রিমান্ড শেষে রবিউল ইসলামকে আদালতে নেয়া হবে বৃহস্পতিবার
jugantor
ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা
রিমান্ড শেষে রবিউল ইসলামকে আদালতে নেয়া হবে বৃহস্পতিবার

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:০১:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

রিমান্ড শেষে রবিউল ইসলামকে আদালতে নেয়া হবে বৃহস্পতিবার
ফাইল ছবি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম ও তার পিতা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের ওপর হামলা মামলায় অফিসের সাময়িক বরখাস্তকৃত কর্মচারী (মালি) রবিউল ইসলামকে রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হবে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ৫ আসামির মধ্যে তাকেই সর্বশেষে গ্রেফতার করা হয়।

তবে আদালতে রবিউলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেয়া হবে কিনা, অথবা তাকে আবার রিমান্ডে নেয়া হবে কিনা, বুধবার বিকাল পর্যন্ত তা নিশ্চিত করতে পারেননি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ওসি ইমাম জাফর।

বুধবার বিকাল ৫টায় ইমাম জাফর জানান, সাত দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার আসামি রবিউল ইসলামকে আদালতে নেয়া হবে।

আদালতে তার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেয়া হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা এখন তো বলা যাচ্ছে না, দেখি আগে।

তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার আমরা তাকে আদালতে হাজির করব, তারপর ডিসিশন হবে কী করব। বুধবার আমাদের শেষ দিন, তাই কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি।

তবে ওই কর্মকর্তা জানান, আদালতে এ পর্যন্ত ৩ জন সাক্ষীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। যাদের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে সরকারি বাসভবনে ঢুকে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম ও তার পিতা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে নির্মমভাবে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ইউএনও ওয়াহিদা খানমের বড়ভাই শেখ ফরিদ উদ্দীন বাদী হয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে ঘোড়াঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি ইতোমধ্যেই ঘোড়াঘাট থানা থেকে স্থানান্তর করে দিনাজপুর ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয় দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ওসি ইমাম জাফরকে।

এ মামলায় এ পর্যন্ত পাঁচজন আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়েছে দিনাজপুর ডিবি পুলিশ। এরা হল- ঘোড়াঘাটের বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা আসাদুল ইসলাম, রংমিস্ত্রি নবীরুল ইসলাম, সান্টু কুমার দাস, ইউএনওর বাসভবনের নৈশ্যপ্রহরী নাদিম হোসেন পলাশ ও ইউএনও অফিসের সাময়িক বরখাস্তকৃত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (মালি) রবিউল ইসলাম।

এদের মধ্যে আসাদুল ইসলাম, নবীরুল ইসলাম ও সান্টু কুমার দাসকে সাত দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নতুন কোনো আবেদন না থাকায় আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করে। মামলার আরেক আসামি নাদিম হোসেন পলাশকে রিমান্ডে না নিয়েই আদালতে সোপর্দ করা হয়।

ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা

রিমান্ড শেষে রবিউল ইসলামকে আদালতে নেয়া হবে বৃহস্পতিবার

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রিমান্ড শেষে রবিউল ইসলামকে আদালতে নেয়া হবে বৃহস্পতিবার
ফাইল ছবি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম ও তার পিতা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের ওপর হামলা মামলায় অফিসের সাময়িক বরখাস্তকৃত কর্মচারী (মালি) রবিউল ইসলামকে রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হবে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ৫ আসামির মধ্যে তাকেই সর্বশেষে গ্রেফতার করা হয়।

তবে আদালতে রবিউলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেয়া হবে কিনা, অথবা তাকে আবার রিমান্ডে নেয়া হবে কিনা, বুধবার বিকাল পর্যন্ত তা নিশ্চিত করতে পারেননি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ওসি ইমাম জাফর।

বুধবার বিকাল ৫টায় ইমাম জাফর জানান, সাত দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার আসামি রবিউল ইসলামকে আদালতে নেয়া হবে।

আদালতে তার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেয়া হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা এখন তো বলা যাচ্ছে না, দেখি আগে।

তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার আমরা তাকে আদালতে হাজির করব, তারপর ডিসিশন হবে কী করব। বুধবার আমাদের শেষ দিন, তাই কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি।

তবে ওই কর্মকর্তা জানান, আদালতে এ পর্যন্ত ৩ জন সাক্ষীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। যাদের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে সরকারি বাসভবনে ঢুকে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম ও তার পিতা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে নির্মমভাবে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ইউএনও ওয়াহিদা খানমের বড়ভাই শেখ ফরিদ উদ্দীন বাদী হয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে ঘোড়াঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি ইতোমধ্যেই ঘোড়াঘাট থানা থেকে স্থানান্তর করে দিনাজপুর ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয় দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ওসি ইমাম জাফরকে।

এ মামলায় এ পর্যন্ত পাঁচজন আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়েছে দিনাজপুর ডিবি পুলিশ। এরা হল- ঘোড়াঘাটের বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা আসাদুল ইসলাম, রংমিস্ত্রি নবীরুল ইসলাম, সান্টু কুমার দাস, ইউএনওর বাসভবনের নৈশ্যপ্রহরী নাদিম হোসেন পলাশ ও ইউএনও অফিসের সাময়িক বরখাস্তকৃত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (মালি) রবিউল ইসলাম।

এদের মধ্যে আসাদুল ইসলাম, নবীরুল ইসলাম ও সান্টু কুমার দাসকে সাত দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নতুন কোনো আবেদন না থাকায় আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করে। মামলার আরেক আসামি নাদিম হোসেন পলাশকে রিমান্ডে না নিয়েই আদালতে সোপর্দ করা হয়।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন