মালদ্বীপ পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার
jugantor
মালদ্বীপ পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

  ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি  

১২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪:০৩:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

মালদ্বীপ পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

মালদ্বীপ পালানোর সময় চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে চাচা ফজলুল হত্যার প্রধান আসামি মহসীন হোসেনকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে আটক করে। শনিবার সকালে তাকে ফরিদগঞ্জ থানায় আনা হয়।

জানা গেছে, উপজেলার ১১নং চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউনিয়নের পূর্ব আলোনিয়া গ্রামে ফজলুর করিম ও তার ভাই জিন্নাহর সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ৩ এপ্রিল দুই পরিবারের লোকজন ঝগড়ার একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারামারিতে লিপ্ত হয়।

এরই একপর্যায়ে ভাতিজা মহসিন তার চাচা ফজলুল করিমকে ধারালো ছেনি দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। লোকজন ফজলুলকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের ভাতিজাদের না পেলেও তার ভাই জিন্নাহকে আটক করে; কিন্তু ঘটনার পরপরই মহসীন পালিয়ে যায়।

গত ৪ মাস পালিয়ে থেকে তিনি কৌশলে মালদ্বীপ পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে।

শুক্রবার মালদ্বীপে যাওয়ার জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উপস্থিত হয় মহসীন।

গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো. শহিদ হোসেন বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় মহসীনকে আটক করে। পরে শনিবার সকালে তাকে ফরিদগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আবদুর রকিব জানান, ফজলুল করিম খুনের ঘটনায় মহসীনসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

মালদ্বীপ পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

 ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি 
১২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মালদ্বীপ পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার
ছবি: যুগান্তর

মালদ্বীপ পালানোর সময় চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে চাচা ফজলুল হত্যার প্রধান আসামি মহসীন হোসেনকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে আটক করে।  শনিবার সকালে তাকে ফরিদগঞ্জ থানায় আনা হয়।

জানা গেছে, উপজেলার ১১নং চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউনিয়নের পূর্ব আলোনিয়া গ্রামে ফজলুর করিম ও তার ভাই জিন্নাহর সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ৩ এপ্রিল দুই পরিবারের লোকজন ঝগড়ার একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারামারিতে লিপ্ত হয়।

এরই একপর্যায়ে ভাতিজা মহসিন তার চাচা ফজলুল করিমকে ধারালো ছেনি দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। লোকজন ফজলুলকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের ভাতিজাদের না পেলেও তার ভাই জিন্নাহকে আটক করে; কিন্তু ঘটনার পরপরই মহসীন পালিয়ে যায়।

গত ৪ মাস পালিয়ে থেকে তিনি কৌশলে মালদ্বীপ পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে।

শুক্রবার মালদ্বীপে যাওয়ার জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উপস্থিত হয় মহসীন।

গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো. শহিদ হোসেন বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় মহসীনকে আটক করে। পরে শনিবার সকালে তাকে ফরিদগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আবদুর রকিব জানান, ফজলুল করিম খুনের ঘটনায় মহসীনসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন