ভাসানচর পরিদর্শনে রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদল
jugantor
ভাসানচর পরিদর্শনে রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদল

  কক্সবাজার ও উখিয়া প্রতিনিধি  

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:২৬:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের ৪০ জনের একটি প্রতিনিধিদল ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে গেছেন। শনিবার ভোরে দু’টি বাসে করে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এ রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দলটি উখিয়ার ট্রানজিট ক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করেন।

সকালে চট্টগ্রামে পৌঁছে সেখান থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে জলযানে করে যাত্রা শুরু করেন ভাসানচরে। ভাসানচরে কী ধরণের সুযোগ সুবিধা গড়ে তোলা হয়েছে বা দ্বীপটি বসবাসের জন্য কেমন- তা নিজেদের চোখে দেখবেন প্রতিনিধি দলটির রোহিঙ্গা নেতারা।

বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. শামসুদ্দোজা জানান, প্রতিটি ক্যাম্প থেকে নির্বাচিত প্রায় ৪০ জন রোহিঙ্গা নেতা রয়েছেন প্রতিনিধি দলে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ভাসানচর থেকে তাদের কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফিরে আসার কথা রয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, ভাসানচর সম্পর্কে রোহিঙ্গাদের মাঝে ধারণা দিতে এই ‘গো অ্যান্ড সি’ ভিজিট।

কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গাকে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জেগে ওঠা ভাসানচর দ্বীপে অস্থায়ীভাবে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জোয়ার ও জলোচ্ছ্বাস থেকে সেখানকার ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা রক্ষা করতে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধ এবং এক লাখ রোহিঙ্গা বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে।

মালয়েশিয়া যেতে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসা তিন শতাধিক রোহিঙ্গাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে ইতোমধ্যে ভাসানচরে নিয়ে আশ্রয় দিয়েছে সরকার।
সফরকারী রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দলটি ওইসব রোহিঙ্গাদের সঙ্গেও কথা বলবেন এবং তাদের জীবন-মান পর্যবেক্ষণ করবেন। ভাসানচর থেকে ফিরে কক্সবাজারের ক্যাম্পে আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প সম্পর্কে ধারণা দেবেন প্রতিনিধি দলের রোহিঙ্গা নেতারা। প্রতিনিধি দলে ২ জন নারী সদস্যও রয়েছেন।

ভাসানচর পরিদর্শনে রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদল

 কক্সবাজার ও উখিয়া প্রতিনিধি 
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের ৪০ জনের একটি প্রতিনিধিদল ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে গেছেন। শনিবার ভোরে দু’টি বাসে করে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এ রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দলটি উখিয়ার ট্রানজিট ক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করেন।

সকালে চট্টগ্রামে পৌঁছে সেখান থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে জলযানে করে যাত্রা শুরু করেন ভাসানচরে। ভাসানচরে কী ধরণের সুযোগ সুবিধা গড়ে তোলা হয়েছে বা দ্বীপটি বসবাসের জন্য কেমন- তা নিজেদের চোখে দেখবেন প্রতিনিধি দলটির রোহিঙ্গা নেতারা।

বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. শামসুদ্দোজা জানান, প্রতিটি ক্যাম্প থেকে নির্বাচিত প্রায় ৪০ জন রোহিঙ্গা নেতা রয়েছেন প্রতিনিধি দলে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ভাসানচর থেকে তাদের কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফিরে আসার কথা রয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, ভাসানচর সম্পর্কে রোহিঙ্গাদের মাঝে ধারণা দিতে এই ‘গো অ্যান্ড সি’ ভিজিট।

কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গাকে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জেগে ওঠা ভাসানচর দ্বীপে অস্থায়ীভাবে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জোয়ার ও জলোচ্ছ্বাস থেকে সেখানকার ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা রক্ষা করতে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধ এবং এক লাখ রোহিঙ্গা বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। 

মালয়েশিয়া যেতে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসা তিন শতাধিক রোহিঙ্গাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে ইতোমধ্যে ভাসানচরে নিয়ে আশ্রয় দিয়েছে সরকার।
সফরকারী রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দলটি ওইসব রোহিঙ্গাদের সঙ্গেও কথা বলবেন এবং তাদের জীবন-মান পর্যবেক্ষণ করবেন। ভাসানচর থেকে ফিরে কক্সবাজারের ক্যাম্পে আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প সম্পর্কে ধারণা দেবেন প্রতিনিধি দলের রোহিঙ্গা নেতারা। প্রতিনিধি দলে ২ জন নারী সদস্যও রয়েছেন।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন