শিক্ষক এখন দিনমজুর!
jugantor
শিক্ষক এখন দিনমজুর!

  দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি  

২৪ আগস্ট ২০২০, ১৯:৪২:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

শিক্ষক এখন দিনমজুর!

করোনার কারণে বিপর্যস্ত দেওয়ানগঞ্জে কিন্ডারগার্টেন (কেজি) স্কুল দিনের পর দিন বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় উদ্যোক্তারা বাড়ি ভাড়ার পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাও দিতে পারছেন না।

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা কিন্ডারগার্টেনের প্রায় সাত শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। বেতন ও প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ থাকায় চরম সংকটে পড়েছেন তারা। শিক্ষকদের সমাজে বিশেষ সম্মান থাকায় তারা কারও কাছে হাতও বাড়াতে পারছেন না, আবার নিজেও চলতে পারছেন না। টানা প্রায় ৬ মাস ধরে কোনো বেতন না পেয়ে অনেকেই পেশা পরিবর্তন করছেন।

কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক জুবায়ের আলম জানান, তার প্রতিষ্ঠানের ১৫ জন শিক্ষকের মধ্যে ৫ জন শিক্ষক লোকলজ্জার কারণে এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় দিনমজুরি করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষকরা জানান, বিদ্যালয় বন্ধ সংসার চালাতে বাধ্য হয়ে অন্য এলাকায় কৃষি শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালাচ্ছি।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক একেএম আমির হোসেন মুরাদ বলেন, ৪৬টি কিন্ডারগার্টেনে ৬৩৯ জন শিক্ষক এবং ১৫০ জন কর্মচারী রয়েছেন। এখন স্কুল বন্ধ। বেতন-ভাতা দিতে না পারায় শিক্ষকরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। চরম অর্থ সংকটের কারণে স্কুল প্রতিষ্ঠানের ভাড়া পরিশোধ করতে পারছেন না উদ্যোক্তারা।

একটি বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ রাশেদা আফরোজ ঋতু বলেন, সরকারিভাবে প্রণোদনাসহ সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ প্রয়োজন।

শিক্ষক এখন দিনমজুর!

 দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি 
২৪ আগস্ট ২০২০, ০৭:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শিক্ষক এখন দিনমজুর!
প্রতীকী ছবি

করোনার কারণে বিপর্যস্ত দেওয়ানগঞ্জে কিন্ডারগার্টেন (কেজি) স্কুল দিনের পর দিন বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় উদ্যোক্তারা বাড়ি ভাড়ার পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাও দিতে পারছেন না।

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা কিন্ডারগার্টেনের প্রায় সাত শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। বেতন ও প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ থাকায় চরম সংকটে পড়েছেন তারা। শিক্ষকদের সমাজে বিশেষ সম্মান থাকায় তারা কারও কাছে হাতও বাড়াতে পারছেন না, আবার নিজেও চলতে পারছেন না। টানা প্রায় ৬ মাস ধরে কোনো বেতন না পেয়ে অনেকেই পেশা পরিবর্তন করছেন।

কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক জুবায়ের আলম জানান, তার প্রতিষ্ঠানের ১৫ জন শিক্ষকের মধ্যে ৫ জন শিক্ষক লোকলজ্জার কারণে এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় দিনমজুরি করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষকরা জানান, বিদ্যালয় বন্ধ সংসার চালাতে বাধ্য হয়ে অন্য এলাকায় কৃষি শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালাচ্ছি।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক একেএম আমির হোসেন মুরাদ বলেন, ৪৬টি কিন্ডারগার্টেনে ৬৩৯ জন শিক্ষক এবং ১৫০ জন কর্মচারী রয়েছেন। এখন স্কুল বন্ধ। বেতন-ভাতা দিতে না পারায় শিক্ষকরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। চরম অর্থ সংকটের কারণে স্কুল প্রতিষ্ঠানের ভাড়া পরিশোধ করতে পারছেন না উদ্যোক্তারা।

একটি বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ রাশেদা আফরোজ ঋতু বলেন, সরকারিভাবে প্রণোদনাসহ সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ প্রয়োজন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন