কিস্তির চাপে নিজের গলা কেটে ফেললেন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি
jugantor
কিস্তির চাপে নিজের গলা কেটে ফেললেন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি

  বগুড়া ব্যুরো  

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:১৩:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় সরকারি নির্দেশ অমান্য করে করোনাকালে এনজিওগুলো ঋণের কিস্তি আদায় অব্যাহত রেখেছে। মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলে আসা কিস্তি আদায়কারীদের দেখে অনেক ঋণগ্রহীতা বাড়ি থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন। কিস্তি দিতে না পারায় এনজিও কর্মীরা নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। প্রতিদিনই তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শাজাহানপুর উপজেলায় ঋণের কিস্তির টাকা পরিশোধের চাপে বেলাল হোসেন (২৬) নামে এক ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ইলেকট্রিক শান মেশিন দিয়ে গলা কেটে ফেলেন। এর আগে তিনি বিষপান করেন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চুপিনগর দক্ষিণ-মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিকালে হাসপাতালে মারা গেছেন তিনি।

চুপিনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাফফর রহমান ও স্বজনরা জানান, পেশায় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি বেলাল হোসেন শাজাহানপুর উপজেলার চুপিনগর দক্ষিণ-মধ্যপাড়া গ্রামের কৃষক লুৎফর রহমানের ছেলে। সংসারের প্রয়োজনে তিনি ফোকাস, আশা, এসকেএফ ও সাজেদা ফাউন্ডেশন নামে এনজিওর কাছ থেকে মোটা অংকের ঋণ নেন। মঙ্গলবার তার দুই হাজার টাকা কিস্তি পরিশোধের দিন ছিল। কিস্তি আদায়কারীর চাপের মুখে তিনি টাকার জন্য বিভিন্নজনের কাছে ধরনা দিয়ে ব্যর্থ হন। অপমান সহ্য করতে না পেরে দুপুরে বাড়িতে ফিরে কীটনাশক পান করেন। এরপর ইলেকট্রিক শান মেশিন দিয়ে গলায় আঘাত করলে কেটে যায়।

পরিবারের সদস্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মারা যান। খবর পেয়ে শাজাহানপুর থানার এসআই আলমগীর লাশ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠান।

শাজাহানপুর থানার ওসি আজিম উদ্দিন জানান, এক ব্যক্তির আত্মহত্যার কথা শুনেছেন কিন্তু কারণ জানা যায়নি। মামলা করলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কিস্তির চাপে নিজের গলা কেটে ফেললেন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি

 বগুড়া ব্যুরো 
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় সরকারি নির্দেশ অমান্য করে করোনাকালে এনজিওগুলো ঋণের কিস্তি আদায় অব্যাহত রেখেছে। মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলে আসা কিস্তি আদায়কারীদের দেখে অনেক ঋণগ্রহীতা বাড়ি থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন। কিস্তি দিতে না পারায় এনজিও কর্মীরা নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। প্রতিদিনই তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শাজাহানপুর উপজেলায় ঋণের কিস্তির টাকা পরিশোধের চাপে বেলাল হোসেন (২৬) নামে এক ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ইলেকট্রিক শান মেশিন দিয়ে গলা কেটে ফেলেন। এর আগে তিনি বিষপান করেন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চুপিনগর দক্ষিণ-মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিকালে হাসপাতালে মারা গেছেন তিনি।

চুপিনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাফফর রহমান ও স্বজনরা জানান, পেশায় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি বেলাল হোসেন শাজাহানপুর উপজেলার চুপিনগর দক্ষিণ-মধ্যপাড়া গ্রামের কৃষক লুৎফর রহমানের ছেলে। সংসারের প্রয়োজনে তিনি ফোকাস, আশা, এসকেএফ ও সাজেদা ফাউন্ডেশন নামে এনজিওর কাছ থেকে মোটা অংকের ঋণ নেন। মঙ্গলবার তার দুই হাজার টাকা কিস্তি পরিশোধের দিন ছিল। কিস্তি আদায়কারীর চাপের মুখে তিনি টাকার জন্য বিভিন্নজনের কাছে ধরনা দিয়ে ব্যর্থ হন। অপমান সহ্য করতে না পেরে দুপুরে বাড়িতে ফিরে কীটনাশক পান করেন। এরপর ইলেকট্রিক শান মেশিন দিয়ে গলায় আঘাত করলে কেটে যায়।

পরিবারের সদস্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মারা যান। খবর পেয়ে শাজাহানপুর থানার এসআই  আলমগীর লাশ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠান।

শাজাহানপুর থানার ওসি আজিম উদ্দিন জানান, এক ব্যক্তির আত্মহত্যার কথা শুনেছেন কিন্তু কারণ জানা যায়নি। মামলা করলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন