সাদুল্যাপুরের ইউএনওকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ দাবি
jugantor
সাদুল্যাপুরের ইউএনওকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ দাবি

  গাইবান্ধা ও সাদুল্যাপুর প্রতিনিধি  

১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৫১:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নবীনেওয়াজকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে রচনা প্রতিযোগিতায় ছাত্রশিবির নেতার হাতে পুরস্কার তুলে দেয়ার অভিযোগ এনে তাকে অপসারণের দাবি উঠে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়। দাবি পূরণ না হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দেয়া হয়।

অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের নাশকতার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য কবর খুঁড়ে রাখা নাশকতা মামলার আসামি ছাত্রশিবির নেতা মাইদুল ইসলামের হাতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ী হিসেবে ইউএনও নবীনেওয়াজ বই পুরস্কার তুলে দেন।

ইউএনও নবীনেওয়াজের এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে সাদুল্যাপুর উপজেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনগুলো। বিক্ষোভ মিছিলটি ইউএনও অফিস চত্বরসহ শহরের প্রধান সড়কগুলো ঘুরে শহীদ মিনার এসে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।

সেখানে এক প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন- উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক আকন্দ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রিপন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক এরশাফুল কবির আরিফ ও উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী সরকার।

বক্তারা সবাই আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নবীনেওয়াজকে এখান থেকে অপসারণের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাহরিয়া খান বিপ্লব বলেন, তার প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীকে দিয়ে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই।

নবীনেওয়াজ এলাকার উন্নয়নে উপজেলা পরিষদকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে কাজ করছিলেন। এ উন্নয়ন ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ প্রতিবাদ সভা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাবেক শিবির নেতা মাস্কসহ এমনভাবে মুখ ঢেকে এসেছিল তাকে চিনতে পারা যায়নি। তাই এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

এ ব্যাপারে ইউএনও নবীনেওয়াজ জানান, ওই ছেলেকে তিনি চেনেন না। তার সম্পর্কে কোনো ধারণাও নেই। কাজেই তাকে দোষারোপ করা ঠিক নয়।

সাদুল্যাপুরের ইউএনওকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ দাবি

 গাইবান্ধা ও সাদুল্যাপুর প্রতিনিধি 
১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নবীনেওয়াজকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে রচনা প্রতিযোগিতায় ছাত্রশিবির নেতার হাতে পুরস্কার তুলে দেয়ার অভিযোগ এনে তাকে অপসারণের দাবি উঠে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়। দাবি পূরণ না হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দেয়া হয়। 

অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের নাশকতার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য কবর খুঁড়ে রাখা নাশকতা মামলার আসামি ছাত্রশিবির নেতা মাইদুল ইসলামের হাতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ী হিসেবে ইউএনও নবীনেওয়াজ বই পুরস্কার তুলে দেন। 

ইউএনও নবীনেওয়াজের এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে সাদুল্যাপুর উপজেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনগুলো। বিক্ষোভ মিছিলটি ইউএনও অফিস চত্বরসহ শহরের প্রধান সড়কগুলো ঘুরে শহীদ মিনার এসে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়। 

সেখানে এক প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন- উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক আকন্দ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রিপন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক এরশাফুল কবির আরিফ ও উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী সরকার।

বক্তারা সবাই আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নবীনেওয়াজকে এখান থেকে অপসারণের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাহরিয়া খান বিপ্লব বলেন, তার প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীকে দিয়ে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই। 

নবীনেওয়াজ এলাকার উন্নয়নে উপজেলা পরিষদকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে কাজ করছিলেন। এ উন্নয়ন ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ প্রতিবাদ সভা করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, সাবেক শিবির নেতা মাস্কসহ এমনভাবে মুখ ঢেকে এসেছিল তাকে চিনতে পারা যায়নি। তাই এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

এ ব্যাপারে ইউএনও নবীনেওয়াজ জানান, ওই ছেলেকে তিনি চেনেন না। তার সম্পর্কে কোনো ধারণাও নেই। কাজেই তাকে দোষারোপ করা ঠিক নয়।

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন