যুবদল নেতাকে হাতুড়ি পেটার মামলায় যুবলীগ নেতা কারাগারে
jugantor
যুবদল নেতাকে হাতুড়ি পেটার মামলায় যুবলীগ নেতা কারাগারে

  পটুয়াখালী (দ.) ও বাউফল প্রতিনিধি  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২৭:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাজী মো. গিয়াস উদ্দিনকে (৪০) বাসা থেকে ডেকে নিয়ে হাতুড়ি পেটার ঘটনায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় প্রধান আসামি কালাইয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন বাবুর্চিকে (৩৫) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার আদালতে হাজির হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিহাব উদ্দিন তাকে কারাগারে পাঠান।

এদিকে যুবলীগ নেতা শাহিন কারাগারে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয় যুবলীগের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তারা গিয়াস উদ্দিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শাহিনের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করে শাহিনকে ছাড়িয়ে আনার জন্য হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

গিয়াস উদ্দিনের অভিযোগ, কালাইয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. মিজান মোল্লার (৪২) নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল বুধবার দুপুরের দিকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যায়। তখন তারা শাহিনকে না ছাড়িয়ে আনা পর্যন্ত তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য হুমকি দেয়। তাৎক্ষণিক হুমকির ঘটনা বাউফল থানার ওসিকে মোবাইল ফোনে জানানো হয়েছে বলে জানান গিয়াস।

এ প্রসঙ্গে হুমকি প্রদানকারী মিজান মোল্লা বলেন, ‘হুমকির অভিযোগ সত্য নয়। তবে কারাগারে থাকা শাহিনকে ছাড়িয়ে আনার জন্য বলেছি।’

বাউফল থানার ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গিয়াস উদ্দিনকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুবদল নেতাকে হাতুড়ি পেটার মামলায় বলা হয়, পূর্ববিরোধের জেরে ২০১৯ সালের ২৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের প্যাদা রোড এলাকায় যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিনকে তার বাসা থেকে যুবলীগ নেতা শাহিন ডেকে নিয়ে যান। পরে যুবলীগ নেতা শাহিন ও তার লোকজন গিয়াসকে হাতুড়ি পেটা করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে চলে যায়। অচেতন অবস্থায় গিয়াসকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুস্থ হওয়ার পর একই বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি শাহিনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ ব্যক্তির নামে আদালতে মামলা করেন গিয়াস উদ্দিন।

যুবদল নেতাকে হাতুড়ি পেটার মামলায় যুবলীগ নেতা কারাগারে

 পটুয়াখালী (দ.) ও বাউফল প্রতিনিধি 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাজী মো. গিয়াস উদ্দিনকে (৪০) বাসা থেকে ডেকে নিয়ে হাতুড়ি পেটার ঘটনায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় প্রধান আসামি কালাইয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন বাবুর্চিকে (৩৫) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার আদালতে হাজির হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিহাব উদ্দিন তাকে কারাগারে পাঠান।

এদিকে যুবলীগ নেতা শাহিন কারাগারে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয় যুবলীগের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তারা গিয়াস উদ্দিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শাহিনের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করে শাহিনকে ছাড়িয়ে আনার জন্য হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

গিয়াস উদ্দিনের অভিযোগ, কালাইয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. মিজান মোল্লার (৪২) নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল বুধবার দুপুরের দিকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যায়। তখন তারা শাহিনকে না ছাড়িয়ে আনা পর্যন্ত তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য হুমকি দেয়। তাৎক্ষণিক হুমকির ঘটনা বাউফল থানার ওসিকে মোবাইল ফোনে জানানো হয়েছে বলে জানান গিয়াস।

এ প্রসঙ্গে হুমকি প্রদানকারী মিজান মোল্লা বলেন, ‘হুমকির অভিযোগ সত্য নয়। তবে কারাগারে থাকা শাহিনকে ছাড়িয়ে আনার জন্য বলেছি।’

বাউফল থানার ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গিয়াস উদ্দিনকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুবদল নেতাকে হাতুড়ি পেটার মামলায় বলা হয়, পূর্ববিরোধের জেরে ২০১৯ সালের ২৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের প্যাদা রোড এলাকায় যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিনকে তার বাসা থেকে যুবলীগ নেতা শাহিন ডেকে নিয়ে যান। পরে যুবলীগ নেতা শাহিন ও তার লোকজন গিয়াসকে হাতুড়ি পেটা করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে চলে যায়। অচেতন অবস্থায় গিয়াসকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুস্থ হওয়ার পর একই বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি শাহিনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ ব্যক্তির নামে আদালতে মামলা করেন গিয়াস উদ্দিন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন