী বাঁচাও আন্দোলন এনায়েতপুর থানা কমিটির সভাপতি শেখ শামীম জানান, চাঁদপুর এলাকায় নদীভাঙন রোধে এখনও পাউবো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। যমুনা নদী শাসনে স্থায়ী তীর সংরক্ষণ বাঁধ চাই।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম সিরাজ জানান, চাঁদপুর এলাকায় ভাঙনের বিস্তৃতি দিন দিন বাড়ছে। এখনই জরুরি ভিত্তিতে কাজ না করা হলে হুমকিতে পড়বে কয়েকটি এলাকা।

তবে সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন যুগান্তরকে জানান, ভাঙনকবলিত এলাকাগুলো ইতিমধ্যে পরিদর্শন করা হয়েছে।

চরবেষ্টিত এলাকা হওয়ায় প্রতি বছরই বর্ষার সময় কিছুটা ভাঙন দেখা দেয়। এ বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলকে অবহিত করা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন