শিবপুরে আহত কুলসুমের মৃত্যু
jugantor
শিবপুরে আহত কুলসুমের মৃত্যু

  নরসিংদী প্রতিনিধি  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:০৯:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

নরসিংদী

নরসিংদীর শিবপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও বাড়িওয়ালাসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আহত বাড়িওয়ালার মেয়ে কুলসুম মারা গেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার কুলসুম মারা যায়।

পুলিশ জানিয়েছেন, কাঠমিস্ত্রি স্বামী বাদল মিয়া শিবপুরের কুমড়াদি গ্রামে তাজুল মিয়ার বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জের ধরে স্ত্রী নাজমা বেগমের সঙ্গে মনোমালিন্য চলে আসছিল। এর জেরে ধরে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকত। এরই মধ্যে রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নিহত নাজমার ঘর থেকে হৈ-চৈ শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। শব্দ পেয়ে বাড়িওয়ালা তাজুল ইসলাম,তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও নিহত নাজমা বেগমের ছেলে নাদিমসহ আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। এ সময় তারা বাদল মিয়াকে থামানোর চেষ্টা করেন। এতে সে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়িওয়ালা ও উপস্থিত লোকজনকে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে। এ সময় ৫ জন আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে আনার পর নাজমা ও মনোয়ারা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। অবস্থার অবনতি হলে তাজুল ইসলাম, তার মেয়ে কুলসুম ও নিহত নাজমার ছেলে সোহাগকে ঢাকায় প্রেরণ করেন। পরে ঢাকায় নেওয়ার পথে ওই দিনই তাজুল মারা যান।

শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত আবুল কালাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে অভিযুক্ত বাদল মিয়াও নরসিংদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

শিবপুরে আহত কুলসুমের মৃত্যু

 নরসিংদী প্রতিনিধি 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নরসিংদী
শিবপুর

নরসিংদীর শিবপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও বাড়িওয়ালাসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আহত বাড়িওয়ালার মেয়ে কুলসুম মারা গেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার কুলসুম মারা যায়। 

পুলিশ জানিয়েছেন, কাঠমিস্ত্রি স্বামী বাদল মিয়া শিবপুরের কুমড়াদি গ্রামে তাজুল মিয়ার বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জের ধরে স্ত্রী নাজমা বেগমের সঙ্গে মনোমালিন্য চলে আসছিল। এর জেরে ধরে  প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকত। এরই মধ্যে রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নিহত নাজমার ঘর থেকে হৈ-চৈ শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। শব্দ পেয়ে বাড়িওয়ালা তাজুল ইসলাম,তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও নিহত নাজমা বেগমের ছেলে নাদিমসহ  আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। এ সময় তারা বাদল মিয়াকে থামানোর চেষ্টা করেন। এতে সে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়িওয়ালা ও উপস্থিত লোকজনকে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে। এ সময় ৫ জন আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে আনার পর নাজমা ও মনোয়ারা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। অবস্থার অবনতি হলে তাজুল ইসলাম, তার মেয়ে কুলসুম ও নিহত নাজমার ছেলে সোহাগকে ঢাকায় প্রেরণ করেন। পরে ঢাকায় নেওয়ার পথে ওই দিনই তাজুল মারা যান।

শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত আবুল কালাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে অভিযুক্ত বাদল মিয়াও নরসিংদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন