রাঙ্গামাটিতে কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা কেজি!
jugantor
রাঙ্গামাটিতে কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা কেজি!

  রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি  

০২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:২০:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

রাঙ্গামাটিতে কাঁচাবাজারে তরি-তরকারির দাম আকাশচুম্বি। এতে নাভিশ্বাস উঠেছে মধ্য-নিম্নবিত্ত ক্রেতা সাধারণের। সবজি বাজারে প্রত্যেক তরি-তরকারির দাম চড়া। বেড়েছে মাছ, মাংসের দামও। হঠাৎ এসব ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে মানুষ দিশেহারা।

বাজারে এখন পাহাড়ি ছোট কাঁচামরিচের দাম কেজি ৪০০ টাকা। আর দেশীয় কাঁচামরিচের দাম কেজি ২০০ টাকা। বাজার ঘুরে এসব তথ্যচিত্র পাওয়া গেছে।

স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাঁচামরিচ ছাড়াও আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি ৪০ টাকায়। গাজর কেজি ১০০ টাকা। শসা ৫০ টাকা। বেড়েছে টমেটো, বেগুন, মুলা, শিম, ঢেঁড়স, পটলসহ প্রত্যেকটি সবজির দাম। এসব জিনিসের দাম ঊর্ধ্বগতিতেই রয়েছে।

স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবসায়ী করম আলী, কাদের ও লাল মিয়া বলেন, বর্ষা মৌসুমে কাঁচা তরি-তরকারি নিয়ে কিছুটা সংকট দেখা দেয়। তাছাড়া এ মৌসুমে করোনার কারণে স্থানীয়ভাবে সবজি উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। ফলে বেশিরভাগ সবজি আনতে হচ্ছে চট্টগ্রাম ও রানিরহাট থেকে। এতে অতিরিক্ত পরিবহন খরচ যাচ্ছে। কাঁচামরিচ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। আর এসব কাঁচা মালামাল পচনশীল। সব তরি-তরকারিতে লাভ করা যায় না। এসব কারণে এখন কাঁচা তরি-তরকারি বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে আমাদের।

আলম বাদশা নামে এক ক্রেতা বলেন, অধিক মুনাফার ফায়দা লুটতে ব্যবসায়ীরা সব সময় মরিয়া। তাই সুযোগ নিয়েই অধিক দামে তরি-তরকারি বিক্রি করছে তারা। তারা সব সময় কৃষক আর ক্রেতা সাধারণকে ঠকিয়ে নিজেদের অধিক মুনাফা লাভে ব্যস্ত। অন্যদিকে এখানকার স্থানীয় কাঁচাবাজার মনিটরিং করার কেউ নেই। কেবল কোনো দুর্যোগ হলেই একটু নড়েচড়ে ওঠেন স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন। মনিটরিং করা হলেও নানা কৌশলে ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করে ব্যবসায়ীরা। জেলা পর্যায়ে এক মার্কেটিং কর্মকর্তা থাকলেও তার তৎপরতা দেখা যায় না।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মো. আরিফ বলেন, স্থানীয় কাঁচাবাজারে যদি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ঊর্ধ্বগতির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রাঙ্গামাটিতে কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা কেজি!

 রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি 
০২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাঙ্গামাটিতে কাঁচাবাজারে তরি-তরকারির দাম আকাশচুম্বি। এতে নাভিশ্বাস উঠেছে মধ্য-নিম্নবিত্ত ক্রেতা সাধারণের। সবজি বাজারে প্রত্যেক তরি-তরকারির দাম চড়া। বেড়েছে মাছ, মাংসের দামও। হঠাৎ এসব ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে মানুষ দিশেহারা।

বাজারে এখন পাহাড়ি ছোট কাঁচামরিচের দাম কেজি ৪০০ টাকা। আর দেশীয় কাঁচামরিচের দাম কেজি ২০০ টাকা। বাজার ঘুরে এসব তথ্যচিত্র পাওয়া গেছে।

স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাঁচামরিচ ছাড়াও আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি ৪০ টাকায়। গাজর কেজি ১০০ টাকা। শসা ৫০ টাকা। বেড়েছে টমেটো, বেগুন, মুলা, শিম, ঢেঁড়স, পটলসহ প্রত্যেকটি সবজির দাম। এসব জিনিসের দাম ঊর্ধ্বগতিতেই রয়েছে।

স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবসায়ী করম আলী, কাদের ও লাল মিয়া বলেন, বর্ষা মৌসুমে কাঁচা তরি-তরকারি নিয়ে কিছুটা সংকট দেখা দেয়। তাছাড়া এ মৌসুমে করোনার কারণে স্থানীয়ভাবে সবজি উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। ফলে বেশিরভাগ সবজি আনতে হচ্ছে চট্টগ্রাম ও রানিরহাট থেকে। এতে অতিরিক্ত পরিবহন খরচ যাচ্ছে। কাঁচামরিচ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। আর এসব কাঁচা মালামাল পচনশীল। সব তরি-তরকারিতে লাভ করা যায় না। এসব কারণে এখন কাঁচা তরি-তরকারি বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে আমাদের।

আলম বাদশা নামে এক ক্রেতা বলেন, অধিক মুনাফার ফায়দা লুটতে ব্যবসায়ীরা সব সময় মরিয়া। তাই সুযোগ নিয়েই অধিক দামে তরি-তরকারি বিক্রি করছে তারা। তারা সব সময় কৃষক আর ক্রেতা সাধারণকে ঠকিয়ে নিজেদের অধিক মুনাফা লাভে ব্যস্ত। অন্যদিকে এখানকার স্থানীয় কাঁচাবাজার মনিটরিং করার কেউ নেই। কেবল কোনো দুর্যোগ হলেই একটু নড়েচড়ে ওঠেন স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন। মনিটরিং করা হলেও নানা কৌশলে ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করে ব্যবসায়ীরা। জেলা পর্যায়ে এক মার্কেটিং কর্মকর্তা থাকলেও তার তৎপরতা দেখা যায় না।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মো. আরিফ বলেন, স্থানীয় কাঁচাবাজারে যদি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ঊর্ধ্বগতির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন