মাকে জুসের সঙ্গে নেশাদ্রব্য খাইয়ে মেয়েকে রাতভর ধর্ষণ
jugantor
মাকে জুসের সঙ্গে নেশাদ্রব্য খাইয়ে মেয়েকে রাতভর ধর্ষণ

  পূবাইল (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:৫১:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরে মাকে জুসের সঙ্গে নেশাদ্রব্য খাইয়ে স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে রাতভর ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও কথিত পুলিশের সোর্স আবুলের (৪৫) বিরুদ্ধে। গাজীপুর মহানগরীর সদর মেট্রো থানার ধীরাশ্রম এলাকায় এ ঘটনার পর রোববার রাতে থানায় মামলা করেছে মেয়েটি।

গত মঙ্গলবার রাতে স্কুলছাত্রীর মাকে ঝাল-মুড়ি ও পানীয় জুসের সঙ্গে নেশাদ্রব্য মিশিয়ে খাওয়ায় আবুল। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। পরে ওই নারীর একমাত্র মেয়েকে রাতভর ধর্ষণ করে। তিন দিন পর জ্ঞান ফিরেছে মেয়েটির মায়ের। এমনটি জানিয়েছেন বাড়ির মালিকের স্ত্রী।

ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়রা জানান, ধর্ষণের পর বুধবার সকালে পাশের ভাড়াটিয়ার স্ত্রী ওই স্কুলছাত্রীকে দুটি জন্মনিরোধ ট্যাবলেট খাইয়েছে। ধর্ষক আবুল একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও পুলিশের সোর্স হিসেবে এলাকায় পরিচিত। মেয়েটির বাবা কারাগারে থাকায় মা ভিক্ষাবৃত্তি করে খেয়ে না খেয়ে কোনোরকমে দিনযাপন করছেন।

গাজীপুর মহানগরীর ৩১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মকবুল হোসেন জানান, ঘটনার পর মেয়ের মা আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি।

গাজীপুর সদর মেট্রো থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ রাফিউল করিম যুগান্তরকে জানান, রোববার রাতে গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় ধর্ষিতা মেয়েটি বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা করেছে। মেডিকেল চেকআপের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মাকে জুসের সঙ্গে নেশাদ্রব্য খাইয়ে মেয়েকে রাতভর ধর্ষণ

 পূবাইল (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরে মাকে জুসের সঙ্গে নেশাদ্রব্য খাইয়ে স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে রাতভর ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও কথিত পুলিশের সোর্স আবুলের (৪৫) বিরুদ্ধে। গাজীপুর মহানগরীর সদর মেট্রো থানার ধীরাশ্রম এলাকায় এ ঘটনার পর রোববার রাতে থানায় মামলা করেছে মেয়েটি।

গত মঙ্গলবার রাতে স্কুলছাত্রীর মাকে ঝাল-মুড়ি ও পানীয় জুসের সঙ্গে নেশাদ্রব্য মিশিয়ে খাওয়ায় আবুল। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। পরে ওই নারীর একমাত্র মেয়েকে রাতভর ধর্ষণ করে। তিন দিন পর জ্ঞান ফিরেছে মেয়েটির মায়ের। এমনটি জানিয়েছেন বাড়ির মালিকের স্ত্রী।

ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়রা জানান, ধর্ষণের পর বুধবার সকালে পাশের ভাড়াটিয়ার স্ত্রী ওই স্কুলছাত্রীকে দুটি জন্মনিরোধ ট্যাবলেট খাইয়েছে। ধর্ষক আবুল একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও পুলিশের সোর্স হিসেবে এলাকায় পরিচিত। মেয়েটির বাবা কারাগারে থাকায় মা ভিক্ষাবৃত্তি করে খেয়ে না খেয়ে কোনোরকমে দিনযাপন করছেন।

গাজীপুর মহানগরীর ৩১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মকবুল হোসেন জানান, ঘটনার পর মেয়ের মা আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি।

গাজীপুর সদর মেট্রো থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ রাফিউল করিম যুগান্তরকে জানান, রোববার রাতে গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় ধর্ষিতা মেয়েটি বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা করেছে। মেডিকেল চেকআপের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন