নিখোঁজের এক মাস পর হত্যা মামলার আসামির লাশ উদ্ধার
jugantor
নিখোঁজের এক মাস পর হত্যা মামলার আসামির লাশ উদ্ধার

  বগুড়া ব্যুরো  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:২৭:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়া

হত্যা মামলায় বগুড়ায় আদালতে হাজিরা দেয়ার পর এক মাস ধরে নিখোঁজ আকমল হোসেনের (৩২) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার হাটকড়ই বাজার এলাকা থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, মামলার বাদী পক্ষের লোকজন তাকে অপহরণের পর সেখানে নিয়ে হত্যা করেছে। নন্দীগ্রাম থানার ওসি শওকত কবির জানান, মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ থাকায় লাশের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, নিহত আকমল হোসেন বগুড়া সদরের এরুলিয়া ইউনিয়নের বানদীঘি পূর্বপাড়ার মৃত মকবুল সরদারের ছেলে। ২০১৭ সালে ওই গ্রামে ওয়াহেদ আলী নামে এক ব্যক্তি খুন হন। আকমল ওই ঘটনায় করা হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি। ঘটনার পর তিনি গ্রাম ছেড়ে পরিবার নিয়ে বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া এলাকায় বসবাস করতেন। আকমল হোসেন ১৭ আগস্ট দুপুরে বগুড়া জজ কোর্টে ওই হত্যা মামলায় হাজিরা দেন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ করে তার সন্ধান পাননি। মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোথায় তা বলেননি। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে নন্দীগ্রাম উপজেলার হাটকড়ই বাজার এলাকায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহতের আত্মীয় আপেল মাহমুদ বলেন, আকমলের হাটকড়ই বাজারে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি দাবি করেন, ওয়াহেদ হত্যা মামলার বাদীপক্ষের লোকজন তাকে অপহরণ করে নন্দীগ্রামে নিয়ে হত্যা করেছে। তার ঘাড়ে ও দুই পাঁজরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

স্ত্রী রিমা আকতার দাবি করেন, তার স্বামীর সাথে একই গ্রামে হিরু ও সোহাগের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তাদের মধ্যে হত্যা ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের পাল্টাপাল্টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, হিরু ও সোহাগ মামলা আপসের নামে তাকে আদালত এলাকা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর নন্দীগ্রামে নিয়ে হত্যা করেছে।

নন্দীগ্রাম থানার ওসি শওকত কবির জানান, রিপোর্ট পেলে এটি হত্যা না স্বাভাবিক মৃত্যু সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে। শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত এ ব্যাপারে মামলা হয়নি।

নিখোঁজের এক মাস পর হত্যা মামলার আসামির লাশ উদ্ধার

 বগুড়া ব্যুরো 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বগুড়া
বগুড়া

হত্যা মামলায় বগুড়ায় আদালতে হাজিরা দেয়ার পর এক মাস ধরে নিখোঁজ আকমল হোসেনের (৩২) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার রাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার হাটকড়ই বাজার এলাকা থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, মামলার বাদী পক্ষের লোকজন তাকে অপহরণের পর সেখানে নিয়ে হত্যা করেছে। নন্দীগ্রাম থানার ওসি শওকত কবির জানান, মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ থাকায় লাশের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, নিহত আকমল হোসেন বগুড়া সদরের এরুলিয়া ইউনিয়নের বানদীঘি পূর্বপাড়ার মৃত মকবুল সরদারের ছেলে। ২০১৭ সালে ওই গ্রামে ওয়াহেদ আলী নামে এক ব্যক্তি খুন হন। আকমল ওই ঘটনায় করা হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি। ঘটনার পর তিনি গ্রাম ছেড়ে পরিবার নিয়ে বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া এলাকায় বসবাস করতেন। আকমল হোসেন ১৭ আগস্ট দুপুরে বগুড়া জজ কোর্টে ওই হত্যা মামলায় হাজিরা দেন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ করে তার সন্ধান পাননি। মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোথায় তা বলেননি। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে নন্দীগ্রাম উপজেলার হাটকড়ই বাজার এলাকায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহতের আত্মীয় আপেল মাহমুদ বলেন, আকমলের হাটকড়ই বাজারে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি দাবি করেন, ওয়াহেদ হত্যা মামলার বাদীপক্ষের লোকজন তাকে অপহরণ করে নন্দীগ্রামে নিয়ে হত্যা করেছে। তার ঘাড়ে ও দুই পাঁজরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

স্ত্রী রিমা আকতার দাবি করেন, তার স্বামীর সাথে একই গ্রামে হিরু ও সোহাগের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তাদের মধ্যে হত্যা ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের পাল্টাপাল্টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, হিরু ও সোহাগ মামলা আপসের নামে তাকে আদালত এলাকা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর নন্দীগ্রামে নিয়ে হত্যা করেছে।

নন্দীগ্রাম থানার ওসি শওকত কবির জানান, রিপোর্ট পেলে এটি হত্যা না স্বাভাবিক মৃত্যু সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে। শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত এ ব্যাপারে মামলা হয়নি।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন