৫০০০ টাকায় জহুরাকে খুন করে পুত্রবধূ ও প্রেমিক
jugantor
৫০০০ টাকায় জহুরাকে খুন করে পুত্রবধূ ও প্রেমিক

  নোয়াখালী ও কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৩৬:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বৃদ্ধা জহুরা খাতুন (৭০) খুনের রহস্য উদঘাটন হয়েছে। পরকীয়া নিয়ে পারিবারিক কলহের কারণে ৫০০০ টাকায় প্রেমিকের সহযোগী মো. আসিকের মাধ্যমে জহুরাকে খুন করে পুত্রবধূ জোসনা বেগম।

মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় ওই বৃদ্ধাকে খুনের ৪ দিন পর সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো.আরিফুর রহমান। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত বৃদ্ধার পুত্রবধূ জোসনা বেগম ও রামপুরের বাসিন্দা মো. আসিককে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই শহীদ হোসাইন জানান, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে মামলার সন্দেহভাজন আসামি আসিক ও জোসনা বেগম রুনিকে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আটক করা হয়। এক পর্যায়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জোসনা বেগম রুনি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, মৃত জহুরা খাতুনের ছেলে মো. ইলিয়াছ দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে থাকেন। করোনাকালীন ছুটিতে দেশে আসেন ইলিয়াছ। তার স্ত্রী জোসনা একই বাড়ির এ মামলার অপর পলাতক আসামির সঙ্গে পরকীয়া করে আসছিল। এ নিয়ে শাশুড়ি জহুরা এবং পুত্রবধূ রুনির সঙ্গে ঝগড়া লেগে থাকত। এজন্য পুত্রবধূ রুনি ও তার পরকীয়া প্রেমিক বৃদ্ধা জহুরা খাতুনকে হত্যার পরিকল্পনা করে। বৃদ্ধাকে হত্যার জন্য আসিকের সঙ্গে ৫ হাজার টাকায় চুক্তি করে।

ঘটনার দিন ইলিয়াছের প্রথমপক্ষের ছেলের (জহুরার নাতি) সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার জন্য ঘর থেকে জহুরাকে বের করে নেয় পুত্রবধূ রুনি। পরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রুনির পরকীয়া প্রেমিক এবং তার সহযোগী গ্রেফতারকৃত আসামি মো. আসিক তাকে হত্যা করে বাড়ির পাশে ধানক্ষেতে কাদা পানিতে মাথা ডুবিয়ে মেরে লাশ গোপন করে রাখে।

এসআই শাহীদ হোসাইন জানান, জহুরা হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি রুনির পরকীয়া প্রেমিককে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে জহুরা খাতুনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

৫০০০ টাকায় জহুরাকে খুন করে পুত্রবধূ ও প্রেমিক

 নোয়াখালী ও কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বৃদ্ধা জহুরা খাতুন (৭০) খুনের রহস্য উদঘাটন হয়েছে। পরকীয়া নিয়ে পারিবারিক কলহের কারণে ৫০০০ টাকায় প্রেমিকের সহযোগী মো. আসিকের মাধ্যমে জহুরাকে খুন করে পুত্রবধূ জোসনা বেগম।

মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় ওই বৃদ্ধাকে খুনের ৪ দিন পর সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো.আরিফুর রহমান। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত বৃদ্ধার পুত্রবধূ জোসনা বেগম ও রামপুরের বাসিন্দা মো. আসিককে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই শহীদ হোসাইন জানান, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে মামলার সন্দেহভাজন আসামি আসিক ও জোসনা বেগম রুনিকে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আটক করা হয়। এক পর্যায়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জোসনা বেগম রুনি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, মৃত জহুরা খাতুনের ছেলে মো. ইলিয়াছ দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে থাকেন। করোনাকালীন ছুটিতে দেশে আসেন ইলিয়াছ। তার স্ত্রী জোসনা একই বাড়ির এ মামলার অপর পলাতক আসামির সঙ্গে পরকীয়া করে আসছিল। এ নিয়ে শাশুড়ি জহুরা এবং পুত্রবধূ রুনির সঙ্গে ঝগড়া লেগে থাকত। এজন্য পুত্রবধূ রুনি ও তার পরকীয়া প্রেমিক বৃদ্ধা জহুরা খাতুনকে হত্যার পরিকল্পনা করে। বৃদ্ধাকে হত্যার জন্য আসিকের সঙ্গে ৫ হাজার টাকায় চুক্তি করে।

ঘটনার দিন ইলিয়াছের প্রথমপক্ষের ছেলের (জহুরার নাতি) সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার জন্য ঘর থেকে জহুরাকে বের করে নেয় পুত্রবধূ রুনি। পরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রুনির পরকীয়া প্রেমিক এবং তার সহযোগী গ্রেফতারকৃত আসামি মো. আসিক তাকে হত্যা করে বাড়ির পাশে ধানক্ষেতে কাদা পানিতে মাথা ডুবিয়ে মেরে লাশ গোপন করে রাখে।

এসআই  শাহীদ হোসাইন জানান, জহুরা হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি রুনির পরকীয়া প্রেমিককে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে জহুরা খাতুনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন