স্ত্রী-সন্তানকে কুপিয়ে স্বামীর আত্মহত্যা
jugantor
স্ত্রী-সন্তানকে কুপিয়ে স্বামীর আত্মহত্যা

  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি  

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩:১০:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

পারিবারিক কলহে স্ত্রী-সন্তানকে কুপিয়ে স্বামীর আত্মহত্যা

পারিবারিক কলহের জেরে গোপালগঞ্জের সদর উপজেলায় স্ত্রী ও সন্তানকে কুপিয়ে জখম করে মনির মোল্লা (৫৫) নামে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার রাতে সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মনির মোল্লা একই এলাকার বাসিন্দা।

আহত স্ত্রী তানজিলা বেগম (৪০) ও ছেলে ইমদাদুল মোল্লাকে (২২) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে মনির মোল্লা স্ত্রী ও ছেলেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।

এর পর নিজের গলায় ধারালো অস্ত্র চালিয়ে আত্মহত্যা করেন মনির মোল্লা।

স্থানীয়রা মা ও ছেলেকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

নিহত মনিরের মরদেহ গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

স্ত্রী-সন্তানকে কুপিয়ে স্বামীর আত্মহত্যা

 গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পারিবারিক কলহে স্ত্রী-সন্তানকে কুপিয়ে স্বামীর আত্মহত্যা
ফাইল ছবি

পারিবারিক কলহের জেরে গোপালগঞ্জের সদর উপজেলায় স্ত্রী ও সন্তানকে কুপিয়ে জখম করে মনির মোল্লা (৫৫) নামে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার রাতে সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মনির মোল্লা একই এলাকার বাসিন্দা।

আহত স্ত্রী তানজিলা বেগম (৪০) ও ছেলে ইমদাদুল মোল্লাকে (২২)  খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে মনির মোল্লা স্ত্রী ও ছেলেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।
 
এর পর নিজের গলায় ধারালো অস্ত্র চালিয়ে আত্মহত্যা করেন মনির মোল্লা।

স্থানীয়রা মা ও ছেলেকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

নিহত মনিরের মরদেহ গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন