যশোরে স্কুলের এমপিও স্থগিতে এমপি নাবিলের স্বাক্ষর জাল
jugantor
যশোরে স্কুলের এমপিও স্থগিতে এমপি নাবিলের স্বাক্ষর জাল

  যশোর ব্যুরো  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৫৬:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোর সদর উপজেলার বলরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এমপিও স্থগিত করতে একটি চক্র জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে। এজন্য তারা যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের স্বাক্ষর জাল করে ডিও লেটার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে জমা দিয়েছে।

তবে তদন্তে ডিও জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়েছে। রোববার অভিযোগ তদন্তে আসা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের খুলনা অঞ্চলের উপ-পরিচালক নিভা রানী পাঠক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বলরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যাকডেটে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে- এমন একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গত ২৩ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিতে তদন্তে আসেন। এ সময় যাচাই-বাচাই করে সাত শিক্ষক-কর্মচারীর নিয়োগের বৈধতা পাওয়া যায়। এজন্য ওই সাত শিক্ষককে এমপিভুক্তির উদ্যোগ নেয়া হয় কিন্তু এরই মধ্যে সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের স্বাক্ষরিত একটি ডিও লেটার সংযুক্ত করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে প্রতিষ্ঠানটির এমপিও স্থগিত করার সুপারিশ করা হয়।

সেই বিষয়টি তদন্তে এসে তারা সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন এ ধরনের কোনো ডিও লেটার তিনি দেননি। তার স্বাক্ষর জাল করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে ডিও লেটার দেয়া হয়েছে। ওই ডিও লেটারটি প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে একটি ডিও লেটার দিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, বলরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ব্যাকডেটে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের অভিযোগ চারবার তদন্ত করা হয়েছে। সব প্রতিবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হবে। মহাপরিচালকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তদন্তকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার এএসএম আবদুল খালেক, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এম কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, প্রতিষ্ঠানের সভাপতি আকরাম হোসেন ওরফে ক্ষিদির বিশ্বাস, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোদাচ্ছের আলী প্রমুখ।

যশোরে স্কুলের এমপিও স্থগিতে এমপি নাবিলের স্বাক্ষর জাল

 যশোর ব্যুরো 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোর সদর উপজেলার বলরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এমপিও স্থগিত করতে একটি চক্র জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে। এজন্য তারা যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের স্বাক্ষর জাল করে ডিও লেটার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে জমা দিয়েছে।

তবে তদন্তে ডিও জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়েছে। রোববার অভিযোগ তদন্তে আসা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের খুলনা অঞ্চলের উপ-পরিচালক নিভা রানী পাঠক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বলরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যাকডেটে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে- এমন একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গত ২৩ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিতে তদন্তে আসেন। এ সময় যাচাই-বাচাই করে সাত শিক্ষক-কর্মচারীর নিয়োগের বৈধতা পাওয়া যায়। এজন্য ওই সাত শিক্ষককে এমপিভুক্তির উদ্যোগ নেয়া হয় কিন্তু এরই মধ্যে সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের স্বাক্ষরিত একটি ডিও লেটার সংযুক্ত করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে প্রতিষ্ঠানটির এমপিও স্থগিত করার সুপারিশ করা হয়।

সেই বিষয়টি তদন্তে এসে তারা সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন এ ধরনের কোনো ডিও লেটার তিনি দেননি। তার স্বাক্ষর জাল করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে ডিও লেটার দেয়া হয়েছে। ওই ডিও লেটারটি প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে একটি ডিও লেটার দিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, বলরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ব্যাকডেটে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের অভিযোগ চারবার তদন্ত করা হয়েছে। সব প্রতিবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হবে। মহাপরিচালকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তদন্তকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার এএসএম আবদুল খালেক, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এম কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, প্রতিষ্ঠানের সভাপতি আকরাম হোসেন ওরফে ক্ষিদির বিশ্বাস, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোদাচ্ছের আলী প্রমুখ।

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন