শিশুর হাতের ভেতর কাঠ রেখে সেলাইয়ের ঘটনায় তদন্ত কমিটি
jugantor
শিশুর হাতের ভেতর কাঠ রেখে সেলাইয়ের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

  টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

২৩ আগস্ট ২০২০, ২২:৫০:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুর সদর হাসপাতালে মো. তোতা মিয়া নামে এক নার্স সদর উপজেলার হোগলপাতিয়া গ্রামে দিনমজুর আলাম সর্দারের ১২ বছরের শিশু রাকিব সর্দারের হাতের ভেতর দুই টুকরো কাঠ রেখে সেলাই দেয়। এ ঘটনায় রোববার সিভিল সার্জন মো. শফিকুল ইসলাম তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে সিভিল সার্জনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করবে এ কমিটি।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

সিভিল সার্জন জানান, ভুক্তভোগী রাকিব সর্দারের পিতা আলাম সর্দার দোষীদের বিচার ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের বিষয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

কমিটির প্রধান মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নূরুল ইসলাম। অন্য দুইজন সদস্য হলেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. খলিলুজ্জামান ও সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মোস্তাফিজুর রহমান লেলিন। তারা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেবেন। সেই প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্র’র পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। তারা বিষয়টি অধিকতর তদন্তের জন্য সিভিল সার্জনকে লিখিতভাবে অবহিত করবে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ মে দুপুরে ঘরের মাচা থেকে পা পিছলে পড়ে যায় মাদারীপুর সদরের আলম সর্দারের ১২ বছরের সন্তান রাকিব সর্দার। পরে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে এক হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে হাসপাতালের নার্স তোতা মিয়াসহ দুইজন তাড়াহুড়া করে দুই টুকরো কাঠ রেখেই সেলাই করে দেন। এরপর অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুরে রয়েল হাসপাতাল অ্যান্ড ডিজিটাল ডায়াগনিস্টক সেন্টারের চিকিৎসক আবু সালেহ আহমেদ সৌরভ অপারেশন করে হাত থেকে দুই টুকরো কাঠ বের করেন।

শিশুর হাতের ভেতর কাঠ রেখে সেলাইয়ের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

 টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
২৩ আগস্ট ২০২০, ১০:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুর সদর হাসপাতালে মো. তোতা মিয়া নামে এক নার্স সদর উপজেলার হোগলপাতিয়া গ্রামে দিনমজুর আলাম সর্দারের ১২ বছরের শিশু রাকিব সর্দারের হাতের ভেতর দুই টুকরো কাঠ রেখে সেলাই দেয়। এ ঘটনায় রোববার সিভিল সার্জন মো. শফিকুল ইসলাম তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে সিভিল সার্জনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করবে এ কমিটি।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

সিভিল সার্জন জানান, ভুক্তভোগী রাকিব সর্দারের পিতা আলাম সর্দার দোষীদের বিচার ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে একটি অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের বিষয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

কমিটির প্রধান মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নূরুল ইসলাম। অন্য দুইজন সদস্য হলেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. খলিলুজ্জামান ও সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মোস্তাফিজুর রহমান লেলিন। তারা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেবেন। সেই প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্র’র পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। তারা বিষয়টি অধিকতর তদন্তের জন্য সিভিল সার্জনকে লিখিতভাবে অবহিত করবে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ মে দুপুরে ঘরের মাচা থেকে পা পিছলে পড়ে যায় মাদারীপুর সদরের আলম সর্দারের ১২ বছরের সন্তান রাকিব সর্দার। পরে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে এক হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে হাসপাতালের নার্স তোতা মিয়াসহ দুইজন তাড়াহুড়া করে দুই টুকরো কাঠ রেখেই সেলাই করে দেন। এরপর অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুরে রয়েল হাসপাতাল অ্যান্ড ডিজিটাল ডায়াগনিস্টক সেন্টারের চিকিৎসক আবু সালেহ আহমেদ সৌরভ অপারেশন করে হাত থেকে দুই টুকরো কাঠ বের করেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন