মাছের ঘেরে বিষ, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চাষীর ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি
jugantor
মাছের ঘেরে বিষ, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চাষীর ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি

  যশোর ব্যুরো  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৩৫:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের চৌগাছায় দেড়শ’ বিঘা আয়তনের মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাতে দুর্বৃত্তরা স্বরূপদাহ ইউনিয়নের বাঘারদাড়ি বিলের ওই ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে। মঙ্গলবার বিকাল থেকে মাছ মরে ভেসে উঠতে শুরু করে।

ঘেরের মালিক জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চাষী আবুল কাশেমের দাবি, প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে ঘেরের পানিতে ভেসে উঠা ৫-৭শ' গ্রাম ওজনের মাছ কুড়িয়ে নিয়ে যায় কয়েক গ্রামের মানুষ।

ঘের মালিক আবুল কাশেম বলেন, আমি জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মৎস্যচাষী। বাঘারদাড়ি বিল ছাড়াও আমার প্রায় এক হাজার বিঘা জমিতে মাছচাষ আছে। আধুনিক পদ্ধতিতে মাছচাষ করি। এভাবে মাছ মরার ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। আমি রাসায়নিক সার কম ব্যবহার করি। প্রাকৃতিকভাবে মাছচাষ করি। এক বছর ধরে ঘেরে মাছ ধরিনি। ঘেরে শুকনো মৌসুমে ৭০ বিঘা জলকর থাকে। বর্ষায় দেড়শ’ বিঘা হয়ে যায় জলকর এলাকা। ঘেরে পানি প্রবাহিত হয়। এখানে বদ্ধ পানি নয়। ফলে প্রাকৃতিক বিষক্রিয়ার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, বাইরের বিষ প্রয়োগ না করলে রানী মাছ মারা যাওয়ার কথা নয়। ধারণা করছি কার্বাইড বা বিষ ট্যাবলেট যেটা গোডাউনে গ্যাস ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহার করা হয়- সেটি দুর্বৃত্তরা আমার ঘেরে প্রয়োগ করেছে। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকজন ঈর্ষান্বিত ছিল। তারা আমার ঘেরের জায়গা দখল করতে চায়। ঘেরে বিষ প্রয়োগে ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

চৌগাছা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম শাহজাহান সিরাজ জানান, ঘেরে একদিক থেকে পানি প্রবেশ করে অন্যদিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। পানি প্রবাহিত হওয়ায় সেখানে সাধারণত মাছ মরে ভেসে ওঠে না। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে মাছ মারা যেতে পারে।

মাছের ঘেরে বিষ, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চাষীর ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি

 যশোর ব্যুরো 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের চৌগাছায় দেড়শ’ বিঘা আয়তনের মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাতে দুর্বৃত্তরা স্বরূপদাহ ইউনিয়নের বাঘারদাড়ি বিলের ওই ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে। মঙ্গলবার বিকাল থেকে মাছ মরে ভেসে উঠতে শুরু করে।

ঘেরের মালিক জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চাষী আবুল কাশেমের দাবি, প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে ঘেরের পানিতে ভেসে উঠা ৫-৭শ' গ্রাম ওজনের মাছ কুড়িয়ে নিয়ে যায় কয়েক গ্রামের মানুষ।

ঘের মালিক আবুল কাশেম বলেন, আমি জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মৎস্যচাষী। বাঘারদাড়ি বিল ছাড়াও আমার প্রায় এক হাজার বিঘা জমিতে মাছচাষ আছে। আধুনিক পদ্ধতিতে মাছচাষ করি। এভাবে মাছ মরার ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। আমি রাসায়নিক সার কম ব্যবহার করি। প্রাকৃতিকভাবে মাছচাষ করি। এক বছর ধরে ঘেরে মাছ ধরিনি। ঘেরে শুকনো মৌসুমে ৭০ বিঘা জলকর থাকে। বর্ষায় দেড়শ’ বিঘা হয়ে যায় জলকর এলাকা। ঘেরে পানি প্রবাহিত হয়। এখানে বদ্ধ পানি নয়। ফলে প্রাকৃতিক বিষক্রিয়ার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, বাইরের বিষ প্রয়োগ না করলে রানী মাছ মারা যাওয়ার কথা নয়। ধারণা করছি কার্বাইড বা বিষ ট্যাবলেট যেটা গোডাউনে গ্যাস ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহার করা হয়- সেটি দুর্বৃত্তরা আমার ঘেরে প্রয়োগ করেছে। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকজন ঈর্ষান্বিত ছিল। তারা আমার ঘেরের জায়গা দখল করতে চায়। ঘেরে বিষ প্রয়োগে ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

চৌগাছা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম শাহজাহান সিরাজ জানান, ঘেরে একদিক থেকে পানি প্রবেশ করে অন্যদিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। পানি প্রবাহিত হওয়ায় সেখানে সাধারণত মাছ মরে ভেসে ওঠে না। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে মাছ মারা যেতে পারে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন