অবৈধ লেনদেন: শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিসহ ৫ পুলিশ প্রত্যাহার
jugantor
অবৈধ লেনদেন: শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিসহ ৫ পুলিশ প্রত্যাহার

  শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০৭:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ওসি মোজাম্মেল হোসেন

অবৈধ লেনদেনের অভিযোগে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হোসেনসহ ৫ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে।

শনিবার রাতে যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লাহ।

সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার স্কয়ার কোম্পানির সামনে থেকে আরএফএল বেস্ট বাইয়ের ম্যানেজার লুৎফুর রহমান তার এক কাস্টমারের মোটরসাইকেলে করে অলিপুর আসছিলেন।

এ সময় শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ মোটরসাইকেলটি আটক করে কাগজপত্র দেখতে চায়। কিন্তু চালক কাগজপত্র বাড়িতে রয়েছে জানালে লুৎফুর রহমানের জিম্মায় মোটরসাইকেলটি রেখে চালক বাড়ি থেকে কাগজপত্র আনতে যান।

কিন্তু তিনি আর কাগজপত্র নিয়ে না আসায় পুলিশ লুৎফুর রহমানকে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাকে হাজতে আটকিয়ে সাড়ে ২৮ হাজার টাকা দাবি করেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হোসেন। অন্যথায় তাকে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার হুমকি দেন।

একপর্যায়ে পুলিশের দাবি করা সাড়ে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে রাতে থানা থেকে মুক্তি পান লুৎফুর রহমান।

এ ঘটনায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর লুৎফুর রহমান হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লাহর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগেরপরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার একটি কমিটি গঠন করে তদন্ত শুরু করেন।

এতে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ওসি মোজাম্মেল হোসেন, এক সাব-ইন্সপেক্টর ও তিন কনস্টেবলকে ক্লোজড করা হয়। এ ব্যাপারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন।

অবৈধ লেনদেন: শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিসহ ৫ পুলিশ প্রত্যাহার

 শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ওসি মোজাম্মেল হোসেন
ওসি মোজাম্মেল হোসেন। ছবি-যুগান্তর

অবৈধ লেনদেনের অভিযোগে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হোসেনসহ ৫ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। 

শনিবার রাতে যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লাহ।

সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার স্কয়ার কোম্পানির সামনে থেকে আরএফএল বেস্ট বাইয়ের ম্যানেজার লুৎফুর রহমান তার এক কাস্টমারের মোটরসাইকেলে করে অলিপুর আসছিলেন। 

এ সময় শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ মোটরসাইকেলটি আটক করে কাগজপত্র দেখতে চায়। কিন্তু চালক কাগজপত্র বাড়িতে রয়েছে জানালে লুৎফুর রহমানের জিম্মায় মোটরসাইকেলটি রেখে চালক বাড়ি থেকে কাগজপত্র আনতে যান। 

কিন্তু তিনি আর কাগজপত্র নিয়ে না আসায় পুলিশ লুৎফুর রহমানকে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাকে হাজতে আটকিয়ে সাড়ে ২৮ হাজার টাকা দাবি করেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হোসেন। অন্যথায় তাকে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার হুমকি দেন। 

একপর্যায়ে পুলিশের দাবি করা সাড়ে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে রাতে থানা থেকে মুক্তি পান লুৎফুর রহমান।

এ ঘটনায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর লুৎফুর রহমান হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লাহর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার একটি কমিটি গঠন করে তদন্ত শুরু করেন। 

এতে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ওসি মোজাম্মেল হোসেন, এক সাব-ইন্সপেক্টর ও তিন কনস্টেবলকে ক্লোজড করা হয়। এ ব্যাপারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন