ভারত থেকে শনিবার আসা পেঁয়াজের অধিকাংশই পচা
jugantor
ভারত থেকে শনিবার আসা পেঁয়াজের অধিকাংশই পচা

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:১৮:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে রোববার ভারত থেকে প্রবেশ করেনি কোনো পেঁয়াজবাহী ট্রাক। এদিকে শনিবার এ বন্দর দিয়ে যে ২৪৬ টন পেঁয়াজ এসেছে, তার অধিকাংশই পচা বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকরা।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ হারুন জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণার আগের দিন রোববার যে পরিমাণ পেঁয়াজের টেন্ডার করা হয়েছিল, সেই ২৪৬ টন পেঁয়াজ নিয়ে ১১টি ট্রাক শনিবার বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর আর টেন্ডার করা না থাকায় রোববার কোনো পেঁয়াজবাহী ট্রাক হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি। তবে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি।

শনিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১১টি ট্রাকে যে ২৪৬ টন পেঁয়াজ এসেছে তার অধিকাংশই পচা বলে জানিয়েছে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা। এসব পেঁয়াজ ২৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছে আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও অতিরিক্ত পচে যাওয়া পেঁয়াজের প্রতি ৫০ কেজির বস্তা বিক্রি করা হয়েছে মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়।

হিলি স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান লিটন জানান, সীমান্তের ওপারে ৫ দিন আটকে থাকায় অতিমাত্রায় গরম ও বৃষ্টিতে ভিজে পেঁয়াজগুলো পচে নষ্ট হয়েছে।

আমদানিকারক হারুন-উর রশিদ জানান, প্রতি ট্রাকের ৭৫ শতাংশ পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়ে গেছে। এ অবস্থায় দারুণ ক্ষতির মুখে পড়েছেন পেঁয়াজ আমদানিকারকরা।

ভারত থেকে শনিবার আসা পেঁয়াজের অধিকাংশই পচা

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে রোববার ভারত থেকে প্রবেশ করেনি কোনো পেঁয়াজবাহী ট্রাক। এদিকে শনিবার এ বন্দর দিয়ে যে ২৪৬ টন পেঁয়াজ এসেছে, তার অধিকাংশই পচা বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকরা।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ হারুন জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণার আগের দিন রোববার যে পরিমাণ পেঁয়াজের টেন্ডার করা হয়েছিল, সেই ২৪৬ টন পেঁয়াজ নিয়ে ১১টি ট্রাক শনিবার বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর আর টেন্ডার করা না থাকায় রোববার কোনো পেঁয়াজবাহী ট্রাক হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি। তবে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি।

শনিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১১টি ট্রাকে যে ২৪৬ টন পেঁয়াজ এসেছে তার অধিকাংশই পচা বলে জানিয়েছে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা। এসব পেঁয়াজ ২৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছে আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও অতিরিক্ত পচে যাওয়া পেঁয়াজের প্রতি ৫০ কেজির বস্তা বিক্রি করা হয়েছে মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়।

হিলি স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান লিটন জানান, সীমান্তের ওপারে ৫ দিন আটকে থাকায় অতিমাত্রায় গরম ও বৃষ্টিতে ভিজে পেঁয়াজগুলো পচে নষ্ট হয়েছে।

আমদানিকারক হারুন-উর রশিদ জানান, প্রতি ট্রাকের ৭৫ শতাংশ পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়ে গেছে। এ অবস্থায় দারুণ ক্ষতির মুখে পড়েছেন পেঁয়াজ আমদানিকারকরা।

 

ঘটনাপ্রবাহ : পেঁয়াজের বাজার আবারও অস্থির

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন