জেল থেকে ছাড়া পেলেই বিয়ে সেই লাইব্রেরিয়ানের
jugantor
জেল থেকে ছাড়া পেলেই বিয়ে সেই লাইব্রেরিয়ানের

  মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

২৪ আগস্ট ২০২০, ২২:৫১:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার মদনে আটক সেই লাইব্রেরিয়ানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছে মেয়েটির বাবা। রোববার রাতে মদন থানায় সহকারী লাইব্রেরিয়ান মিল্লাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগের কথা শুনে নড়েচড়ে বসেছে ছেলের পরিবার। জেল থেকে ছাড়া পেলেই বিয়ে হবে বলে জানিয়েছেন ছেলে ও মেয়ের পক্ষের লোকজন।

নেত্রকোনার মদন পৌর সদরের মদন বাজারে এ ঘটনা ঘটেছে। প্রেমিক মিল্লাদ আহম্মেদ মদন মোজাফর আলীম মাদ্রাসার সহকারী লাইব্রেরিয়ান ও পৌর সদরের মাস্টারপাড়া এলাকার সলিম উদ্দিনের ছেলে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মিল্লাদ আহম্মেদ পৌর সদর মদন বাজার এলাকার গার্মেন্টকর্মী মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকায় শনিবার গভীর রাতে দেখা করতে তার বাসায় যান। এ সময় মেয়ের পরিবারের লোকজন আটক করে মিল্লাদকে পুলিশে সোপর্দ করেন। মিল্লাদকে থানায় নিয়ে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে বিয়ের আলোচনা হওয়ায় মেয়ের পক্ষ কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। পরে পুলিশ ৫৪ ধারায় তাকে রোববার নেত্রকোনা কোর্টে প্রেরণ করে।

এদিকে কোর্টে প্রেরণ করার পর বিকালে বিয়ের ব্যাপারে ছেলেপক্ষ অনীহা প্রকাশ করে। এতে মেয়ের পক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওই রাতেই মেয়ের বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মিল্লাদকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের কথা শুনে ছেলে পক্ষ এলাকার মাতবরদের নিয়ে মেয়ের পক্ষসহ রাতেই কাজীর অফিসে গিয়ে ১৮ শতাংশ ভূমি ও ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ের কামিননামা প্রস্তুত করে রাখেন। ছেলে জেল থেকে এলেই বিয়ের কাজ সম্পন্ন হবে বলে মেয়ের পরিবারের লোকজন জানান।

মেয়ের মা জানান, রোববার রাতে থানায় অভিযোগ করায় ১৮ শতাংশ ভূমি ও ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার দেনমোহর ধার্য করে আমার মেয়ের সাথে মিল্লাদ আহম্মেদের বিয়ের কাবিননামা মদন বাজার কাজির অফিসে ওই রাতেই লেখা হয়েছে। জামাই জেল থেকে এলেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হবে।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্ট্রার রুহুল আমীন জানান, রোববার রাতে ছেলে এবং মেয়ের পক্ষ আমার অফিসে এসে কাবিননামা প্রস্তুত করে রেখে গেছেন। ছেলে জেল থেকে এসে কাবিননামায় স্বাক্ষর করলেই বিয়ের কাজ সম্পন্ন হবে।

এ ব্যাপারে ছেলের ভগ্নিপতি বাবুল মিয়া জানান, রোববার রাতে উভয়পক্ষ বসে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে। ছেলে জেল থেকে বের হলেই বিয়ে হবে। আমরা মেয়েকে ১৮ শতাংশ ভূমি ও ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার দেনমোহর দিয়েছি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খালিয়াজুরি সার্কেল) জামাল উদ্দিন জানান, মিল্লাদকে আটকের পর মেয়ে পক্ষ কোনো অভিযোগ না করায় রোববার ৫৪ ধারায় তাকে নেত্রকোনা কোর্টহাজতে প্রেরণ করা হয়। ওই রাতেই মেয়ের বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মিল্লাদ আহম্মেদকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

জেল থেকে ছাড়া পেলেই বিয়ে সেই লাইব্রেরিয়ানের

 মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
২৪ আগস্ট ২০২০, ১০:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার মদনে আটক সেই লাইব্রেরিয়ানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছে মেয়েটির বাবা। রোববার রাতে মদন থানায় সহকারী লাইব্রেরিয়ান মিল্লাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগের কথা শুনে নড়েচড়ে বসেছে ছেলের পরিবার। জেল থেকে ছাড়া পেলেই বিয়ে হবে বলে জানিয়েছেন ছেলে ও মেয়ের পক্ষের লোকজন।

নেত্রকোনার মদন পৌর সদরের মদন বাজারে এ ঘটনা ঘটেছে। প্রেমিক মিল্লাদ আহম্মেদ মদন মোজাফর আলীম মাদ্রাসার সহকারী লাইব্রেরিয়ান ও পৌর সদরের মাস্টারপাড়া এলাকার সলিম উদ্দিনের ছেলে। 

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মিল্লাদ আহম্মেদ পৌর সদর মদন বাজার এলাকার গার্মেন্টকর্মী মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকায় শনিবার গভীর রাতে দেখা করতে তার বাসায় যান। এ সময় মেয়ের পরিবারের লোকজন আটক করে মিল্লাদকে পুলিশে সোপর্দ করেন। মিল্লাদকে থানায় নিয়ে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে বিয়ের আলোচনা হওয়ায় মেয়ের পক্ষ কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। পরে পুলিশ ৫৪ ধারায় তাকে রোববার নেত্রকোনা কোর্টে প্রেরণ করে।

এদিকে কোর্টে প্রেরণ করার পর বিকালে বিয়ের ব্যাপারে ছেলেপক্ষ অনীহা প্রকাশ করে। এতে মেয়ের পক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওই রাতেই মেয়ের বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মিল্লাদকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের কথা শুনে ছেলে পক্ষ এলাকার মাতবরদের নিয়ে মেয়ের পক্ষসহ রাতেই কাজীর অফিসে গিয়ে ১৮ শতাংশ ভূমি ও ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ের কামিননামা প্রস্তুত করে রাখেন। ছেলে জেল থেকে এলেই বিয়ের কাজ সম্পন্ন হবে বলে মেয়ের পরিবারের লোকজন জানান।   

মেয়ের মা জানান, রোববার রাতে থানায় অভিযোগ করায় ১৮ শতাংশ ভূমি ও ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার দেনমোহর ধার্য করে আমার মেয়ের সাথে মিল্লাদ আহম্মেদের বিয়ের কাবিননামা মদন বাজার কাজির অফিসে ওই রাতেই লেখা হয়েছে। জামাই জেল থেকে এলেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হবে।  

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্ট্রার রুহুল আমীন জানান, রোববার রাতে ছেলে এবং মেয়ের পক্ষ আমার অফিসে এসে কাবিননামা প্রস্তুত করে রেখে গেছেন। ছেলে জেল থেকে এসে কাবিননামায় স্বাক্ষর করলেই বিয়ের কাজ সম্পন্ন হবে।

এ ব্যাপারে ছেলের ভগ্নিপতি বাবুল মিয়া জানান, রোববার রাতে উভয়পক্ষ বসে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে। ছেলে জেল থেকে বের হলেই বিয়ে হবে। আমরা মেয়েকে ১৮ শতাংশ ভূমি ও ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার দেনমোহর দিয়েছি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খালিয়াজুরি সার্কেল) জামাল উদ্দিন জানান, মিল্লাদকে আটকের পর মেয়ে পক্ষ কোনো অভিযোগ না করায় রোববার ৫৪ ধারায় তাকে নেত্রকোনা কোর্টহাজতে প্রেরণ করা হয়। ওই রাতেই মেয়ের বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মিল্লাদ আহম্মেদকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন