পাবনায় ২৪ ঘণ্টায় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জনের মৃত্যু
jugantor
পাবনায় ২৪ ঘণ্টায় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জনের মৃত্যু

  পাবনা প্রতিনিধি  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৫২:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ট্রেন

পাবনায় ট্রেন লাইন অরক্ষিত থাকায় প্রায়ই ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় পাবনার বেড়া উপজেলার নান্দিয়ারা এবং সদর উপজেলার টেবুনিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জন মারা গেছেন। আর গত এক বছরে পাবনায় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন কমপক্ষে ২০ জন।

শনিবার সকালে বেড়া উপজেলার নান্দিয়ারা রেল গেটে এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় গোলেজান বেগম (৮০) নামক এক বৃদ্ধা নিহত হন। নিহত গোলেজান বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানার জাতসাকিন ইউনিয়নের নান্দিয়ারা গ্রামের মোসলেম সরদ্দারের স্ত্রী। এর আগে বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার টেবুনিয়া রেলওয়ে স্টেশনের কাছে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হন রাসেল হোসেন (২৪) নামে এক যুবক। রাসেল পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের ধরবিলা গ্রামের তসলিম উদ্দিন প্রামানিকের ছেলে।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার উপ-পুলিশ পরির্দশক রঞ্জন বিশ্বাস জানান, শনিবার সকালে নান্দিয়ারা এলাকায় রেল লাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিল গোলেজান বেগম। এ সময় পাবনার ঢালার চর থেকে রাজশাহীগামী ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি বেড়া উপজেলার নান্দিয়ারা রেলগেট এলাকা অতিক্রম করার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনা স্থলেই গোলেজান নিহত হন। খবর পেয়ে রেলওয়ে থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

বৃহস্পতিবার টেবুনিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মারা যাওয়া রাসেল হোসেন মাত্র ১৫ দিন আগে বিয়ে করেছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, সকাল ৯টার দিকে টেবুনিয়া রেলস্টেশনের কাছে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিলেন রাসেল। এক সময় তিনি রেললাইনে উঠে পড়েন। এরই মধ্যে পাবনার ঢালারচর থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহী অভিমুখী ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ট্রেন চলে আসে। অন্যমনষ্ক থাকায় তিনি ট্রেনের হুইসেল খেয়াল করেননি। ফলে তিনি ট্রেনের নিচে পড়েন। এতে তার দেহ দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়।

এদিকে গত এক বছরে পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ঈশ্বরদী এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন। মূলত: রেলগেট অরক্ষিত থাকায় এবং রেললাইনে কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে পশ্চিম রেলের পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার প্রকৌশলী শাহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের রেল গেটে সার্বক্ষণিক গেটম্যান থাকেন। তাদের কোনো অবহেলায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে না। পাবলিক নিজেরাই বিভিন্ন স্থানে গেট বানিয়ে চলাচলের রাস্তা বের করে। এসব স্থানে ঘটনা ঘটছে। তারপরও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে এ সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছি।

পাবনায় ২৪ ঘণ্টায় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জনের মৃত্যু

 পাবনা প্রতিনিধি 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ট্রেন
ট্রেন

পাবনায় ট্রেন লাইন অরক্ষিত থাকায় প্রায়ই ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় পাবনার বেড়া উপজেলার নান্দিয়ারা এবং সদর উপজেলার টেবুনিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জন মারা গেছেন। আর গত এক বছরে পাবনায় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন কমপক্ষে ২০ জন।

শনিবার সকালে বেড়া উপজেলার নান্দিয়ারা রেল গেটে এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় গোলেজান বেগম (৮০) নামক এক বৃদ্ধা নিহত হন। নিহত গোলেজান বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানার জাতসাকিন ইউনিয়নের নান্দিয়ারা গ্রামের মোসলেম সরদ্দারের স্ত্রী। এর আগে বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার টেবুনিয়া রেলওয়ে স্টেশনের কাছে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হন রাসেল হোসেন (২৪) নামে এক যুবক। রাসেল পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের ধরবিলা গ্রামের তসলিম উদ্দিন প্রামানিকের ছেলে।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার উপ-পুলিশ পরির্দশক রঞ্জন বিশ্বাস জানান, শনিবার সকালে নান্দিয়ারা এলাকায় রেল লাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিল গোলেজান বেগম। এ সময় পাবনার ঢালার চর থেকে রাজশাহীগামী ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি বেড়া উপজেলার নান্দিয়ারা রেলগেট এলাকা অতিক্রম করার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনা স্থলেই গোলেজান নিহত হন। খবর পেয়ে রেলওয়ে থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। 

বৃহস্পতিবার টেবুনিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে মারা যাওয়া রাসেল হোসেন মাত্র ১৫ দিন আগে বিয়ে করেছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, সকাল ৯টার দিকে টেবুনিয়া রেলস্টেশনের কাছে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিলেন রাসেল। এক সময় তিনি রেললাইনে উঠে পড়েন। এরই মধ্যে পাবনার ঢালারচর থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহী অভিমুখী ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ট্রেন চলে আসে। অন্যমনষ্ক থাকায় তিনি ট্রেনের হুইসেল খেয়াল করেননি। ফলে তিনি ট্রেনের নিচে পড়েন। এতে তার দেহ দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়।

এদিকে গত এক বছরে পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ঈশ্বরদী এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন। মূলত: রেলগেট অরক্ষিত থাকায় এবং রেললাইনে কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে পশ্চিম রেলের পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার প্রকৌশলী শাহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের রেল গেটে সার্বক্ষণিক গেটম্যান থাকেন। তাদের কোনো অবহেলায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে না। পাবলিক নিজেরাই বিভিন্ন স্থানে গেট বানিয়ে চলাচলের রাস্তা বের করে। এসব স্থানে ঘটনা ঘটছে। তারপরও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে এ সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন