নাফ নদীতে স্পিডবোট-ফিশিং ট্রলার সংঘর্ষে ২ নারী নিহত, শিশু নিখোঁজ 
jugantor
নাফ নদীতে স্পিডবোট-ফিশিং ট্রলার সংঘর্ষে ২ নারী নিহত, শিশু নিখোঁজ 

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৩৩:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে সেন্টমার্টিনগামী যাত্রীবাহী স্পিডবোট ও ফিশিং ট্রলারের সংঘর্ষে দুই নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক শিশু নিখোঁজ রয়েছে এবং আহত হয়েছেন স্পিডবোটের আরও ৫ যাত্রী।

মঙ্গলবার দুপুরে কায়ুকখালী খালের মোহনায় নাফ নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সেন্টমার্টিন পশ্চিমপাড়ার মৃত আব্দুল গফুরের স্ত্রী রশিদা বেগম (৬৫) ও একই এলাকার আব্দুল জলিলের স্ত্রী মেহেরুন নেছা (৭৫)। রশিদা বেগম ঘটনাস্থলেই মারা যান। আর মেহেরুন নেছাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আনা হলে সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় সেন্টমার্টিন পূর্বপাড়ার মো. আয়াজের শিশু সন্তান সুমাইয়া আক্তার (৬) নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়া আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

হতাহত সবাই সেন্টমার্টিন দ্বীপের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। টেকনাফ থেকে দ্বীপে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

টেকনাফ সদর বিজিবি চৌকির সুবেদার আবদুর রাজ্জাক বলেন, কায়ুকখালী খালের সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে যাত্রীবাহী স্পিডবোটটি খালের মুখে পৌঁছলে নাফ নদী দিয়ে একটি ফিশিং ট্রলার খালে ঢুকছিল। এ সময় দুই জলযানের মুখোমুখি সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রশিদা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। মেহেরুন নেছাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, নিহত মেহেরুন নেছা আমার শাশুড়ি।

নাফ নদীতে স্পিডবোট-ফিশিং ট্রলার সংঘর্ষে ২ নারী নিহত, শিশু নিখোঁজ 

 টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে সেন্টমার্টিনগামী যাত্রীবাহী স্পিডবোট ও ফিশিং ট্রলারের সংঘর্ষে দুই নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক শিশু নিখোঁজ রয়েছে এবং আহত হয়েছেন স্পিডবোটের আরও ৫ যাত্রী। 

মঙ্গলবার দুপুরে কায়ুকখালী খালের মোহনায় নাফ নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন- সেন্টমার্টিন পশ্চিমপাড়ার মৃত আব্দুল গফুরের স্ত্রী রশিদা বেগম (৬৫) ও একই এলাকার আব্দুল জলিলের স্ত্রী মেহেরুন নেছা (৭৫)। রশিদা বেগম ঘটনাস্থলেই মারা যান। আর মেহেরুন নেছাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আনা হলে সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

এ ঘটনায় সেন্টমার্টিন পূর্বপাড়ার মো. আয়াজের শিশু সন্তান সুমাইয়া আক্তার (৬) নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়া আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। 

হতাহত সবাই সেন্টমার্টিন দ্বীপের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। টেকনাফ থেকে দ্বীপে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

টেকনাফ সদর বিজিবি চৌকির সুবেদার আবদুর রাজ্জাক বলেন, কায়ুকখালী খালের সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে যাত্রীবাহী স্পিডবোটটি খালের মুখে পৌঁছলে নাফ নদী দিয়ে একটি ফিশিং ট্রলার খালে ঢুকছিল। এ সময় দুই জলযানের মুখোমুখি সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রশিদা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। মেহেরুন নেছাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, নিহত মেহেরুন নেছা আমার শাশুড়ি।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন