গাইবান্ধায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হতদরিদ্র নারীদের অভিযোগ
jugantor
গাইবান্ধায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হতদরিদ্র নারীদের অভিযোগ

  গাইবান্ধা প্রতিনিধি  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:৪৯:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে রাস্তার মাটি কাটার কাজ, ঘর দেয়া ও মাতৃভাতার নামে হতদরিদ্রদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা আদায়সহ তার নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

চেয়ারম্যানকে দেয়া অর্থ ফেরতসহ ঘটনার প্রতিকার জানিয়ে হতদরিদ্ররা জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

মঙ্গলবার গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের কাছে এসে দরিদ্র অসহায় নারীরা সংশ্লিষ্ট দফতরে দেয়া লিখিত আবেদনসহ অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।

ওই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের স্কুলের বাজার ও ডাকুয়ারকুটি গ্রামের মৃত বাচ্চুর স্ত্রী আনোয়ারা বেওয়া, মৃত রফিকের স্ত্রী লাখি বেওয়া, মৃত ওয়াহেদের স্ত্রী করিমন বেওয়া ও বজলার রহমানের স্ত্রী ছবি বেগম লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন- কুপতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হতদরিদ্রদের কাছ থেকে ২০১৭ সালে ৫ বছর মেয়াদি রাস্তায় মাটি কাটার কাজ দেয়ার কথা বলে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। এরপর তাদের কাজ না দিয়ে নানা রকমের টালবাহানা করে আসছিলেন।

একপর্যায়ে ২০১৯ সালে ওই সব গৃহহীন দরিদ্র অসহায় দুস্থ নারীদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আধাপাকা ঘর ও মাতৃভাতার কার্ড দেয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে আরও সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে মোট ৩ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন।

এ ব্যাপারে তারা চেয়ারম্যানের কাছে একাধিকবার মাটি কাটার কাজ, আধাপাকা ঘর নির্মাণ ও মাতৃভাতার কার্ড চাইতে গেলে চেয়ারম্যান তাদের কথায় কোনো কর্ণপাত না করে নানা ধরনের হয়রানি করে আসছেন। ফলে ওই সব অসহায় পরিবারগুলো মাটির কাজ, নতুন ঘর ও মাতৃভাতা কোনো কিছুই না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছেন।

এ ব্যাপারে কুপতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক জানান, বিভিন্ন সময়ে ওই নারীরা অন্যায় আবদার নিয়ে তার কাছে আসেন। কিন্তু তাদের সেই অন্যায় দাবি পূরণ করতে না পারায় তারা এখন অভিযোগ করছেন। তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক। কারও দ্বারা প্ররোচিত হয়ে তারা এ অভিযোগ আনতে পারেন।

গাইবান্ধায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হতদরিদ্র নারীদের অভিযোগ

 গাইবান্ধা প্রতিনিধি 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে রাস্তার মাটি কাটার কাজ, ঘর দেয়া ও মাতৃভাতার নামে হতদরিদ্রদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা আদায়সহ তার নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

চেয়ারম্যানকে দেয়া অর্থ ফেরতসহ ঘটনার প্রতিকার জানিয়ে হতদরিদ্ররা জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। 

মঙ্গলবার গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের কাছে এসে দরিদ্র অসহায় নারীরা সংশ্লিষ্ট দফতরে দেয়া লিখিত আবেদনসহ অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।  

ওই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের স্কুলের বাজার ও ডাকুয়ারকুটি গ্রামের মৃত বাচ্চুর স্ত্রী আনোয়ারা বেওয়া, মৃত রফিকের স্ত্রী লাখি বেওয়া, মৃত ওয়াহেদের স্ত্রী করিমন বেওয়া ও বজলার রহমানের স্ত্রী ছবি বেগম লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন- কুপতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হতদরিদ্রদের কাছ থেকে ২০১৭ সালে ৫ বছর মেয়াদি রাস্তায় মাটি কাটার কাজ দেয়ার কথা বলে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। এরপর তাদের কাজ না দিয়ে নানা রকমের টালবাহানা করে আসছিলেন।

একপর্যায়ে ২০১৯ সালে ওই সব গৃহহীন দরিদ্র অসহায় দুস্থ নারীদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আধাপাকা ঘর ও মাতৃভাতার কার্ড দেয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে আরও সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে মোট ৩ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। 

এ ব্যাপারে তারা চেয়ারম্যানের কাছে একাধিকবার মাটি কাটার কাজ, আধাপাকা ঘর নির্মাণ ও মাতৃভাতার কার্ড চাইতে গেলে চেয়ারম্যান তাদের কথায় কোনো কর্ণপাত না করে নানা ধরনের হয়রানি করে আসছেন। ফলে ওই সব অসহায় পরিবারগুলো মাটির কাজ, নতুন ঘর ও মাতৃভাতা কোনো কিছুই না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছেন। 

এ ব্যাপারে কুপতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক জানান, বিভিন্ন সময়ে ওই নারীরা অন্যায় আবদার নিয়ে তার কাছে আসেন। কিন্তু তাদের সেই অন্যায় দাবি পূরণ করতে না পারায় তারা এখন অভিযোগ করছেন। তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক। কারও দ্বারা প্ররোচিত হয়ে তারা এ অভিযোগ আনতে পারেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন