কলেজছাত্রীকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার
jugantor
কলেজছাত্রীকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

  বগুড়া ব্যুরো  

০১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৪৩:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় এক কলেজছাত্রীকে (১৭) হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে আহসান হাবিব আতিক (৪০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সদর থানা পুলিশ সোমবার রাতে শহরতলির চারমাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বিকালে ওই ছাত্রী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুপ্রিয়া রহমানের আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে সোমবার রাতে ছাত্রীর মা সদর থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপশহর ফাঁড়ির এসআই রহিম উদ্দিন ও অন্যরা জানান, ভিকটিম বগুড়া শহরের খান্দার এলাকার শিক্ষক দম্পতির একমাত্র মেয়ে। তিনি গতবার উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন। বগুড়ার কাহালু সদরের সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন এলাকার মো. বাবলুর ছেলে আহসান হাবিব আতিক আনন্দ টিভির স্পেশাল রিপোর্টার। তিনি স্থানীয় দৈনিক মহাস্থানের স্টাফ রিপোর্টার ও কাহালু প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক। এছাড়া তিনি বিভিন্ন অনলাইন ও মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

ছাত্রীর মা সোমবার রাতে সদর থানায় এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আহসান হাবিব আতিক ফোনে তার মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর তাকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছে। পূর্বপরিচিত হওয়ায় আতিক তার মেয়েকে প্রাইভেট কারে বিভিন্ন স্থানে বেড়ানোর প্রস্তাব দেয়। মেয়ে গত ৫ জানুয়ারি বেলা ১০টার দিকে শহরের জ্বলেশ্বরীতলা এলাকায় রেটিনা কোচিং সেন্টারের গেটে যায়। তখন আতিক কৌশলে তার মেয়েকে প্রাইভেট কারে তুলে শহরতলির চারমাথায় সেঞ্চুরি মোটেলে নিয়ে যায় এবং সাড়ে ১১টার দিকে ধর্ষণ করে। মেয়ে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি প্রকাশ করলেও সম্মানের ভয়ে তারা নীরব থাকেন।

এরপর আতিকের দেয়া বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হলে সামাজিকভাবে হেয় এবং অন্যত্র বিয়েতে বাধা দেয়ার কথা বলে। আর বিয়ে দিলেও সংসার করতে দেবে না বলে হুমকি দেয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়- আতিক একজন প্রতারক। সে তাদের সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে নাবালিকা মেয়েকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেছে।

ঘটনার আট মাস পর মামলা প্রসঙ্গে ছাত্রীর মা এজাহারে উল্লেখ না করলেও জানা গেছে, আতিকের কাছে ছাত্রীর কিছু স্থির ও ভিডিওচিত্র রয়েছে। এসব ফাঁস হওয়ার ভয়ে ছাত্রীর পরিবার এতদিন আইনের আশ্রয় নেয়নি। কয়েক দিন আগে ওই ছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন।

এসআই রহিম উদ্দিন জানান, সোমবার রাতে ছাত্রীর মা মামলা দিলে একমাত্র আসামি আহসান হাবিব আতিককে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বিকালে ওই ছাত্রী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

কলেজছাত্রীকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

 বগুড়া ব্যুরো 
০১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় এক কলেজছাত্রীকে (১৭) হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে আহসান হাবিব আতিক (৪০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সদর থানা পুলিশ সোমবার রাতে শহরতলির চারমাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বিকালে ওই ছাত্রী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুপ্রিয়া রহমানের আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে সোমবার রাতে ছাত্রীর মা সদর থানায় মামলা করেন। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপশহর ফাঁড়ির এসআই রহিম উদ্দিন ও অন্যরা জানান, ভিকটিম বগুড়া শহরের খান্দার এলাকার শিক্ষক দম্পতির একমাত্র মেয়ে। তিনি গতবার উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন। বগুড়ার কাহালু সদরের সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন এলাকার মো. বাবলুর ছেলে আহসান হাবিব আতিক আনন্দ টিভির স্পেশাল রিপোর্টার। তিনি স্থানীয় দৈনিক মহাস্থানের স্টাফ রিপোর্টার ও কাহালু প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক। এছাড়া তিনি বিভিন্ন অনলাইন ও মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

ছাত্রীর মা সোমবার রাতে সদর থানায় এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আহসান হাবিব আতিক ফোনে তার মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর তাকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছে। পূর্বপরিচিত হওয়ায় আতিক তার মেয়েকে প্রাইভেট কারে বিভিন্ন স্থানে বেড়ানোর প্রস্তাব দেয়। মেয়ে গত ৫ জানুয়ারি বেলা ১০টার দিকে শহরের জ্বলেশ্বরীতলা এলাকায় রেটিনা কোচিং সেন্টারের গেটে যায়। তখন আতিক কৌশলে তার মেয়েকে প্রাইভেট কারে তুলে শহরতলির চারমাথায় সেঞ্চুরি মোটেলে নিয়ে যায় এবং সাড়ে ১১টার দিকে ধর্ষণ করে। মেয়ে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি প্রকাশ করলেও সম্মানের ভয়ে তারা নীরব থাকেন।

এরপর আতিকের দেয়া বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হলে সামাজিকভাবে হেয় এবং অন্যত্র বিয়েতে বাধা দেয়ার কথা বলে। আর বিয়ে দিলেও সংসার করতে দেবে না বলে হুমকি দেয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়- আতিক একজন প্রতারক। সে তাদের সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে নাবালিকা মেয়েকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেছে।

ঘটনার আট মাস পর মামলা প্রসঙ্গে ছাত্রীর মা এজাহারে উল্লেখ না করলেও জানা গেছে, আতিকের কাছে ছাত্রীর কিছু স্থির ও ভিডিওচিত্র রয়েছে। এসব ফাঁস হওয়ার ভয়ে ছাত্রীর পরিবার এতদিন আইনের আশ্রয় নেয়নি। কয়েক দিন আগে ওই ছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন।

এসআই  রহিম উদ্দিন জানান, সোমবার রাতে ছাত্রীর মা মামলা দিলে একমাত্র আসামি আহসান হাবিব আতিককে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বিকালে ওই ছাত্রী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন