কাজ না করে ১০ প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
jugantor
কাজ না করে ১০ প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:০০:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনা

বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গ্রামীণ অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংস্কারের টিআর ও কাবিখার ১০ প্রকল্পের কাজ না করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের জন্য ১০টি প্রকল্পে টিআর ও কাবিখার বরাদ্দ দেন আমতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম। দোয়াতচারা মাদ্রাসার মাঠ বালু দিয়ে ভরাট, কালীবাড়ি ওয়াপদার পাকা রাস্তা হইতে কেতাবআলী বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা বালু দিয়ে উন্নয়ন, বাইনবুনিয়া লোহার ব্রিজ সংস্কার, কালীবাড়ী নিতাই মাস্টার সংলগ্ন লোহার ব্রিজ সংস্কার, কলাগাছিয়া ষোল হাওলাদার জামে মসজিদের মাঠ ভরাট, আঙ্গুলকাটা মুন্সিবাড়ি মসজিদের মাঠ ভরাট, উত্তর ডালাচারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট, কালিবাড়ি গোলবুনিয়া খালে আরসিসি পাইপ দিয়ে বাঁধ নির্মাণ। এই ৮টি প্রকল্পে টিআর থেকে নগদ ৪ লাখ ৬৪ হাজার ২শ’ ৭৭ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

হরিদ্রাবাড়িয়া বশির হাওলাদার বাড়ির পুর্বপাশের কালভার্ট থেকে কলাগাছিয়া কাদের দফাদার বাড়ির সামনের ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তা ও ডালাচারা অলির দোকান থেকে শুরু করে হাবিব সিকদার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মাটি দিয়ে উন্নয়ন। এই দুই প্রকল্পের কাবিখা থেকে সাড়ে ১৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়।

টিআর ও কাবিখার ওই ১০টি প্রকল্পের কাজ না করে ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প সভাপতি ও পিআইও মফিজুল ইসলামের যোগসাজশে এ টাকা আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। গত জুন মাসে এ প্রকল্পগুলোর টাকা ও চাল তুলে নিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার দোয়াতচারা স্বতন্ত্র মাদ্রাসা, আঙ্গুলকাটা মুন্সি বাড়ি মসজিদ, ষোল হাওলাদার জামে মসজিদ, কালিবাড়ী নিতাই মাস্টার বাড়ি পাশের লোহার ব্রিজ, উত্তর ডালাচার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ, ডালাচারা অলির দোকান থেকে হাবিব সিকদার বাড়ি রাস্তা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এ মাদ্রাসা ও দুই মসজিদ মাঠে কোনো বালু দেয়া হয়নি। প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঠ ভরাটের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়ার বিষয়ে স্থানীয়রা জানে না। লোহার ব্রিজের দুটি পাটাতন পরিবর্তন করা হয়েছে। উত্তর ডালাচার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিছু মাটি দেয়া আছে, অলির দোকান থেকে হাবিব সিকদার বাড়ি এক হাজার ৬’শ ফুট রাস্তায় মাত্র ৪’শ ফুট মাটি দেয়া হয়েছে।

দক্ষিণ ডালাচারা গ্রামের মাহমুদ মিয়া বলেন, এক হাজার ৬’শ ফুট রাস্তার মাত্র ৪’শ ফুট রাস্তায় মাটি দিয়েছে অবশিষ্ট রাস্তায় কাজ করেনি।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য প্রকল্প সভাপতি সোহাগ মোল্লা বলেন, সমুদয় কাজ করেই টাকা উত্তোলন করেছি। কোনো কাজ বাকি রাখিনি।

আঙ্গুলকাটা গ্রামের হাবিবুর রহমান মুন্সি বলেন, আমাদের মসজিদের মাঠ ভরাটের অর্থ বরাদ্দের খবর এলাকার কেউ জানেন না। কেউ মাঠ ভরাট করতে আসেনি।

দোয়াতচারা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হাসান আলী আকন বলেন, মাদ্রাসা মাঠ ভরাটের বরাদ্দের কথা আপনাদের মুখে শুনলাম।

ওই এলাকার জসিম মোল্লা, আবদুল মান্নান ও মামুন মোল্লা বলেন, এই মাদ্রাসার মাঠ ভরাটের নামে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে তা এলাকার কেউ জানেন না। আর মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মাঠ ভরাট হয়নি।

ষোল হাওলাদার মসজিদ এলাকার বাদল মৃধা, দেলোয়ার হোসেন, আলম ঘরামী ও হোসেন হাওলাদার বলেন, মসজিদ মাঠ ভরাটের বরাদ্দের খবর কেউ জানি না। তবে ১৫ দিন পূর্বে ইউপি সদস্য খবির উদ্দিন আকন ১০ হাজার টাকার বালু মসজিদের পাশে একটি ডোবায় দিয়েছেন।

আমতলী উপজেলা যুবলীগ সদস্য গুলিশাখালী এলাকার মঞ্জুরুল ইসলাম সোহাগ মৃধা বলেন, দুইটি লোহার ব্রিজ সংস্কার করতে এক লাখ ৭ হাজার ২’শ ২৩ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ব্রিজ দুটির একটিতে মাত্র দুইটি কাঠের পাটাতন দিয়ে চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি আরো বলেন, ইউনিয়নের ১০টি প্রকল্পেই কাজ না করে তিনি টাকা আত্মসাৎ করেছন। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের নিকট দাবি জানাই।

আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য গুলিশাখালীর বাসিন্দা হারুন অর রশিদ মোল্লা বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ১০টি প্রকল্পের কাজ না করে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাই।

তবে ষোল হাওলাদার মসজিদের প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য খবির উদ্দিন আকন বলেন, আমি কাজ করে বিল উত্তোলন করেছি।

অভিযোগ অস্বীকার করে গুলিশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম বলেন, আমি যেসব প্রকল্প নিয়েছি তার শতভাগ কাজ শেষে অর্থ উত্তোলন করেছি। অন্য কোনো প্রকল্প অনিয়ম হয়ে থাকলে তা আমার জানা নেই।

আমতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম বলেন, আমি প্রকল্পগুলো সরেজমিনে তদন্ত করব। কাজ না করে থাকলে অর্থ ফেরতের জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত অর্থ বছরে কাজ না করে অর্থ ছাড় দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, টিআর এর বরাদ্দের টাকা অগ্রিম দেয়ার বিধান রয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ দেয়ার কথা বলেন।

আমতলী উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার ফোরকান বলেন, অর্থ বছর শেষে বৃষ্টির কারণে আমি প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করতে পারিনি। কিন্তু তৎকালীন ইউএনও মনিরা পারভীন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম স্বাক্ষর করে আমার কাছে নিয়ে আসায় আমি স্বাক্ষর করেছি। ওই প্রকল্পগুলোতে কাজ হয়েছে কিনা আমি জানি না।

কাজ না করে ১০ প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

 আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বরগুনা
বরগুনা

বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গ্রামীণ অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংস্কারের টিআর ও কাবিখার ১০ প্রকল্পের কাজ না করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের জন্য ১০টি প্রকল্পে টিআর ও কাবিখার বরাদ্দ দেন আমতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম। দোয়াতচারা মাদ্রাসার মাঠ বালু দিয়ে ভরাট, কালীবাড়ি ওয়াপদার পাকা রাস্তা হইতে কেতাবআলী বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা বালু দিয়ে উন্নয়ন, বাইনবুনিয়া লোহার ব্রিজ সংস্কার, কালীবাড়ী নিতাই মাস্টার সংলগ্ন লোহার ব্রিজ সংস্কার, কলাগাছিয়া ষোল হাওলাদার জামে মসজিদের মাঠ ভরাট, আঙ্গুলকাটা মুন্সিবাড়ি মসজিদের মাঠ ভরাট, উত্তর ডালাচারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট, কালিবাড়ি গোলবুনিয়া খালে আরসিসি পাইপ দিয়ে বাঁধ নির্মাণ। এই ৮টি প্রকল্পে টিআর থেকে নগদ ৪ লাখ ৬৪ হাজার ২শ’ ৭৭ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

হরিদ্রাবাড়িয়া বশির হাওলাদার বাড়ির পুর্বপাশের কালভার্ট থেকে কলাগাছিয়া কাদের দফাদার বাড়ির সামনের ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তা ও ডালাচারা অলির দোকান থেকে শুরু করে হাবিব সিকদার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মাটি দিয়ে উন্নয়ন। এই দুই প্রকল্পের কাবিখা থেকে সাড়ে ১৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়।

টিআর ও কাবিখার ওই ১০টি প্রকল্পের কাজ না করে ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প সভাপতি ও পিআইও মফিজুল ইসলামের যোগসাজশে এ টাকা আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। গত জুন মাসে এ প্রকল্পগুলোর টাকা ও চাল তুলে নিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার দোয়াতচারা স্বতন্ত্র মাদ্রাসা, আঙ্গুলকাটা মুন্সি বাড়ি মসজিদ, ষোল হাওলাদার জামে মসজিদ, কালিবাড়ী নিতাই মাস্টার বাড়ি পাশের লোহার ব্রিজ, উত্তর ডালাচার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ, ডালাচারা অলির দোকান থেকে হাবিব সিকদার বাড়ি রাস্তা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এ মাদ্রাসা ও দুই মসজিদ মাঠে কোনো বালু দেয়া হয়নি। প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঠ ভরাটের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়ার বিষয়ে স্থানীয়রা জানে না। লোহার ব্রিজের দুটি পাটাতন পরিবর্তন করা হয়েছে। উত্তর ডালাচার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিছু মাটি দেয়া আছে, অলির দোকান থেকে হাবিব সিকদার বাড়ি এক হাজার ৬’শ ফুট রাস্তায় মাত্র ৪’শ ফুট মাটি দেয়া হয়েছে।

দক্ষিণ ডালাচারা গ্রামের মাহমুদ মিয়া বলেন, এক হাজার ৬’শ ফুট রাস্তার মাত্র ৪’শ ফুট রাস্তায় মাটি দিয়েছে অবশিষ্ট রাস্তায় কাজ করেনি।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য প্রকল্প সভাপতি সোহাগ মোল্লা বলেন, সমুদয় কাজ করেই টাকা উত্তোলন করেছি। কোনো কাজ বাকি রাখিনি।

আঙ্গুলকাটা গ্রামের হাবিবুর রহমান মুন্সি বলেন, আমাদের মসজিদের মাঠ ভরাটের অর্থ বরাদ্দের খবর এলাকার কেউ জানেন না। কেউ মাঠ ভরাট করতে আসেনি।

দোয়াতচারা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হাসান আলী আকন বলেন, মাদ্রাসা মাঠ ভরাটের বরাদ্দের কথা আপনাদের মুখে শুনলাম।

ওই এলাকার জসিম মোল্লা, আবদুল মান্নান ও মামুন মোল্লা বলেন, এই মাদ্রাসার মাঠ ভরাটের নামে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে তা এলাকার কেউ জানেন না। আর মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মাঠ ভরাট হয়নি।

ষোল হাওলাদার মসজিদ এলাকার বাদল মৃধা, দেলোয়ার হোসেন, আলম ঘরামী ও হোসেন হাওলাদার বলেন, মসজিদ মাঠ ভরাটের বরাদ্দের খবর কেউ জানি না। তবে ১৫ দিন পূর্বে ইউপি সদস্য খবির উদ্দিন আকন ১০ হাজার টাকার বালু মসজিদের পাশে একটি ডোবায় দিয়েছেন।

আমতলী উপজেলা যুবলীগ সদস্য গুলিশাখালী এলাকার মঞ্জুরুল ইসলাম সোহাগ মৃধা বলেন, দুইটি লোহার ব্রিজ সংস্কার করতে এক লাখ ৭ হাজার ২’শ ২৩ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ব্রিজ দুটির একটিতে মাত্র দুইটি কাঠের পাটাতন দিয়ে চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি আরো বলেন, ইউনিয়নের ১০টি প্রকল্পেই কাজ না করে তিনি টাকা আত্মসাৎ করেছন। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের নিকট দাবি জানাই।

আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য গুলিশাখালীর বাসিন্দা হারুন অর রশিদ মোল্লা বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ১০টি প্রকল্পের কাজ না করে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাই।

তবে ষোল হাওলাদার মসজিদের প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য খবির উদ্দিন আকন বলেন, আমি কাজ করে বিল উত্তোলন করেছি।

অভিযোগ অস্বীকার করে গুলিশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম বলেন, আমি যেসব প্রকল্প নিয়েছি তার শতভাগ কাজ শেষে অর্থ উত্তোলন করেছি। অন্য কোনো প্রকল্প অনিয়ম হয়ে থাকলে তা আমার জানা নেই।

আমতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম বলেন, আমি প্রকল্পগুলো সরেজমিনে তদন্ত করব। কাজ না করে থাকলে অর্থ ফেরতের জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত অর্থ বছরে কাজ না করে অর্থ ছাড় দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, টিআর এর বরাদ্দের টাকা অগ্রিম দেয়ার বিধান রয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ দেয়ার কথা বলেন।

আমতলী উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার ফোরকান বলেন, অর্থ বছর শেষে বৃষ্টির কারণে আমি প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করতে পারিনি। কিন্তু তৎকালীন ইউএনও মনিরা পারভীন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম স্বাক্ষর করে আমার কাছে নিয়ে আসায় আমি স্বাক্ষর করেছি। ওই প্রকল্পগুলোতে কাজ হয়েছে কিনা আমি জানি না।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন