সীতাকুণ্ডে আইসিটি মামলায় প্রতারক গ্রেফতার
jugantor
সীতাকুণ্ডে আইসিটি মামলায় প্রতারক গ্রেফতার

  সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:০২:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

সীতাকূন্ড

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আইসিটি মামলায় ইব্রাহিম খলিল (৫৫) নামে এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে মডেল থানা পুলিশ। রোববার বিকালে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতারপূর্বক আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
জানা যায়, প্রতারক ইব্রাহিম খলিল সীতাকুণ্ড উপজেলায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে সাধারণ জনগণকে হয়রানি করে আসছিল। সম্প্রতি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এম হেদায়েত ও প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এম সেকান্দর হোসেন নামে দুইজনকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ভাষায় লেখালেখি শুরু করে। এ ঘটনায় এম হেদায়েত ও এম সেকান্দর হোসেন আইসিটি আইনে দুইটি মামলা দায়ের করেন।রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় পুলিশ তাকে আটক করে। পরবর্তীতে তাকে আদালতে নেয়া হলে বিজ্ঞ আদালত জেলহাজতে প্রেরণ করেন। এছাড়াও দুর্ধর্ষ ইব্রাহিম খলিল উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের অধিবাসী ইসহাকের কাছ থেকে ভূমি অফিসের কর্মচারী পরিচয় দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। কাজ না হলে টাকা ফেরত চাইলে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী ইসহাক মামলা দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে মো. ইসহাক বলেন, ইব্রাহিম খলিল ভূমি অফিসের কর্মচারী পরিচয় দিয়ে আমাকে নামজারি করে দেবে বলে ২৪ হাজার টাকা নেয়। কিন্তু দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হলেও আমার নামজারিও করে দেয়নি। বরং টাকা চাইলে পুলিশ দিয়ে হয়রানি ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
আইসিটি মামলার বাদী, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট্রের চেয়ারম্যান এম হেদায়েত বলেন, খলিল একজন দুর্ধর্ষ প্রতারক। সে একেক সময় একেক পরিচয় দিয়ে মানুষকে হয়রানি করে। তার প্রতারণায় অতিষ্ঠ সাধারণ জনগণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা বানোয়াট কথা লিখে মানুষের সম্মানহানি করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সীতাকুণ্ড থানার ওসি মো. ফিরোজ হোসেন মোল্লা বলেন, ইব্রাহিম খলিলের বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ড থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে।

সীতাকুণ্ডে আইসিটি মামলায় প্রতারক গ্রেফতার

 সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সীতাকূন্ড
ইব্রাহিম খলিল (৫৫)

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আইসিটি মামলায় ইব্রাহিম খলিল (৫৫) নামে এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে মডেল থানা পুলিশ। রোববার বিকালে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতারপূর্বক আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। 
জানা যায়, প্রতারক ইব্রাহিম খলিল সীতাকুণ্ড উপজেলায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে সাধারণ জনগণকে হয়রানি করে আসছিল। সম্প্রতি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এম হেদায়েত ও প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এম সেকান্দর হোসেন নামে দুইজনকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ভাষায় লেখালেখি শুরু করে। এ ঘটনায় এম হেদায়েত ও এম সেকান্দর হোসেন আইসিটি আইনে দুইটি মামলা দায়ের করেন।রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় পুলিশ তাকে আটক করে। পরবর্তীতে তাকে আদালতে নেয়া হলে বিজ্ঞ আদালত জেলহাজতে প্রেরণ করেন। এছাড়াও দুর্ধর্ষ ইব্রাহিম খলিল উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের অধিবাসী ইসহাকের কাছ থেকে ভূমি অফিসের কর্মচারী পরিচয় দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। কাজ না হলে টাকা ফেরত চাইলে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী ইসহাক মামলা দায়ের করেছেন। 
এ বিষয়ে মো. ইসহাক বলেন, ইব্রাহিম খলিল ভূমি অফিসের কর্মচারী পরিচয় দিয়ে আমাকে নামজারি করে দেবে বলে ২৪ হাজার টাকা নেয়। কিন্তু দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হলেও আমার নামজারিও করে দেয়নি। বরং টাকা চাইলে পুলিশ দিয়ে হয়রানি ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
আইসিটি মামলার বাদী, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট্রের চেয়ারম্যান এম হেদায়েত বলেন, খলিল একজন দুর্ধর্ষ প্রতারক। সে একেক সময় একেক পরিচয় দিয়ে মানুষকে হয়রানি করে। তার প্রতারণায় অতিষ্ঠ সাধারণ জনগণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা বানোয়াট কথা লিখে মানুষের সম্মানহানি করছে।  
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সীতাকুণ্ড থানার ওসি মো. ফিরোজ হোসেন মোল্লা বলেন, ইব্রাহিম খলিলের বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ড থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন