দিনভর অপেক্ষার পরও এলো না ২৫০ ট্রাক ভারতীয় পেঁয়াজ
jugantor
দিনভর অপেক্ষার পরও এলো না ২৫০ ট্রাক ভারতীয় পেঁয়াজ

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৩১:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে দিনভর অপেক্ষা করেও প্রবেশ করেনি ভারতে আটকে পড়া পেঁয়াজবাহী ২৫০টি ট্রাক।

বাংলাদেশি আমদানিকারকদের আগের এলসির বিপরীতে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এসব পেঁয়াজ বুধবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের কথা ছিল।

কিন্তু আমদানিকারকরা বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও পেঁয়াজবাহী কোনো ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি। তবে অন্যান্য পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করেছে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ জানান, অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে গত সোমবার ভারত সরকার হঠাৎ করেই পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এতে পেঁয়াজবাহী ২৫০টি ট্রাক ভারতের বাংলা-হিলি স্থলবন্দরে আটকা পড়ে যায়।

এলসির বিপরীতে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এসব পেঁয়াজ বুধবার বাংলাদেশে আসতে পারে বলে জানিয়েছিলেন ভারতের রফতানিকারকরা। সেই মোতাবেক আমদানিকারকরা প্রস্তুতি নিয়ে ছিলেন। কিন্তু দিনভর অপেক্ষা করেও আটকে পড়া সেসব পেঁয়াজ বাংলাদেশে আসেনি।

তিনি জানান, এ বিষয়ে ভারতের রফতানিকারকরা তাদের জানিয়েছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না পাওয়ায় তা পাঠানো সম্ভব হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার সেসব পেঁয়াজ আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

হারুন-উর রশিদ জানান, ভারত থেকে আমদানির জন্য ১০ হাজার টন পেঁয়াজের বিপরীতে এলসি করা ছিল হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকদের।

ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়ার ব্যাপারে তিনি জানান, আমরা শুধু ভারতের ওপর নির্ভরশীল নই। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য এলসি খোলা হচ্ছে। তাই পেঁয়াজ নিয়ে সংকট হবে না।

উল্লেখ্য, ভারত সরকার হঠাৎ করেই গত সোমবার থেকে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়। ফলে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। এতে বাজারে হু-হু করে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম।

দিনভর অপেক্ষার পরও এলো না ২৫০ ট্রাক ভারতীয় পেঁয়াজ

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে দিনভর অপেক্ষা করেও প্রবেশ করেনি ভারতে আটকে পড়া পেঁয়াজবাহী ২৫০টি ট্রাক। 

বাংলাদেশি আমদানিকারকদের আগের এলসির বিপরীতে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এসব পেঁয়াজ বুধবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের কথা ছিল। 

কিন্তু আমদানিকারকরা বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও পেঁয়াজবাহী কোনো ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি। তবে অন্যান্য পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করেছে। 

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ জানান, অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে গত সোমবার ভারত সরকার হঠাৎ করেই পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এতে পেঁয়াজবাহী ২৫০টি ট্রাক ভারতের বাংলা-হিলি স্থলবন্দরে আটকা পড়ে যায়। 

এলসির বিপরীতে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এসব পেঁয়াজ বুধবার বাংলাদেশে আসতে পারে বলে জানিয়েছিলেন ভারতের রফতানিকারকরা। সেই মোতাবেক আমদানিকারকরা প্রস্তুতি নিয়ে ছিলেন। কিন্তু দিনভর অপেক্ষা করেও আটকে পড়া সেসব পেঁয়াজ বাংলাদেশে আসেনি।

তিনি জানান, এ বিষয়ে ভারতের রফতানিকারকরা তাদের জানিয়েছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না পাওয়ায় তা পাঠানো সম্ভব হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার সেসব পেঁয়াজ আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

হারুন-উর রশিদ জানান, ভারত থেকে আমদানির জন্য ১০ হাজার টন পেঁয়াজের বিপরীতে এলসি করা ছিল হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকদের। 

ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়ার ব্যাপারে তিনি জানান, আমরা শুধু ভারতের ওপর নির্ভরশীল নই। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য এলসি খোলা হচ্ছে। তাই পেঁয়াজ নিয়ে সংকট হবে না। 

উল্লেখ্য, ভারত সরকার হঠাৎ করেই গত সোমবার থেকে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়। ফলে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। এতে বাজারে হু-হু করে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম।

 

ঘটনাপ্রবাহ : পেঁয়াজের বাজার আবারও অস্থির

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন