সাব-ঠিকাদার নাহিদকে হত্যা রহস্য উন্মোচিত
jugantor
সাব-ঠিকাদার নাহিদকে হত্যা রহস্য উন্মোচিত

  বগুড়া ব্যুরো  

২৭ আগস্ট ২০২০, ২৩:০১:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শাজাহানপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) সাব-ঠিকাদার নাহিদ হোসেন (২৭) হত্যা রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। গ্রেফতার তিনজনের মধ্যে দুই কিশোর বৃহস্পতিবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালিদ হাসান খানের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

আদালত রাব্বী হাসান (২২) নামে এক যুবককে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

পাওনা টাকা দেয়ার নামে সহকর্মী রাসেল হোসেন গত ২৫ আগস্ট রাতে তাকে ফোনে শাজাহানপুর উপজেলার শাকপালা পশ্চিমপাড়ায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে। এ ব্যাপারে নিহতের বাবা শাজাহানপুর থানায় গ্রেফতার তিনজনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

বগুড়া ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর আসলাম আলী ও অন্যান্য সূত্র জানায়, শাজাহানপুর উপজেলার শাকপালা পশ্চিমপাড়ার জোবেদুল ইসলাম জবার ছেলে রাসেল হোসেন ও ফুলতলার জাহিদুল ইসলামের ছেলে নাহিদ হোসেন পবিসের ঠিকাদারের কাজ দেখাশোনা করেন। নাহিদ সমিতির পুরাতন মালামাল বিক্রির কিছু টাকা রাসেলের কাছে পেতেন। এ টাকা নিয়ে দুজনের মাঝে মতবিরোধের সৃষ্টি হয়। রাসেল তাকে (নাহিদ) সরিয়ে দিতে দুই কিশোরসহ পাঁচ আসামির সঙ্গে পরিকল্পনা করেন।

রাসেল গত ২৫ আগস্ট রাত ৯টার দিকে টাকা দেবার নামে নাহিদকে শাকপালা পশ্চিমপাড়া এলাকায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে যাবার পরপরই পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ নাহিদের লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

পর দিন নাহিদের বাবা শাজাহানপুর থানায় রাসেলসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা মামলা তদন্ত করতে ডিবিকে নির্দেশ দেন।

ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর আসলাম আলীর নেতৃত্বে ২৬ আগস্ট রাতে বিভিন্ন স্থান থেকে প্রধান আসামি রাসেলের ভাই রাব্বী হাসান ও দুই কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে দুই কিশোর পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেয়। বৃহস্পতিবার বিকালে রাব্বী ও দুই কিশোরকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালিদ হাসান খানের আদালতে হাজির করা হয়। দুই কিশোর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেয়।

এছাড়া আদালত রাব্বীকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালত দুই কিশোরকে যশোরের পুলেরহাটে শিশু সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আদালতের নিষেধ থাকায় দুই কিশোরের নাম, পরিচয় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

সাব-ঠিকাদার নাহিদকে হত্যা রহস্য উন্মোচিত

 বগুড়া ব্যুরো 
২৭ আগস্ট ২০২০, ১১:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শাজাহানপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) সাব-ঠিকাদার নাহিদ হোসেন (২৭) হত্যা রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। গ্রেফতার তিনজনের মধ্যে দুই কিশোর বৃহস্পতিবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালিদ হাসান খানের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

আদালত রাব্বী হাসান (২২) নামে এক যুবককে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

পাওনা টাকা দেয়ার নামে সহকর্মী রাসেল হোসেন গত ২৫ আগস্ট রাতে তাকে ফোনে শাজাহানপুর উপজেলার শাকপালা পশ্চিমপাড়ায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে। এ ব্যাপারে নিহতের বাবা শাজাহানপুর থানায় গ্রেফতার তিনজনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

বগুড়া ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর আসলাম আলী ও অন্যান্য সূত্র জানায়, শাজাহানপুর উপজেলার শাকপালা পশ্চিমপাড়ার জোবেদুল ইসলাম জবার ছেলে রাসেল হোসেন ও ফুলতলার জাহিদুল ইসলামের ছেলে নাহিদ হোসেন পবিসের ঠিকাদারের কাজ দেখাশোনা করেন। নাহিদ সমিতির পুরাতন মালামাল বিক্রির কিছু টাকা রাসেলের কাছে পেতেন। এ টাকা নিয়ে দুজনের মাঝে মতবিরোধের সৃষ্টি হয়। রাসেল তাকে (নাহিদ) সরিয়ে দিতে দুই কিশোরসহ পাঁচ আসামির সঙ্গে পরিকল্পনা করেন।

রাসেল গত ২৫ আগস্ট রাত ৯টার দিকে টাকা দেবার নামে নাহিদকে শাকপালা পশ্চিমপাড়া এলাকায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে যাবার পরপরই পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ নাহিদের লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

পর দিন নাহিদের বাবা শাজাহানপুর থানায় রাসেলসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা মামলা তদন্ত করতে ডিবিকে নির্দেশ দেন।

ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর আসলাম আলীর নেতৃত্বে ২৬ আগস্ট রাতে বিভিন্ন স্থান থেকে প্রধান আসামি রাসেলের ভাই রাব্বী হাসান ও দুই কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে দুই কিশোর পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেয়। বৃহস্পতিবার বিকালে রাব্বী ও দুই কিশোরকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালিদ হাসান খানের আদালতে হাজির করা হয়। দুই কিশোর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেয়।

এছাড়া আদালত রাব্বীকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালত দুই কিশোরকে যশোরের পুলেরহাটে শিশু সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আদালতের নিষেধ থাকায় দুই কিশোরের নাম, পরিচয় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন