বেড়া ঘেঁষে মিয়ানমার সেনাদের আসা-যাওয়া, আতঙ্কে কৃষক
jugantor
বেড়া ঘেঁষে মিয়ানমার সেনাদের আসা-যাওয়া, আতঙ্কে কৃষক

  শফিক আজাদ, সীমান্ত এলাকা থেকে ফিরে   

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:৫৩:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

‘কাঁটাতারের বেড়া ঘেঁষে আমার জমি৷ উক্ত জমিতে শাক-সবজিসহ নানান ধরনের চাষাবাদ করে ছেলেমেয়ে, স্ত্রী, পরিবার-পরিজন নিয়ে কোনোরকম জীবন জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। গত কয়েক দিন ধরে কাঁটাতারের বেড়ার পাশ দিয়ে অতিরিক্ত মিয়ানমার সেনা সদস্যরা আসা-যাওয়া করার কারণে আমাদের মনে ভয় ঢুকে গেছে। তারপরও কী করব পেটের কারণে ভয় এবং আতঙ্কের মাঝে কাজ করতে হচ্ছে সীমান্তে।’

বৃহস্পতিবার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু বাইশপাঁড়ি এলাকার বাসিন্দা আবদুর রহিম এভাবে জানালেন সীমান্তের পরিস্থিতি সম্পর্কে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তে বেশি উত্তেজনা বিরাজ করলে ঘরের মধ্যে অবস্থান নেই, নয়তো গ্রাম ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাই।

এদিকে সরেজমিন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করে জানা যায়, গত চারদিন ধরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে হঠাৎ করে অতিরিক্ত সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি) মোতায়েন করেছে মিয়ানমার। এতে স্থানীয়দের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।

বিশেষ করে নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু-বাইশফাঁড়ি সীমান্ত এলাকাজুড়ে স্থাপন করেছে বাঙ্কার ও নিরাপত্তার নামে অসংখ্য চৌকি। এ নিয়ে স্থানীয়দের ভাবিয়ে তুলেছে।

কক্সবাজার-৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ জানান, সীমান্ত এলাকাজুড়ে অতিরিক্ত মিয়ানমারের বিজিপির সদস্যদের অবস্থান সম্পর্কে অবগত রয়েছি। এ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই, সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবি সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মুখে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এসব রোহিঙ্গা কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছে।

বেড়া ঘেঁষে মিয়ানমার সেনাদের আসা-যাওয়া, আতঙ্কে কৃষক

 শফিক আজাদ, সীমান্ত এলাকা থেকে ফিরে  
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

‘কাঁটাতারের বেড়া ঘেঁষে আমার জমি৷ উক্ত জমিতে শাক-সবজিসহ নানান ধরনের চাষাবাদ করে ছেলেমেয়ে, স্ত্রী, পরিবার-পরিজন নিয়ে কোনোরকম জীবন জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। গত কয়েক দিন ধরে কাঁটাতারের বেড়ার পাশ দিয়ে অতিরিক্ত মিয়ানমার সেনা সদস্যরা আসা-যাওয়া করার কারণে আমাদের মনে ভয় ঢুকে গেছে। তারপরও কী করব পেটের কারণে ভয় এবং আতঙ্কের মাঝে কাজ করতে হচ্ছে সীমান্তে।’

বৃহস্পতিবার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু বাইশপাঁড়ি এলাকার বাসিন্দা আবদুর রহিম এভাবে জানালেন সীমান্তের পরিস্থিতি সম্পর্কে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তে বেশি উত্তেজনা বিরাজ করলে ঘরের মধ্যে অবস্থান নেই, নয়তো গ্রাম ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাই।

এদিকে সরেজমিন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করে জানা যায়, গত চারদিন ধরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে হঠাৎ করে অতিরিক্ত সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি) মোতায়েন করেছে মিয়ানমার। এতে স্থানীয়দের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।

বিশেষ করে নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু-বাইশফাঁড়ি সীমান্ত এলাকাজুড়ে স্থাপন করেছে বাঙ্কার ও নিরাপত্তার নামে অসংখ্য চৌকি। এ নিয়ে স্থানীয়দের ভাবিয়ে তুলেছে। 

কক্সবাজার-৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ জানান, সীমান্ত এলাকাজুড়ে অতিরিক্ত মিয়ানমারের বিজিপির সদস্যদের অবস্থান সম্পর্কে অবগত রয়েছি। এ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই, সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবি সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মুখে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এসব রোহিঙ্গা কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন