১৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি ইসলামী বক্তা মিজানুর রহমান কাসেমীর
jugantor
১৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি ইসলামী বক্তা মিজানুর রহমান কাসেমীর

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৫১:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নিখোঁজের ১৪ দিনেও খোঁজ পাওয়া যায়নি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদীয়মান ইসলামী বক্তা মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর। তার দ্রুত সন্ধান পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পরিবার।

সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ বাড়িতে ফেরার পথে নিখোঁজ হন তিনি। মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের শরীফপুর কান্দাপাড়া গ্রামের আবদুল ওয়াহাবের ছেলে। তিনি ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসা থেকে মুফতি এবং হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে মোফাচ্ছের কোর্স সম্পন্ন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১ সেপ্টেম্বর দুপুর আড়াইটায় স্ত্রীকে মোবাইল ফোনে মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমী জানান- চট্টগ্রাম হয়ে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসছেন। এরপর পৌনে ৫টার দিকে শওকত নামে এক বন্ধুকে মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমী ফোন করে জানান তাকে ৪ জন অপরিচিত লোক আটক করে অবান্তর কথাবার্তা বলছেন। বিষয়টি শওকত মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর স্ত্রীকে জানান।

এ ব্যাপারে পরদিন হাটহাজারী থানায় মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর আরেক বন্ধু মো. নাছির উদ্দিন একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। থানা পুলিশ তার মোবাইল ট্র্যাকিং করে দেখতে পান সিলেটে জকিগঞ্জে রতনগঞ্জ বাজার এলাকায় তার অবস্থান। পরে সেখানকার থানা পুলিশ সম্ভাব্য কয়েকটি স্পটে তল্লাশি করেও তার সন্ধান পায়নি।

এরই মধ্যে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিখোঁজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর মোবাইল নাম্বার থেকে ফোন পরিবারের কাছে ৪ লাখ টাকা দাবি করে। পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন এ ব্যাপারে তারা র্যা বের সহায়তা চেয়েও পাচ্ছেন না। নিখোঁজ মুফতির সন্ধান পেতে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনে মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমানের বৃদ্ধ পিতা আবদুল ওয়াহাব, শ্বশুর এরশাদুল হক, হাফেজ মাওলানা মো. ইদ্রিস এবং মুফতি মাওলানা এনামুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

১৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি ইসলামী বক্তা মিজানুর রহমান কাসেমীর

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নিখোঁজের ১৪ দিনেও খোঁজ পাওয়া যায়নি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদীয়মান ইসলামী বক্তা মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর। তার দ্রুত সন্ধান পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পরিবার।

সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ বাড়িতে ফেরার পথে নিখোঁজ হন তিনি। মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের শরীফপুর কান্দাপাড়া গ্রামের আবদুল ওয়াহাবের ছেলে। তিনি ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসা থেকে মুফতি এবং হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে মোফাচ্ছের কোর্স সম্পন্ন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১ সেপ্টেম্বর দুপুর আড়াইটায় স্ত্রীকে মোবাইল ফোনে মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমী জানান- চট্টগ্রাম হয়ে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসছেন। এরপর পৌনে ৫টার দিকে শওকত নামে এক বন্ধুকে মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমী ফোন করে জানান তাকে ৪ জন অপরিচিত লোক আটক করে অবান্তর কথাবার্তা বলছেন। বিষয়টি শওকত মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর স্ত্রীকে জানান।

এ ব্যাপারে পরদিন হাটহাজারী থানায় মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর আরেক বন্ধু মো. নাছির উদ্দিন একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। থানা পুলিশ তার মোবাইল ট্র্যাকিং করে দেখতে পান সিলেটে জকিগঞ্জে রতনগঞ্জ বাজার এলাকায় তার অবস্থান। পরে সেখানকার থানা পুলিশ সম্ভাব্য কয়েকটি স্পটে তল্লাশি করেও তার সন্ধান পায়নি।

এরই মধ্যে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিখোঁজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর মোবাইল নাম্বার থেকে ফোন পরিবারের কাছে ৪ লাখ টাকা দাবি করে। পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন এ ব্যাপারে তারা র্যা বের সহায়তা চেয়েও পাচ্ছেন না। নিখোঁজ মুফতির সন্ধান পেতে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনে মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমানের বৃদ্ধ পিতা আবদুল ওয়াহাব, শ্বশুর এরশাদুল হক, হাফেজ মাওলানা মো. ইদ্রিস এবং মুফতি মাওলানা এনামুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন