ভারত থেকে আমদানি করা পেয়াঁজের বেশিরভাগই পচা
jugantor
ভারত থেকে আমদানি করা পেয়াঁজের বেশিরভাগই পচা

  শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৫৫:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

শিবগঞ্জের আড়তগুলোতে ফ্যান দিয়ে পেয়াঁজে বাতাস দেয়া হচ্ছে। 

সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি করা বেশিরভাগই পচা। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে জানিয়েছেন।

পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর গত শনিবার এলসির টেন্ডার করা আটটি পেঁয়াজভর্তি ট্রাক সোনামসজিদ স্থলবন্দরে প্রবেশ করে। এতে প্রায় ২৪০টন পেঁয়াজ ছিল।

সরেজমিন রোববার সকালে দেখা গেছে, শিবগঞ্জের আড়তগুলোতে ফ্যান দিয়ে পেয়াঁজে বাতাস দেয়া হচ্ছে।

এ সময় ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানি করা পেঁয়াজের অধিকাংশ পেঁয়াজই পচে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তারা আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীনহয়েছেন।

শিবগঞ্জের পেয়াঁজ আড়তদার আজিজুল হক ও তাজিমুল হক জানান, ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের মধ্যে প্রায় ৩০ ভাগই নষ্ট।

সোনামসজিদ স্থলবন্দরে সঙ্গনিরোধ কীটতত্ত্ববিদ অফিসের কর্মকর্তা তারেক ও পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজার মাইনুলইসলাম জানান, আমদানি করা পেঁয়াজের অধিকাংশই পচে নষ্ট হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

তারা আরও জানান, ভারতের ওপারে মহদীপুর স্থলবন্দরে আটকেপড়া পেঁয়াজের গাড়িগুলো পরবর্তী এলসিতে আসার অপেক্ষায় আছে। কিন্তুভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়া ও পেঁয়াজ পচে যাওয়ার কারণে গাড়িগুলো ফিরে যাচ্ছে।

এদিকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হলেও বাজারে কোনো প্রভাব পড়েনি। এখনও বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরেবিক্রি হচ্ছে।

সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুর রহমান বাবু জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে খোলাএলসির বিপরীতে আটকেপড়া মহদীপুর স্থলবন্দরে পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে প্রায় ২৪০ টনপেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

মহদীপুর স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী ভূপতি মণ্ডল জানান, অনুমতি না পাওয়ায় ওপেঁয়াজ নষ্ট হওয়ার কারণে প্রায় ৩০০ ট্রাক এরই মধ্যে ফেরত গেছে।

তিনি আরও জানান, এখনও প্রায় ১০০ পেঁয়াজভর্তি ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে ট্রাকগুলো কবে নাগাদ সোনামসজিদস্থলবন্দরে প্রবেশ করবে তা তিনি বলতে পারেননি।

ভারত থেকে আমদানি করা পেয়াঁজের বেশিরভাগই পচা

 শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শিবগঞ্জের আড়তগুলোতে ফ্যান দিয়ে পেয়াঁজে বাতাস দেয়া হচ্ছে। 
শিবগঞ্জের আড়তগুলোতে ফ্যান দিয়ে পেয়াঁজে বাতাস দেয়া হচ্ছে। ছবি-যুগান্তর

সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি করা বেশিরভাগই পচা। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে জানিয়েছেন। 

পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর গত শনিবার এলসির টেন্ডার করা আটটি পেঁয়াজভর্তি ট্রাক সোনামসজিদ স্থলবন্দরে প্রবেশ করে। এতে প্রায় ২৪০ টন পেঁয়াজ ছিল। 

সরেজমিন রোববার সকালে দেখা গেছে, শিবগঞ্জের আড়তগুলোতে ফ্যান দিয়ে পেয়াঁজে বাতাস দেয়া হচ্ছে। 

এ সময় ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানি করা পেঁয়াজের অধিকাংশ পেঁয়াজই পচে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তারা আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। 

শিবগঞ্জের পেয়াঁজ আড়তদার আজিজুল হক ও তাজিমুল হক জানান, ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের মধ্যে প্রায় ৩০ ভাগই নষ্ট। 

সোনামসজিদ স্থলবন্দরে সঙ্গনিরোধ কীটতত্ত্ববিদ অফিসের কর্মকর্তা তারেক ও পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম জানান, আমদানি করা পেঁয়াজের অধিকাংশই পচে নষ্ট হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। 

তারা আরও জানান, ভারতের ওপারে মহদীপুর স্থলবন্দরে আটকেপড়া পেঁয়াজের গাড়িগুলো পরবর্তী এলসিতে আসার অপেক্ষায় আছে। কিন্তু ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়া ও পেঁয়াজ পচে যাওয়ার কারণে গাড়িগুলো ফিরে যাচ্ছে। 

এদিকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হলেও বাজারে কোনো প্রভাব পড়েনি। এখনও বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।  

সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুর রহমান বাবু জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে খোলা এলসির বিপরীতে আটকেপড়া মহদীপুর স্থলবন্দরে পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে প্রায় ২৪০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। 

মহদীপুর স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী ভূপতি মণ্ডল জানান, অনুমতি না পাওয়ায় ও পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ার কারণে প্রায় ৩০০ ট্রাক এরই মধ্যে ফেরত গেছে। 

তিনি আরও জানান, এখনও প্রায় ১০০ পেঁয়াজভর্তি ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে ট্রাকগুলো কবে নাগাদ সোনামসজিদ স্থলবন্দরে প্রবেশ করবে তা তিনি বলতে পারেননি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন