বিয়েতে মাইক বাজানোয় ৫ পরিবার সমাজচ্যুত!
jugantor
বিয়েতে মাইক বাজানোয় ৫ পরিবার সমাজচ্যুত!

  মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:০৪:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বিয়েবাড়িতে উচ্চশব্দে মাইক বাজানোয় ও মসজিদের ইমামের বেতন না দেয়ায় ৫ পরিবারকে সমাজচ্যুত করেছে সমজিদ কমিটি ও গাম্য মাতবররা।

এ ঘটনায় সম্পতপুর গ্রামের আবিদ মিয়া মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন- মসজিদের চাঁদা না দেয়ায় মসজিদ কমিটির লোকজন তাকে সমাজচ্যুত করেছে। কেউ যাতে তাদের সঙ্গে মেলামেশা না করে গ্রামবাসীকে সতর্ক করেছে।

তবে মসজিদ কমিটি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিয়েবাড়িতে উচ্চশব্দে মাইক বাজানোর কারণে গ্রামের অসুস্থ রোগীদের অসুবিধা ও শব্দদূষণের কারণে ওই পরিবারকে মাইক না বাজাতে নিষেধ করায় তারা মসজিদ কমিটি ও গাম্য মাতবরদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অসত্য অভিযোগ করেছে।

এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি এমদাদ উল্লাহ জানান, গত ৪ সেপ্টেম্বর আবিদ মিয়ার মেয়ের বিয়েতে উচ্চশব্দে মাইক বাজাতে শুরু করলে গ্রামের অসুস্থ রোগী ও বৃদ্ধ লোকদের মধ্যে সমস্যা দেখা দেয়। গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বিকট শব্দে মাইক না বাজাতে নিষেধ করায় আবিদ মিয়া মসজিদ কমিটির লোকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।

এর আগে বিয়েবাড়িতে বিকট শব্দে মাইক বাজানোর কারণে হৃদরোগীদের অনেক সমস্যা দেখা দেয়। এরপর থেকে গ্রামবাসী সিদ্ধান্ত নেয় বিয়েবাড়িতে বিকট শব্দে মাইক বাজানো যাবে না।

স্থানীয় চেয়ারম্যান ফারুক পাঠান বলেন, মসজিদের চাঁদা সংক্রান্ত ও মাইক বাজানোকে কেন্দ্র করে একটি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তা মীমাংসা করে দেয়ার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনুভা নাশতারান জানান, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উভয়পক্ষকে বৃহস্পতিবার সকালে তার কার্যালয়ে ডাকা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিয়েতে মাইক বাজানোয় ৫ পরিবার সমাজচ্যুত!

 মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বিয়েবাড়িতে উচ্চশব্দে মাইক বাজানোয় ও মসজিদের ইমামের বেতন না দেয়ায় ৫ পরিবারকে সমাজচ্যুত করেছে সমজিদ কমিটি ও গাম্য মাতবররা। 

এ ঘটনায় সম্পতপুর গ্রামের আবিদ মিয়া মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন- মসজিদের চাঁদা না দেয়ায় মসজিদ কমিটির লোকজন তাকে সমাজচ্যুত করেছে। কেউ যাতে তাদের সঙ্গে মেলামেশা না করে গ্রামবাসীকে সতর্ক করেছে।

তবে মসজিদ কমিটি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিয়েবাড়িতে উচ্চশব্দে মাইক বাজানোর কারণে গ্রামের অসুস্থ রোগীদের অসুবিধা ও শব্দদূষণের কারণে ওই পরিবারকে মাইক না বাজাতে নিষেধ করায় তারা মসজিদ কমিটি ও গাম্য মাতবরদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অসত্য অভিযোগ করেছে। 

এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি এমদাদ উল্লাহ জানান, গত ৪ সেপ্টেম্বর আবিদ মিয়ার মেয়ের বিয়েতে উচ্চশব্দে মাইক বাজাতে শুরু করলে গ্রামের অসুস্থ রোগী ও বৃদ্ধ লোকদের মধ্যে সমস্যা দেখা দেয়। গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বিকট শব্দে মাইক না বাজাতে নিষেধ করায় আবিদ মিয়া মসজিদ কমিটির লোকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। 

এর আগে বিয়েবাড়িতে বিকট শব্দে মাইক বাজানোর কারণে হৃদরোগীদের অনেক সমস্যা দেখা দেয়। এরপর থেকে গ্রামবাসী সিদ্ধান্ত নেয় বিয়েবাড়িতে বিকট শব্দে মাইক বাজানো যাবে না।

স্থানীয় চেয়ারম্যান ফারুক পাঠান বলেন, মসজিদের চাঁদা সংক্রান্ত ও মাইক বাজানোকে কেন্দ্র করে একটি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তা মীমাংসা করে দেয়ার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনুভা নাশতারান জানান, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উভয়পক্ষকে বৃহস্পতিবার সকালে তার কার্যালয়ে ডাকা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন