দুমকিতে অজ্ঞাত রোগে ৪ হাজার মুরগির মৃত্যু
jugantor
দুমকিতে অজ্ঞাত রোগে ৪ হাজার মুরগির মৃত্যু

  দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:১০:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

দুমকী

পটুয়াখালীর দুমকিতে অজ্ঞাত রোগাক্রান্তে এক ব্যবসায়ীর ‘সততা পোলট্রি’ ফার্মের অন্তত সাড়ে চার হাজার মুরগির মৃত্যু হয়েছে। ফার্মের প্রতিটি দেড় কেজি ওজনের মুরগি বিক্রির পূর্বমুহূর্তে মাত্র দু’তিন দিনে প্রায় সব মারা যাওয়ায় বাজ পড়েছে ব্যবসায়ীর মাথায়। এতে ওই পোলট্রি ব্যবসায়ীর অন্তত ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলার জলিশা কদমতলা বাজারের পোলট্রি খামারি শাহজাহান ফকিরের সততা পোলট্রি ফার্মে এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ফলে রোগাক্রান্ত হয়ে গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত অন্তত সাড়ে ৪ হাজার মুরগি মারা গেছে। খামারি সন্দেহ করছেন এটি বার্ড ফ্লু হতে পারে।

অবশিষ্ট মুরগিও প্রতিদিন কমবেশি মারা যাচ্ছে। নিজস্ব ও ধারদেনায় সংগৃহীত পুঁজিতে গড়ে তোলা এ পোলট্রি খামারে বেড়ে ওঠা দেড় কেজি ওজনের মুরগিগুলো আকস্মিক মারা যাওয়ায় তিনি বিলাপ করছেন। ধার-দেনায় সংগ্রহীত পুঁজিতে তৈরি করা ফার্মের মুরগিগুলো হঠাৎ করে রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ায় মারাত্মক ক্ষতির সন্মুখীন হয়ে পড়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ফার্মের শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রাণিসম্পদ বিভাগের কোনোরকম সহযোগিতা তিনি কখনও পাননি। খবর দিলেও কেউ এগিয়ে আসেননি।
স্থানীয় লোকজন, শুভাকাঙ্ক্ষীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে এমন ভয়াবহ চিত্র দেখে সবাই হতবাক। খবর পেয়ে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারাও ফার্মটি পরিদর্শন করে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যান। তবে তারা এটিকে ‘বার্ড ফ্লু’ বলতে নারাজ।
সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, বার্ড ফ্লু নয়, এটি অন্য কোনো ভাইরাস জাতীয় রোগ হতে পারে; নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কোনো কিছু নিশ্চিত করে বলা ঠিক হবে না।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের উপসহকারী ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ডা. মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, যথাযথ পরিচর্যা, নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও পূর্ব থেকে সতর্ক থাকলে এত ভয়াবহ ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল। রোগ ধরা পড়ার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে পারলে কিছুটা রক্ষা পেত। এটা ওই খামারির অসচেতনতা এবং যথাসময়ে প্রাণিসম্পদ বিভাগ কিম্বা চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হলে এত বড় আর্থিক ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল। এখন তো সান্ত্বনা দেয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই।

দুমকিতে অজ্ঞাত রোগে ৪ হাজার মুরগির মৃত্যু

 দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দুমকী
পটুয়াখালীর দুমকিতে অজ্ঞাত রোগাক্রান্তে এক ব্যবসায়ীর ‘সততা পোলট্রি’ ফার্মের অন্তত সাড়ে চার হাজার মুরগির মৃত্যু হয়েছে।

পটুয়াখালীর দুমকিতে অজ্ঞাত রোগাক্রান্তে এক ব্যবসায়ীর ‘সততা পোলট্রি’ ফার্মের অন্তত সাড়ে চার হাজার মুরগির মৃত্যু হয়েছে। ফার্মের প্রতিটি দেড় কেজি ওজনের মুরগি বিক্রির পূর্বমুহূর্তে মাত্র দু’তিন দিনে প্রায় সব মারা যাওয়ায় বাজ পড়েছে ব্যবসায়ীর মাথায়। এতে ওই পোলট্রি ব্যবসায়ীর অন্তত ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলার জলিশা কদমতলা বাজারের পোলট্রি খামারি শাহজাহান ফকিরের সততা পোলট্রি ফার্মে এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ফলে রোগাক্রান্ত হয়ে গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত অন্তত সাড়ে ৪ হাজার মুরগি মারা গেছে। খামারি সন্দেহ করছেন এটি বার্ড ফ্লু হতে পারে।

অবশিষ্ট মুরগিও প্রতিদিন কমবেশি মারা যাচ্ছে।  নিজস্ব ও ধারদেনায় সংগৃহীত পুঁজিতে গড়ে তোলা এ পোলট্রি খামারে বেড়ে ওঠা দেড় কেজি ওজনের মুরগিগুলো আকস্মিক মারা যাওয়ায় তিনি বিলাপ করছেন। ধার-দেনায় সংগ্রহীত পুঁজিতে তৈরি করা ফার্মের মুরগিগুলো হঠাৎ করে রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ায় মারাত্মক ক্ষতির সন্মুখীন হয়ে পড়েছেন।  তিনি অভিযোগ করেন, ফার্মের শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রাণিসম্পদ বিভাগের কোনোরকম সহযোগিতা তিনি কখনও পাননি। খবর দিলেও কেউ এগিয়ে আসেননি। 
স্থানীয় লোকজন, শুভাকাঙ্ক্ষীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে এমন ভয়াবহ চিত্র দেখে সবাই হতবাক। খবর পেয়ে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারাও ফার্মটি পরিদর্শন করে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যান। তবে তারা এটিকে ‘বার্ড ফ্লু’ বলতে নারাজ।
সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, বার্ড ফ্লু নয়, এটি অন্য কোনো ভাইরাস জাতীয় রোগ হতে পারে; নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।  পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কোনো কিছু নিশ্চিত করে বলা ঠিক হবে না। 
উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের উপসহকারী ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ডা. মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, যথাযথ পরিচর্যা, নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও পূর্ব থেকে সতর্ক থাকলে এত ভয়াবহ ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল। রোগ ধরা পড়ার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে পারলে কিছুটা রক্ষা পেত। এটা ওই খামারির অসচেতনতা এবং যথাসময়ে প্রাণিসম্পদ বিভাগ কিম্বা চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হলে এত বড় আর্থিক ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল। এখন তো সান্ত্বনা দেয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন