টেকনাফে অস্ত্রসহ ৬ রোহিঙ্গা আটক
jugantor
টেকনাফে অস্ত্রসহ ৬ রোহিঙ্গা আটক

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

২৫ আগস্ট ২০২০, ২২:৩৭:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের টেকনাফে ২২নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের উগ্রপন্থী গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সাধারণ রোহিঙ্গাদের ফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ ১১ জন আহত হয়েছেন।

পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে আটক করেছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে টেকনাফের রইক্ষ্যং পুটিবনিয়া ক্যাম্পের উত্তর-পশ্চিমে পাহাড় হতে সশস্ত্র আরসা গ্রুপের একটি গ্রুপ সি-ব্লক পয়েন্টে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় ক্যাম্পের সাধারণ রোহিঙ্গারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের ধাওয়া করে।

এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সকাল ৭টা পর্যন্ত ৫০-৬০ রাউন্ডের অধিক গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় ক্যাম্পের মাঝি ও সাধারণ রোহিঙ্গারা স্বীকার করেন। এ ঘটনায় নারী-পুরুষসহ ১১ জন আহত হয়েছেন। যাদের ক্যাম্প হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এ ঘটনার খবর পেয়ে বিকালে সাধারণ রোহিঙ্গাদের সহায়তায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২টি দেশীয় একনলা বন্দুক, কিরিচ, ৭ রাউন্ড কার্তুজসহ ক্যাম্পের রহমত উল্লাহর ছেলে নুর হোসেন, হাবিবুল্লাহর ছেলে জাফর আলম, জহুর মল্লিকের ছেলে মো. আলম, আহমদ হোসেনের ছেলে আব্দুর রহমান, নুর হোসেন, আবু সামার ছেলে আবু সাদেক, আব্দুস সালামের ছেলে মো. আমিন, শাহ আলমের ছেলে মো. সাদেক ও বালুখালী ক্যাম্পের নজির আহমদের ছেলে মো. আমান উল্লাহকে আটক করে। পরে যাচাই-বাছাই করে তিনজনকে ছেড়ে দেয়া হয়।

পুলিশের ক্যাম্প ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন এ অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অস্ত্রসহ ৯ জনকে আটক করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাই করে তিনজনকে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি ৬ জনকে টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

টেকনাফে অস্ত্রসহ ৬ রোহিঙ্গা আটক

 টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
২৫ আগস্ট ২০২০, ১০:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের টেকনাফে ২২নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের উগ্রপন্থী গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সাধারণ রোহিঙ্গাদের ফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ ১১ জন আহত হয়েছেন। 

পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে আটক করেছে। 

জানা যায়, মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে টেকনাফের রইক্ষ্যং পুটিবনিয়া ক্যাম্পের উত্তর-পশ্চিমে পাহাড় হতে সশস্ত্র আরসা গ্রুপের একটি গ্রুপ সি-ব্লক পয়েন্টে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় ক্যাম্পের সাধারণ রোহিঙ্গারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের ধাওয়া করে। 

এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সকাল ৭টা পর্যন্ত ৫০-৬০ রাউন্ডের অধিক গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় ক্যাম্পের মাঝি ও সাধারণ রোহিঙ্গারা স্বীকার করেন। এ ঘটনায় নারী-পুরুষসহ ১১ জন আহত হয়েছেন। যাদের ক্যাম্প হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। 

এ ঘটনার খবর পেয়ে বিকালে সাধারণ রোহিঙ্গাদের সহায়তায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২টি দেশীয় একনলা বন্দুক, কিরিচ, ৭ রাউন্ড কার্তুজসহ ক্যাম্পের রহমত উল্লাহর ছেলে নুর হোসেন, হাবিবুল্লাহর ছেলে জাফর আলম, জহুর মল্লিকের ছেলে মো. আলম, আহমদ হোসেনের ছেলে আব্দুর রহমান, নুর হোসেন, আবু সামার ছেলে আবু সাদেক, আব্দুস সালামের ছেলে মো. আমিন, শাহ আলমের ছেলে মো. সাদেক ও বালুখালী ক্যাম্পের নজির আহমদের ছেলে মো. আমান উল্লাহকে আটক করে। পরে যাচাই-বাছাই করে তিনজনকে ছেড়ে দেয়া হয়।

পুলিশের ক্যাম্প ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন এ অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অস্ত্রসহ ৯ জনকে আটক করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাই করে তিনজনকে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি ৬ জনকে টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন