প্রিয় ‘বড় হুজুর’ আর ফিরবেন না!
jugantor
প্রিয় ‘বড় হুজুর’ আর ফিরবেন না!

  হাটহাজারী (চট্টগাম) প্রতিনিধি  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৫১:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মুফতি তাজুল ইসলাম। বয়স ৩৩ বছর। কুমিল্লার চান্দিনা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম। প্রিয় বড় হুজুরের ইন্তেকালের খবর পেয়ে হুজুরকে দেখার জন্য ভোর রাতে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। যিনি কিনা আল্লামা আহমদ শফির একান্ত ছাত্র ছিলেন।

শুধু তাই নয়, বায়াত হয়েছেন আহমদ শফির হাতেই। তাকে (মুফতি তাজুল ইসলাম) তাঁর প্রিয় বড় হুজুরের ব্যাপারে বলতে বললে তিনি বলেন, হুজুরকে তো আর দেখবো না, তা বিশ্বাস করতে পারছি না। এ প্রিয় ক্যাম্পাস তথা মাদ্রাসায় তাঁর সকল নিদর্শন থাকবে। কিন্তু আমাদের প্রিয় বড় হুজুর আর এ ক্যাম্পাসে ফিরবে না।

তাঁর মতো অনেক ভক্ত, ছাত্র শিক্ষক ভোর রাতেই এসে উপস্থিত হয়েছেন হাটহাজারী মাদ্রাসায়। অনেকেই ফজরের নামাজ আদায় করেছেন মাদ্রাসা। সকলে চাওয়া-পাওয়া একটিই হুজুরের মরদেহকে এক নজর দেখার। একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন, আর স্মৃতি হাতড়াচ্ছেন প্রিয় ওস্তাদের।

কক্সবাজারের রামু থেকে এসেছেন মাওলানা আবদুল কাইয়ুম। তিনি বলেন, আমি হুজুরের ভক্ত। তাই হুজুরকে শেষবারের মতো দেখার জন্য ছুটে এসেছি। তিনি আরও বলেন, হুজুর মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় আমাদের হাত ধরে বের হতো। হুজুরের সাথে অনেক স্মৃতি। এখন স্মৃতিগুলো কিভাবে ভুলবো। হুজুরের অনেক গুলো বৈশিষ্ট আছে। তিনি সব ছাত্রকে সমানভাবে সমাদর করতেন। মুফতী নেয়ামত উল্লাহ কাসেমী এসেছেন

ফেনী জেলার মহীপাল দারুল নাজাত মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আবদুল হক বলেন, ফজরের নামাজ পড়ে রওনা দিয়েছি। আমার ওস্তাাদ শফি হুজুর। ১৯৮৮ সালে আমি হুজুরের ছাত্র ছিলাম। পড়ানোর প্রতি অক্লান্ত পরিশ্রম করতে দেখেছি ওনাকে। ছাত্রদের প্রতি খুবই মানবিক ছিলেন তিনি।

প্রিয় ‘বড় হুজুর’ আর ফিরবেন না!

 হাটহাজারী (চট্টগাম) প্রতিনিধি 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মুফতি তাজুল ইসলাম। বয়স ৩৩ বছর। কুমিল্লার চান্দিনা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম। প্রিয় বড় হুজুরের ইন্তেকালের খবর পেয়ে হুজুরকে দেখার জন্য ভোর রাতে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। যিনি কিনা আল্লামা আহমদ শফির একান্ত ছাত্র ছিলেন। 

শুধু তাই নয়, বায়াত হয়েছেন আহমদ শফির হাতেই। তাকে (মুফতি তাজুল ইসলাম) তাঁর প্রিয় বড় হুজুরের ব্যাপারে বলতে বললে তিনি বলেন, হুজুরকে তো আর দেখবো না, তা বিশ্বাস করতে পারছি না। এ প্রিয় ক্যাম্পাস তথা মাদ্রাসায় তাঁর সকল নিদর্শন থাকবে। কিন্তু আমাদের প্রিয় বড় হুজুর আর এ ক্যাম্পাসে ফিরবে না। 

তাঁর মতো অনেক ভক্ত, ছাত্র শিক্ষক ভোর রাতেই এসে উপস্থিত হয়েছেন হাটহাজারী মাদ্রাসায়। অনেকেই ফজরের নামাজ আদায় করেছেন মাদ্রাসা। সকলে চাওয়া-পাওয়া একটিই হুজুরের মরদেহকে এক নজর দেখার। একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন, আর স্মৃতি হাতড়াচ্ছেন প্রিয় ওস্তাদের।

কক্সবাজারের রামু থেকে এসেছেন মাওলানা আবদুল কাইয়ুম। তিনি বলেন, আমি হুজুরের ভক্ত। তাই হুজুরকে শেষবারের মতো দেখার জন্য ছুটে এসেছি। তিনি আরও বলেন, হুজুর মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় আমাদের হাত ধরে বের হতো। হুজুরের সাথে অনেক স্মৃতি। এখন স্মৃতিগুলো কিভাবে ভুলবো। হুজুরের অনেক গুলো বৈশিষ্ট আছে। তিনি সব ছাত্রকে সমানভাবে সমাদর করতেন। মুফতী নেয়ামত উল্লাহ কাসেমী এসেছেন 

ফেনী জেলার মহীপাল দারুল নাজাত মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আবদুল হক বলেন, ফজরের নামাজ পড়ে রওনা দিয়েছি। আমার ওস্তাাদ শফি হুজুর। ১৯৮৮ সালে আমি হুজুরের ছাত্র ছিলাম। পড়ানোর প্রতি অক্লান্ত পরিশ্রম করতে দেখেছি ওনাকে। ছাত্রদের প্রতি খুবই মানবিক ছিলেন তিনি।
 

 

ঘটনাপ্রবাহ : আল্লামা শফী আর নেই

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন