এমবিবিএস পাস না করেও নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ তিনি
jugantor
এমবিবিএস পাস না করেও নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ তিনি

  বগুড়া ব্যুরো  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২২:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

তানভীর হাসান কখনও এমবিবিএস পাস করেননি। এরপরও তিনি নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ পরিচয়ে গত তিন বছর চিকিৎসা দিচ্ছেন। শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়মিত রোগীও দেখেন।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত রোববার রাতে তাকে শহরের জামিলনগর এলাকার নিজের চেম্বার থেকে গ্রেফতার করেন। পরে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, তানভীর হাসানের বাড়ি ঢাকায়। তিনি নিজেকে নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে বগুড়া শহরের জামিলনগর এলাকায় বিয়ে করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন ক্লিনিকের চেম্বারে বসে রোগী দেখে আসছেন। তিনি নিজেকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের সাবেক মেডিকেল অফিসার হিসেবে পরিচয় দিতেন। শহরের জামিলনগর এলাকায় তাহসিনা ফার্মেসি খুলে সেখানে রোগী দেখা শুরু করেন।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আফজাল রাজন রোববার রাতে তার চেম্বারে অভিযান চালান। তানভীর হাসান আদালতের কাছে তার চিকিৎসা সনদপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। অপরাধ স্বীকার করায় আদালত তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন।

আদালত সূত্র আরও জানায়, তানভীর হাসান এর আগে দুপচাঁচিয়া উপজেলায় চিকিৎসা করেছেন। সেখানে ধরা পড়লে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে মুচলেকা দিয়ে রেহাই পান।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আফজাল রাজন জানান, তানভীর হাসান ভুয়া ডিগ্রি ও কাগজপত্র ব্যবহার করে চিকিৎসা দেয়ার কথা স্বীকার করায় তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এমবিবিএস পাস না করেও নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ তিনি

 বগুড়া ব্যুরো 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তানভীর হাসান কখনও এমবিবিএস পাস করেননি। এরপরও তিনি নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ পরিচয়ে গত তিন বছর চিকিৎসা দিচ্ছেন। শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়মিত রোগীও দেখেন।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত রোববার রাতে তাকে শহরের জামিলনগর এলাকার নিজের চেম্বার থেকে গ্রেফতার করেন। পরে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, তানভীর হাসানের বাড়ি ঢাকায়। তিনি নিজেকে নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে বগুড়া শহরের জামিলনগর এলাকায় বিয়ে করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন ক্লিনিকের চেম্বারে বসে রোগী দেখে আসছেন। তিনি নিজেকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের সাবেক মেডিকেল অফিসার হিসেবে পরিচয় দিতেন। শহরের জামিলনগর এলাকায় তাহসিনা ফার্মেসি খুলে সেখানে রোগী দেখা শুরু করেন।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আফজাল রাজন রোববার রাতে তার চেম্বারে অভিযান চালান। তানভীর হাসান আদালতের কাছে তার চিকিৎসা সনদপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। অপরাধ স্বীকার করায় আদালত তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন।

আদালত সূত্র আরও জানায়, তানভীর হাসান এর আগে দুপচাঁচিয়া উপজেলায় চিকিৎসা করেছেন। সেখানে ধরা পড়লে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে মুচলেকা দিয়ে রেহাই পান।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আফজাল রাজন জানান, তানভীর হাসান ভুয়া ডিগ্রি ও কাগজপত্র ব্যবহার করে চিকিৎসা দেয়ার কথা স্বীকার করায় তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন