বন্দরে মদপানে যুবলীগ নেতার মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড
jugantor
বন্দরে মদপানে যুবলীগ নেতার মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড

  বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

৩১ আগস্ট ২০২০, ২২:৩৭:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

মদ পান

বন্দরে অতিরিক্ত মদপানে মহিন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুরে ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এদিকে মহিনকে মদের সঙ্গে বিষাক্ত দ্রব্য মিশিয়ে খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

নিহত মহিন কুড়িপাড়া ভাংতি গ্রামের আবদুস সোবহানের ছেলে। তিনি বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

এ ব্যাপারে বন্দর থানার এসআই আনোয়ার হোসাইন জানান, রোববার মহিনসহ কয়েকজন বন্ধু মিলে আল আমিনের শ্বশুরবাড়ি সোনারগাঁও উপজেলার কুতুবপুর এলাকায় দাওয়াত খেতে যান। খাওয়ার পর তারা মদ পান করেন। রাতে বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন মহিন। এ সময় অনবরত বমি হতে থাকেন। এ অবস্থায় রাত ১১টায় তাকে বন্দরের মদনপুরের একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ভোর ৪টার দিকে ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১টার দিকে মারা যান মহিন।

মহিনের বাবা যুবলীগ নেতা আবদুস সোবহান জানান, তার ছেলেকে দাওয়াতে নিয়ে মদের সঙ্গে বিষাক্ত কিছু মিশিয়ে পান করানো হয়েছিল। যার ফলে ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তিনি ন্যায়বিচার দাবি করেন।

বন্দরে মদপানে যুবলীগ নেতার মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড

 বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
৩১ আগস্ট ২০২০, ১০:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মদ পান
প্রতীকী ছবি

বন্দরে অতিরিক্ত মদপানে মহিন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুরে ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এদিকে মহিনকে মদের সঙ্গে বিষাক্ত দ্রব্য মিশিয়ে খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

নিহত মহিন কুড়িপাড়া ভাংতি গ্রামের আবদুস সোবহানের ছেলে। তিনি বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

এ ব্যাপারে বন্দর থানার এসআই আনোয়ার হোসাইন জানান, রোববার মহিনসহ কয়েকজন বন্ধু মিলে আল আমিনের শ্বশুরবাড়ি সোনারগাঁও উপজেলার কুতুবপুর এলাকায় দাওয়াত খেতে যান। খাওয়ার পর তারা মদ পান করেন। রাতে বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন মহিন। এ সময় অনবরত বমি হতে থাকেন। এ অবস্থায় রাত ১১টায় তাকে বন্দরের মদনপুরের একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ভোর ৪টার দিকে ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১টার দিকে মারা যান মহিন।

মহিনের বাবা যুবলীগ নেতা আবদুস সোবহান জানান, তার ছেলেকে দাওয়াতে নিয়ে মদের সঙ্গে বিষাক্ত কিছু মিশিয়ে পান করানো হয়েছিল। যার ফলে ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তিনি ন্যায়বিচার দাবি করেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন