যশোরে ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা
jugantor
যশোরে ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা

  যশোর ব্যুরো  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:১৭:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুলের বিরুদ্ধে আদালত সমন জারি করেছেন। সোমবার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলি) কেশবপুর, যশোর আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

এদিন কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী আযহারুল ইসলাম মানিক আদালতে ৫০ কোটি টাকার মানহানির একটি পিটিশন দাখিল করেন। পিটিশনে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, যশোর অফিসের দুই সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম ও মাসুদ আলমকে আসামি করা হলেও আদালত তা আমলে নেননি।

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে ‘হত্যা পরিকল্পনার’ অভিযোগ সম্বলিত একটি সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী আযহারুল ইসলাম মানিক এ পিটিশন দাখিল করেন।

পিটিশিনে তিনি দাবি করেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর একটি দৈনিকে এমপির বিরুদ্ধে ‘হত্যা পরিকল্পনার’ অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় তারা বিস্মিত, মর্মাহত এবং বিক্ষুব্ধ হয়েছেন। মামলার ১নং আসামি আনোয়ার হোসেন বিপুল সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে যশোর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিক সম্মেলন করে যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা পরিকল্পনার অভিযোগ উত্থাপন করেন।

সেখানে বলা হয়- কাঁঠালতলার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে বসে তাকে (বিপুল) হত্যার পরিকল্পনাসহ তার (এমপি) নির্দেশে ক্যাডাররা বিপুলের নামে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।

পিটিশনে আরও বলা হয়, এসব মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে শাহীন চাকলাদারের মতো একজন জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সৎ, যোগ্য, ত্যাগী নেতার সুনাম ও সুখ্যাতি বিনষ্ট করেছেন আসামিরা পরস্পর যোগসাজশ করে। এ কারণে সংসদ সদস্য ও বাদীর সম্মানহানিতে ৫০ কোটি টাকা ক্ষতি হওয়ায় তিনি এ মামলা করেছেন। এ মামলায় আসামি করা হয় মোট চারজনকে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম পিন্টু জানান, আদালত আনোয়ার হোসেন বিপুলের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। বাকি তিন আসামিকে আমলে নেননি। আদালতের পরবর্তী ধার্যদিন ৭ অক্টোবর।

প্রসঙ্গত, গত ৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে যশোর প্রেস ক্লাবে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল সংবাদ সম্মেলন করেন। সেই সংবাদ সম্মেলনে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে ‘হত্যা পরিকল্পনার’ অভিযোগ আনেন। সংবাদ সম্মেলনের ওই প্রতিবেদন দেশের বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল ও স্থানীয়সহ জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

যশোরে ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা

 যশোর ব্যুরো 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুলের বিরুদ্ধে আদালত সমন জারি করেছেন। সোমবার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলি) কেশবপুর, যশোর আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

এদিন কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী আযহারুল ইসলাম মানিক আদালতে ৫০ কোটি টাকার মানহানির একটি পিটিশন দাখিল করেন। পিটিশনে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, যশোর অফিসের দুই সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম ও মাসুদ আলমকে আসামি করা হলেও আদালত তা আমলে নেননি।

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে ‘হত্যা পরিকল্পনার’ অভিযোগ সম্বলিত একটি সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী আযহারুল ইসলাম মানিক এ পিটিশন দাখিল করেন।

পিটিশিনে তিনি দাবি করেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর একটি দৈনিকে এমপির বিরুদ্ধে ‘হত্যা পরিকল্পনার’ অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় তারা বিস্মিত, মর্মাহত এবং বিক্ষুব্ধ হয়েছেন। মামলার ১নং আসামি আনোয়ার হোসেন বিপুল সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে যশোর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিক সম্মেলন করে যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা পরিকল্পনার অভিযোগ উত্থাপন করেন।

সেখানে বলা হয়- কাঁঠালতলার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে বসে তাকে (বিপুল) হত্যার পরিকল্পনাসহ তার (এমপি) নির্দেশে ক্যাডাররা বিপুলের নামে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।

পিটিশনে আরও বলা হয়, এসব মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে শাহীন চাকলাদারের মতো একজন জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সৎ, যোগ্য, ত্যাগী নেতার সুনাম ও সুখ্যাতি বিনষ্ট করেছেন আসামিরা পরস্পর যোগসাজশ করে। এ কারণে সংসদ সদস্য ও বাদীর সম্মানহানিতে ৫০ কোটি টাকা ক্ষতি হওয়ায় তিনি এ মামলা করেছেন। এ মামলায় আসামি করা হয় মোট চারজনকে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম পিন্টু জানান, আদালত আনোয়ার হোসেন বিপুলের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। বাকি তিন আসামিকে আমলে নেননি। আদালতের পরবর্তী ধার্যদিন ৭ অক্টোবর।

প্রসঙ্গত, গত ৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে যশোর প্রেস ক্লাবে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল সংবাদ সম্মেলন করেন। সেই সংবাদ সম্মেলনে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে ‘হত্যা পরিকল্পনার’ অভিযোগ আনেন। সংবাদ সম্মেলনের ওই প্রতিবেদন দেশের বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল ও  স্থানীয়সহ জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন