শায়েস্তাগঞ্জে সীমিত পরিসরে আশুরা উদযাপন
jugantor
শায়েস্তাগঞ্জে সীমিত পরিসরে আশুরা উদযাপন

  শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

৩০ আগস্ট ২০২০, ২১:৫৩:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সংক্ষিপ্ত কর্মসূচিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র আশুরা পালিত হয়েছে।

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে আশুরা উপলক্ষে সব মাজারে বসত ভ্রাম্যমাণ মেলা। এবার এইসবের আমেজ না থাকলে ও থেমে নেই মানুষের জারি ও ইয়া হাসান, ইয়া হোসাইন বলে খণ্ড খণ্ড মিছিল। সকল অঞ্চলের মানুষ এসে জমায়েত হলে সন্ধ্যার আগে সুরাবই হযরত শাহ কারার ফুল শাহ (র:) এর মাজারে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয় আশুরা।

আশুরা মুসলিম বিশ্বে ত্যাগ ও শোকের একটি দিন। আরবি হিজরি সন অনুসারে ১০ মহররম কারবালায় হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর দৌহিত্র ইমাম হোসেনের মৃত্যুর দিনটি সারাবিশ্বের মুসলমানরা ত্যাগ ও শোকের দিন হিসেবে পালন করে।

কিন্তু সারাদেশে করোনা মহামারী আকারে ধারণ করায় প্রতিবছরের ন্যায় এবার স্বাভাবিকভাবে পালিত হচ্ছে না পবিত্র আশুরা। এবার তাজিয়া মিছিলে নেই, নেই কোনরকম বাদ্যযন্ত্র, বাঁশি, ঢোল। মিছিলের আগে নেই কারো হাতে লাঠি, দা, কিংবা শাবুল।

সরজমিনে দেখা যায়, বিকাল ৪টায় মানুষজন নিশান হাতে মিছিল নিয়ে আসছেন, কেউ কেউ সঙ্গে তাজিয়া ও নিয়ে আসছেন। আগের তুলনায় এবার লোকবল কম হলে ও এদের মাঝে কারোই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে না। সবাই সুতাং পাক পাঞ্জাতন মাজারে এসে ইয়া হাসান, ইয়া হোসাইন মিছিল দিতে দিতে কেউ কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়ছেন। এদিকে এদেরকে দেখার শত শত জন্য নারী, পুরুষ ও শিশুরা দলবেঁধে এসে হাজির হচ্ছেন।

সুরাবই পাক পাঞ্জাতন মোকামের ওয়াহিদ মিয়া জানান, এবার মিটিং করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বাদ্যযন্ত্র বাজানো যাবে না, শুধু নিশান নিয়ে প্রতি মোকাম থেকে ৫ জন করে অন্য মাজারে যেতে পারবে। কিন্তু অন্য এলাকার মানুষরা তাজিয়া মিছিল নিয়ে আসতে পারবে না। যার যার মোকামের ঘোড়া তার তার মোকামেই সমাধিত করতে হবে।

এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হোসেন বলেন, কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে মিছিল মিটিং ও গণ জমায়েত বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

শায়েস্তাগঞ্জে সীমিত পরিসরে আশুরা উদযাপন

 শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
৩০ আগস্ট ২০২০, ০৯:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সংক্ষিপ্ত কর্মসূচিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র আশুরা পালিত হয়েছে।

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে আশুরা উপলক্ষে সব মাজারে বসত ভ্রাম্যমাণ মেলা। এবার এইসবের আমেজ না থাকলে ও থেমে নেই মানুষের জারি ও ইয়া হাসান, ইয়া হোসাইন বলে খণ্ড খণ্ড মিছিল। সকল অঞ্চলের মানুষ এসে জমায়েত হলে সন্ধ্যার আগে সুরাবই হযরত শাহ কারার ফুল শাহ (র:) এর মাজারে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয় আশুরা।

আশুরা মুসলিম বিশ্বে ত্যাগ ও শোকের একটি দিন। আরবি হিজরি সন অনুসারে ১০ মহররম কারবালায় হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর দৌহিত্র ইমাম হোসেনের মৃত্যুর দিনটি সারাবিশ্বের মুসলমানরা ত্যাগ ও শোকের দিন হিসেবে পালন করে।

কিন্তু সারাদেশে করোনা মহামারী আকারে ধারণ করায় প্রতিবছরের ন্যায় এবার স্বাভাবিকভাবে পালিত হচ্ছে না পবিত্র আশুরা। এবার তাজিয়া মিছিলে নেই, নেই কোনরকম বাদ্যযন্ত্র, বাঁশি, ঢোল। মিছিলের আগে নেই কারো হাতে লাঠি, দা, কিংবা শাবুল।

সরজমিনে দেখা যায়, বিকাল ৪টায় মানুষজন নিশান হাতে মিছিল নিয়ে আসছেন, কেউ কেউ সঙ্গে তাজিয়া ও নিয়ে আসছেন। আগের তুলনায় এবার লোকবল কম হলে ও এদের মাঝে কারোই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে না। সবাই সুতাং পাক পাঞ্জাতন মাজারে এসে ইয়া হাসান, ইয়া হোসাইন মিছিল দিতে দিতে কেউ কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়ছেন। এদিকে এদেরকে দেখার শত শত জন্য নারী, পুরুষ ও শিশুরা দলবেঁধে এসে হাজির হচ্ছেন।

সুরাবই পাক পাঞ্জাতন মোকামের ওয়াহিদ মিয়া জানান, এবার মিটিং করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বাদ্যযন্ত্র বাজানো যাবে না, শুধু নিশান নিয়ে প্রতি মোকাম থেকে ৫ জন করে অন্য মাজারে যেতে পারবে। কিন্তু অন্য এলাকার মানুষরা তাজিয়া মিছিল নিয়ে আসতে পারবে না। যার যার মোকামের ঘোড়া তার তার মোকামেই সমাধিত করতে হবে।

এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হোসেন বলেন, কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে মিছিল মিটিং ও গণ জমায়েত বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন