ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা, বাবার বাড়ি বাগমারায় ক্ষোভ
jugantor
ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা, বাবার বাড়ি বাগমারায় ক্ষোভ

  রাজশাহী ব্যুরো  

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৫৩:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম এবং তার বাবা রাজশাহীর বাগমারার মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের ওপর দুর্বৃত্তদের নৃশংস হামলার ঘটনায় হতবাক নিকটাত্মীয়রা এবং বাগমারার মানুষ। এ ঘটনায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বুধবার গভীর রাতে ঘোড়াঘাট ইউএনওর সরকারি বাসভবনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের ভাই বাগমারা ভোকেশনাল স্কুলের সুপারিন্টেনডেন্ট মজিবর রহমান তার ভাই ও ভাতিজির ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিকটাত্মীয়রা জানান, বাগমারা উপজেলার গণিপুর ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের ওমর আলী শেখ বিএডিসিতে চাকরি করতেন। নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা থেকে সর্বশেষ তিনি ২০১১ সালে অবসর গ্রহণ করেন। চাকরির সুবাদে মহাদেবপুর থাকাকালীন সেখানকার দক্ষিণ দুলালপাড়ায় জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করেন। এরপর থেকে সেখানেই বসবাস করলেও বাগমারায় বসবাসরত তিন ভাই ও আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।

ওমর আলী শেখের চার সন্তান। তার তৃতীয় সন্তান ওয়াহিদা খানম দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। জামাই মেজবাহ উদ্দিন রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। প্রায় দুই বছর ধরে মেয়ে ঘোড়াঘাটের ইউএনও হিসেবে কর্মরত আছেন। মেয়ের ওপর হামলার সময় ওমর আলী শেখ সেখানেই অবস্থান করছিলেন এবং তিনিও হামলার শিকার হন।

বাগমারা গ্রামের আশরাফুল ইসলামসহ অনেক গ্রামবাসী তাদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, হামলার খবর পেয়ে আমরা হতবাক হয়েছি। হামলাকারীদের শনাক্ত করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। তাদের সুস্থতার কামনা করছি।

ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা, বাবার বাড়ি বাগমারায় ক্ষোভ

 রাজশাহী ব্যুরো 
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম এবং তার বাবা রাজশাহীর বাগমারার মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের ওপর দুর্বৃত্তদের নৃশংস হামলার ঘটনায় হতবাক নিকটাত্মীয়রা এবং বাগমারার মানুষ। এ ঘটনায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
 
বুধবার গভীর রাতে ঘোড়াঘাট ইউএনওর সরকারি বাসভবনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের ভাই বাগমারা ভোকেশনাল স্কুলের সুপারিন্টেনডেন্ট মজিবর রহমান তার ভাই ও ভাতিজির ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিকটাত্মীয়রা জানান, বাগমারা উপজেলার গণিপুর ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের ওমর আলী শেখ বিএডিসিতে চাকরি করতেন। নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা থেকে সর্বশেষ তিনি ২০১১ সালে অবসর গ্রহণ করেন। চাকরির সুবাদে মহাদেবপুর থাকাকালীন সেখানকার দক্ষিণ দুলালপাড়ায় জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করেন। এরপর থেকে সেখানেই বসবাস করলেও বাগমারায় বসবাসরত তিন ভাই ও আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।

ওমর আলী শেখের চার সন্তান। তার তৃতীয় সন্তান ওয়াহিদা খানম দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। জামাই মেজবাহ উদ্দিন রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। প্রায় দুই বছর ধরে মেয়ে ঘোড়াঘাটের ইউএনও হিসেবে কর্মরত আছেন। মেয়ের ওপর হামলার সময় ওমর আলী শেখ সেখানেই অবস্থান করছিলেন এবং তিনিও হামলার শিকার হন।

বাগমারা গ্রামের আশরাফুল ইসলামসহ অনেক গ্রামবাসী তাদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, হামলার খবর পেয়ে আমরা হতবাক হয়েছি। হামলাকারীদের শনাক্ত করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। তাদের সুস্থতার কামনা করছি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন