বাড়ির ওপর বিদ্যুতের হাইভোল্টেজ তার, ঝুঁকিতে অর্ধ শতাধিক পরিবার
jugantor
বাড়ির ওপর বিদ্যুতের হাইভোল্টেজ তার, ঝুঁকিতে অর্ধ শতাধিক পরিবার

  বগুড়া ব্যুরো  

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৪৫:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের রহিমাবাদ উত্তরপাড়া গ্রামের ওপর দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) ১১ হাজার কেভি তারের খুঁটি বসানো হয়েছে। অনেক বাড়ির ওপর দিয়ে তার রয়েছে। এতে ওই গ্রামের অর্ধশতাধিক ভবনে বসবাসকারীরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

অনেকে বাড়ি ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করতে পারছেন না। তার সরাতে আবেদনকারীদের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করা। ভুক্তভোগীরা এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাজাহানপুর উপজেলার রহিমাবাদ উত্তরপাড়া গ্রামের ওপর দিয়ে পবিসের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের তার টানা হয়েছে। গ্রামের অন্তত অর্ধশত বাড়ির ওপর দিয়ে খুঁটির তারগুলো টানা হয়। এতে ওই সব বাড়িতে বসবাসকারীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছেন। বিদ্যুতের তার থাকায় অনেকে বাড়ি নির্মাণ বা ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজ করতে পারছেন না।

ওই গ্রামের কাঞ্চন আলী শরীফের ছেলে ব্যবসায়ী হোসেন শরীফ মুনির এ ব্যাপারে প্রতিকার পেতে গত ২১ জুন বগুড়া পবিস-২ এর জেনারেল ম্যানেজারের কাছে আবেদন করেন। অফিসের এক কর্মচারী তার সরানোর বিনিময়ে তার কাছে দেড় লাখ টাকা দাবি করেন। তার সরানোর ব্যাপারে গত ১৮ জুলাই তাকে সমিতির জিএম স্বাক্ষরিত এক লাখ ৩২ হাজার ৮৯৭ টাকা খরচের হিসাব দেয়া হয়।

ভুক্তভোগী হোসেন শরীফ মুনির জানান, তার নির্মাণাধীন বাড়ির ওপর দিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের তার রয়েছে। কিছুদিন আগে ওই তারে আগুন ধরে। পবিস কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারের মাধ্যমে পুড়ে যাওয়া অংশ পরিবর্তন করে প্লাস্টিক কাভার সংযুক্ত করে। জোড়া দেয়ার সময় তিনটি তারের মধ্যে দুটি ঝুলে যায়। এতে যে কোনো সময় দুর্ঘটনার আশংকা দেখা দিয়েছে। তার সরানোর জন্য পবিস-২ এর জেনারেল ম্যানেজারের কাছে লিখিত আবেদন করেন। কিন্তু অতিরিক্ত ফি দাবি করায় তার পক্ষে সেটা পরিশোধ করা সম্ভব নয়। ফলে তিনি তার নির্মাণাধীন বাড়িতে উঠতে পারছেন না।

ঘাষিড়া ডোকলাপাড়া গ্রামের নির্মাণ শ্রমিক হারুনুর রশিদ জানান, মাসখানেক আগে তিনি ওই এলাকায় কাজ করতে গিয়েছিলেন। বাড়ির ওপর উচ্চ ভোল্টের তার থাকায় তিনি দূর থেকে বিদ্যুতায়িত হন। এতে তার শরীর পুড়ে যায়। পরে তার ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলি কেটে ফেলতে হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জিএম আবদুল কুদ্দুস মোবাইল ফোনে জানান, অপরিকল্পিতভাবে বিদ্যুতের তার টানা হয়নি। বরং জনগণ অপরিকল্পিতভাবে বিদ্যুতের তারের নিচে বাড়িঘর নির্মাণ করেছেন। টাকা দিয়েই সাধারণত সবাই তার সরিয়ে নেন। তার সরাতে ঢাকা অফিসে চিঠি পাঠাতে হয়।

তিনি আরও বলেন, খুঁটি সরানো সম্ভব না হলেও তার সরানোর ব্যাপারে দেখবেন।

বাড়ির ওপর বিদ্যুতের হাইভোল্টেজ তার, ঝুঁকিতে অর্ধ শতাধিক পরিবার

 বগুড়া ব্যুরো 
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের রহিমাবাদ উত্তরপাড়া গ্রামের ওপর দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) ১১ হাজার কেভি তারের খুঁটি বসানো হয়েছে। অনেক বাড়ির ওপর দিয়ে তার রয়েছে। এতে ওই গ্রামের অর্ধশতাধিক ভবনে বসবাসকারীরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

অনেকে বাড়ি ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করতে পারছেন না। তার সরাতে আবেদনকারীদের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করা। ভুক্তভোগীরা এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাজাহানপুর উপজেলার রহিমাবাদ উত্তরপাড়া গ্রামের ওপর দিয়ে পবিসের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের তার টানা হয়েছে। গ্রামের অন্তত অর্ধশত বাড়ির ওপর দিয়ে খুঁটির তারগুলো টানা হয়। এতে ওই সব বাড়িতে বসবাসকারীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছেন। বিদ্যুতের তার থাকায় অনেকে বাড়ি নির্মাণ বা ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজ করতে পারছেন না।

ওই গ্রামের কাঞ্চন আলী শরীফের ছেলে ব্যবসায়ী হোসেন শরীফ মুনির এ ব্যাপারে প্রতিকার পেতে গত ২১ জুন বগুড়া পবিস-২ এর জেনারেল ম্যানেজারের কাছে আবেদন করেন। অফিসের এক কর্মচারী তার সরানোর বিনিময়ে তার কাছে দেড় লাখ টাকা দাবি করেন। তার সরানোর ব্যাপারে গত ১৮ জুলাই তাকে সমিতির জিএম স্বাক্ষরিত এক লাখ ৩২ হাজার ৮৯৭ টাকা খরচের হিসাব দেয়া হয়।

ভুক্তভোগী হোসেন শরীফ মুনির জানান, তার নির্মাণাধীন বাড়ির ওপর দিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের তার রয়েছে। কিছুদিন আগে ওই তারে আগুন ধরে। পবিস কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারের মাধ্যমে পুড়ে যাওয়া অংশ পরিবর্তন করে প্লাস্টিক কাভার সংযুক্ত করে। জোড়া দেয়ার সময় তিনটি তারের মধ্যে দুটি ঝুলে যায়। এতে যে কোনো সময় দুর্ঘটনার আশংকা দেখা দিয়েছে। তার সরানোর জন্য পবিস-২ এর জেনারেল ম্যানেজারের কাছে লিখিত আবেদন করেন। কিন্তু অতিরিক্ত ফি দাবি করায় তার পক্ষে সেটা পরিশোধ করা সম্ভব নয়। ফলে তিনি তার নির্মাণাধীন বাড়িতে উঠতে পারছেন না।

ঘাষিড়া ডোকলাপাড়া গ্রামের নির্মাণ শ্রমিক হারুনুর রশিদ জানান, মাসখানেক আগে তিনি ওই এলাকায় কাজ করতে গিয়েছিলেন। বাড়ির ওপর উচ্চ ভোল্টের তার থাকায় তিনি দূর থেকে বিদ্যুতায়িত হন। এতে তার শরীর পুড়ে যায়। পরে তার ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলি কেটে ফেলতে হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জিএম আবদুল কুদ্দুস মোবাইল ফোনে জানান, অপরিকল্পিতভাবে বিদ্যুতের তার টানা হয়নি। বরং জনগণ অপরিকল্পিতভাবে বিদ্যুতের তারের নিচে বাড়িঘর নির্মাণ করেছেন। টাকা দিয়েই সাধারণত সবাই তার সরিয়ে নেন। তার সরাতে ঢাকা অফিসে চিঠি পাঠাতে হয়।

তিনি আরও বলেন, খুঁটি সরানো সম্ভব না হলেও তার সরানোর ব্যাপারে দেখবেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন